যমুনা নদীর ভাঙনে হুমকির মুখে ৪ গ্রাম


প্রকাশিত: ০৭:১৪ এএম, ০৪ মে ২০১৬

টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলায় প্রায় দুই কি.মি. এলাকা জুড়ে যমুনা নদীর ভাঙন রক্ষা বাঁধ ধসে পড়েছে। এতে উপজেলার শাহজানী, আটাপাড়া, মারমা ও ধলাই গ্রাম হুমকির মুখে পড়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, নাগরপুর উপজেলার শাহজানী, আটাপাড়া, মারমা ও ধলাই গ্রামে ১২২ কোটি টাকা ব্যয়ে ৭ কি.মি. যমুনা নদীর ভাঙন রক্ষা বাঁধের কাজ শুরু করেন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান জামিল ইকবাল লিমিটেড (আইজে-জেভি)। গত রোববার সন্ধ্যায় হঠাৎ ঝড় শুরু হলে নদীর পানি ৪/৫ ফুট উচুতে উঠে। এ সময় প্রচণ্ড বেগে ঢেউ এসে বাঁধের উপর আছড়ে পড়ে। এতে চেকির মোড় থেকে খগেন ঘাট হয়ে আটাপাড়া উত্তর সীমানা পর্যন্ত প্রায় দুই কি.মি. বাঁধ ধসে যায়। সেই সঙ্গে বাঁধের কিছু স্লোব নষ্ট হয়ে গেছে।

স্থানীয় চা দোকানদার মো. আইয়ুব আলী (৫৮) জানান, ওই দিন সন্ধ্যা ৬টার দিকে ঝড় শুরু হলে ভাঙন রক্ষা বাঁধ ধসে যেতে থাকে।

শাহজানী এম এ করিম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো.আবুল কাশেম বলেন, ঝড়ের কারণে নদীর পানি ৪ থেকে ৫ ফুট ওপরে এসে বাঁধে আঘাত করে। এতে ভাঙন রক্ষা বাঁধ দেবে যায়। জরুরি ভিত্তিতে ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাবে আটাপাড়া, মারমা ও ধলাই গ্রাম।

River

এ ব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শাহজাহান সিরাজ জানান, প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে এমনটি হয়েছে। চিন্তার কিছু নেই। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে কাজ শেষ হয়ে যাবে। সোমবার বিকেলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রজেক্ট ডিরেক্টর (পিডি) মো. আমিনুল হক  ভাঙন রক্ষা বাঁধ এলাকা পরিদর্শন করেন।

উল্লেখ্য, টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার চরাঞ্চল ভাড়রা ইউনিয়নের শাহজানী, আটাপাড়া, মারমা ও ধলাই গ্রাম যমুনা নদীর ভাঙনের কবলে পড়ে। ইতোমধ্যে ওই ৪টি গ্রামের বহু ঘর বাড়ি ও আবাদী জমি যমুনার গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। সম্প্রতি যমুনার ভাঙনের কবল থেকে নাগরপুরকে রক্ষা করতে ১২২ কোটি টাকার ভাঙন রক্ষা বাঁধ প্রকল্পের কাজ শুরু করা হয়।

আরিফ উর রহমান টগর/এসএস/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।