বগুড়ায় ব্রিজের পাটাতন ভেঙে পাঁচ রুটে যান চলাচল বন্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক বগুড়া
প্রকাশিত: ০৬:০৯ পিএম, ১৩ আগস্ট ২০২২

বগুড়ার শেরপুর-ধুনট আঞ্চলিক সড়কের ভস্তার বিল খালের ওপর নির্মিত বেইলি ব্রিজের পাটাতন ভেঙে ভোগান্তিতে পড়েছেন ওই এলাকার কয়েক হাজার মানুষ। শনিবার (১৩ আগস্ট) সকাল থেকে ওই ব্রিজ দিয়ে চলা পাঁচ রুটের যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, ব্রিজের পাটাতন ভেঙে শেরপুর, ধুনট, কাজীপুর, সোনামুখি ও মথুরাপুর রুটের সব ধরনের যানবাহন বন্ধ রয়েছে। তবে সড়ক ও জনপথ বিভাগ বলছে, ব্রিজের সংস্কার কাচ চলছে। আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে ব্রিজটি খুলে দেওয়া হবে।

সরেজমিনে দেখা যায়, ব্রিজটির ভেঙে যাওয়া পাটাতন ও ট্যাঙ্ক জাম (লোহার পাতি) খুলে ফেলা হচ্ছে। বেশকয়েকজন শ্রমিক এ কাজে ব্যস্ত ব্রিজের ওপর যেন কোনো যানবাহন উঠতে না পারে সে জন্য ব্রিজের মুখে বাঁশ দিয়ে বেরিকেড দেওয়া হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্রিজে যান চলাচল বন্ধ থাকায় নৌকায় চড়ে খাল হচ্ছেন অনেকে।

এসময় কথা হয় গোলাম রব্বানী নামের এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে। তিনি বলেন, মোটরসাইকেল নিয়ে ধুনট যাচ্ছিলেন। কিন্তু বেইলি ব্রিজটি বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েছি। একপর্যায়ে সাত-আট কিলোমিটার গ্রামীণ সড়ক ঘুরে সেখানে যেতে হয়।

jagonews24

সালমা বেগম নামের একজন বলেন, মেয়ের চিকিৎসার জন্য বগুড়া শহরে যাচ্ছি। কিন্তু পথিমধ্যে বোয়ালকান্দি ব্রিজের পূর্বপাশে বাস থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়। সেইসঙ্গে বিকল্প যানবাহনে যেতে বলা হয়। কারণ হিসেবে মেরামতের জন্য ব্রিজ বন্ধ রয়েছে।

জাহিদুল ইসলাম নামের এক বাসচালক বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজে ভয়ে যাতায়াত করতে হয়। মাঝেমধ্যে কোনো না কোনো ব্রিজের পাটাতন ভেঙে ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

খানপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পিয়ার হোসেন বলেন, পুরোনো হওয়ায় ব্রিজটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। যে কোনো সময় ব্রিজ ভেঙে পড়ে বড় ধরণের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। তাই ব্রিজটি মেরামত না করে স্থায়ী সমাধানের প্রয়োজন।

বগুড়ার সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আসাদুজ্জামান বলেন, ব্রিজের পাটাতন ও ট্যাঙ্ক জাম ভেঙে গেছে। ব্রিজের মেরামতের কাজ শুরু হয়েছে। তিনদিনের জন্য এ সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।

আরএইচ/এএসএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।