তিস্তাপাড়ের মানুষের আর দুশ্চিন্তার কারণ নেই: মন্ত্রী

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি লালমনিরহাট
প্রকাশিত: ০৩:১২ এএম, ১৮ জুলাই ২০২২
ফাইল ছবি

তিস্তার ভাঙন কবলিত এলাকার মানুষের বন্যা ভয়াবহতা নিয়ে আর দুশ্চিন্তার কারণ নেই বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ।

তিনি বলেছেন, প্রতিবছর বন্যায় তিস্তাপাড়ের মানুষেরা ঘরবাড়ি হারিয়ে সর্বস্বান্ত হয়ে পড়েন। এসব মানুষের আর দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। কারণ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৫০ কোটি টাকা বরাদ্ধ দিয়েছেন। সে টাকা দিয়ে তিস্তার তীরে বেড়িবাঁধ নির্মাণ হবে।

রোববার (১৭ জুলাই) লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলায় নির্মাণকাজের উদ্বোধনী সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

এদিন সন্ধ্যা ৭টায় উপজেলার মহিষখোচা চৌরাহা এলাকায় তিস্তা নদীর ভাঙন রোধে বেড়িবাঁধ নির্মাণকাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার যতদিন ক্ষমতায় থাকবে তিস্তাপাড়ের মানুষ নিরাপদ থাকবে। তাই প্রধানমন্ত্রীকে খুশি রাখতে নৌকায় ভোট দিতে হবে। তাহলে তিস্তাপাড়ের মানুষের কোনো কষ্ট থাকবে না।

তিনি আরও বলেন, তিস্তার জন্য ৫০ কোটি টাকা কিছুই নয়। তবুও এ বাঁধ সংরক্ষণে যত টাকা লাগবে বঙ্গবন্ধুকন্যা জনগণের স্বার্থে দিয়ে যাবেন। মানুষের দুঃখ ঘোচাতে প্রধানমন্ত্রী বেড়িবাঁধ দিয়েছেন।

jagonews24

এসময় লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক আবু জাফরের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন, জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান, আদিতমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জি আর সারোয়ার, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মন্ত্রীর সহকারী ব্যক্তিগত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান মিজান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্পাদক রফিকুল আলম, মহিষখোচা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মোসাদ্দেক হোসেন চৌধুরী প্রমুখ।

এর আগে সকালে কালীগঞ্জ অডিটোরিয়াম হল রুমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে চেক বিতরণসহ সমাজসেবা কর্তৃক একটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী।

এরপর তিনি উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলীর কার্যালয়ের ভবন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও দক্ষিণ বালাপাড়া কামিল মাদরাসার চারতলা একাডেমিক ভবনের উদ্বোধন করেন।

মো. রবিউল হাসান/এমকেআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।