বিদ্রোহী প্রার্থীর গাড়িবহরে নৌকার সমর্থকদের হামলা, আহত ৫০
নোয়াখালীর সুবর্ণচরের চরজব্বরে স্বতন্ত্র প্রার্থী (আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী) অ্যাডভোকেট মো. ওমর ফারুকের গাড়িবহরে হামলা চালানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে নৌকার সমর্থকদের বিরুদ্ধে। এতে ওই প্রার্থীর অর্ধশতাধিক কর্মী আহত হয়েছেন।
এসময় অন্তত ৪০টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। গুরুতর আহত ২৭ জনকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের সুবর্ণচরে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
শনিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার ১ নম্বর চরজব্বর ইউনিয়নের চরহাসান ভূঁইয়ারহাট বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিয়াউল হক জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ৫৫ রাউন্ড রাবার গুলি নিক্ষেপসহ ঘটনাস্থল থেকে আটজনকে আটক করেছে। বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নির্বাচনী ক্যাম্প ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দুপুর ১২টার দিকে ছেউয়াখালী বাজারে সংবাদ সম্মেলন করেন সুবর্ণচর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ১ নম্বর চরজব্বর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী (আনারস) অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ওমর ফারুক। পরে গাড়িবহর নিয়ে ফেরার পথে চরহাসান ভূঁইয়ার হাট বাজার এলাকায় হামলা চালান নৌকার প্রার্থী তরিকুল ইসলামের সমর্থকরা। এসময় অন্তত ৪০টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। আহত হন অর্ধশতাধিক।

তবে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী ওমর ফারুকের দাবি, নৌকাপ্রার্থীর সমর্থকদের হামলায় তার শতাধিক অনুসারী আহত হয়েছেন। শতাধিক মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়েছে। ঘটনার পর তার তিনজন সমর্থককে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
জানতে চাইলে চরজব্বর ইউনিয়নে নৌকার প্রার্থী তরিকুল ইসলাম বলেন, হামলার ঘটনায় আমার কোনো সমর্থক জড়িত নয়। আমি ওই সময় ঘটনাস্থলে ছিলাম না। পরে জানতে পেরেছি মোটরসাইকেলে কিছু ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীকে স্থানীয় জনতা প্রতিহত করেছে।
আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি চরজব্বরসহ সুবর্ণচরের দুই ইউনিয়নের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। চরজব্বরে তরিকুল ইসলাম (নৌকা) ও অ্যাডভোকেট ওমর ফারকসহ (আনারস) ছয়জন চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
ইকবাল হোসেন মজনু/এসআর/এমএস