কিশোর গ্যাংয়ের সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্ব
মাইজদীতে কলেজছাত্র হত্যার ঘটনায় তিন সহোদরসহ গ্রেফতার ৪
নোয়াখালীর জেলা শহর মাইজদীর পৌর এলাকায় সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্বের জেরে কিশোর গ্যাং সদস্যদের ছুরিকাঘাতে মো. জোবায়ের (১৮) নামে এক কলেজছাত্র নিহত হওয়ার ঘটনায় তিন সহোদরসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
গ্রেফতাররা হলেন— নোয়াখালী পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের চন্দ্রপুর গ্রামের বাদশা আলমের ছেলে বোরহান উদ্দিন রাকিব (২২), আশরাফুল ইসলাম পিয়াস (১৯), আরিফুল ইসলাম (১৬) ও একই গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে শাহিদ আলম রিমন (১৬)।
মঙ্গলবার (১১ অক্টোবর) নোয়াখালী পুলিশ সুপার মো. শহীদুল ইসলাম বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ঘটনার ১২ ঘণ্টার মধ্যে রাতেই মূল অভিযুক্তসহ চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। নিহতের পরিবারের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরও পড়ুন>>নোয়াখালীতে ছুরিকাঘাতে কলেজছাত্র খুন, আটক ২
এর আগে সোমবার সন্ধ্যায় নোয়াখালী পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে কিশোর গ্যাংয়ের সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্বের জেরে কলেজছাত্র জোবায়েরকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। নিহত জোবায়ের বেগমগঞ্জ উপজেলার রাজগঞ্জ ইউনিয়নের আলাউদ্দিন নগরের কাজী বাড়ির কামাল উদ্দিনের ছেলে। তিনি সোনাপুর আইডিয়াল পলিটেকনিকেল কলেজের ছাত্র ছিলেন। তারা নোয়াখালী পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের চন্দ্রপুর মহল্লার মো. শাহজাহানের বাসায় ভাড়া থাকতেন।
জানা গেছে— সোমবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে জোবায়েরের সঙ্গে বড়ভাই-ছোটভাই ডাকাডাকি নিয়ে একই এলাকার আরিফুল ইসলামের কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে জোবায়ের আরিফকে চর-থাপ্পড় মারে। বিষয়টি আরিফ তার বড়ভাই বোরহান উদ্দিন রাকিব ও আশরাফুল ইসলাম পিয়াসকে জানালে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে সহযোগিদের নিয়ে জোবায়েরকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে।
ইকবাল হোসেন মজনু/এমএএইচ/জিকেএস