চামড়া খাতে ঋণে বড় ছাড়, ‘কম্প্রোমাইজ’ পরিশোধ ছাড়াই মিলবে নতুন অর্থায়ন

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৬:৩৪ পিএম, ০৫ মে ২০২৬
কাঁচা চামড়া সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও বিপণনে পর্যাপ্ত অর্থায়ন নিশ্চিত করতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে/ফাইল ছবি

কোরবানির ঈদ সামনে রেখে চামড়া খাতে ঋণ পাওয়ার ক্ষেত্রে বড় ধরনের ছাড় দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে ঋণ পুনঃতফসিল করা ব্যবসায়ীদের নতুন ঋণ নিতে আর বকেয়ার নির্দিষ্ট অংশ (কম্প্রোমাইজ অ্যামাউন্ট) পরিশোধ করতে হবে না।

এই বাধ্যবাধকতা সাময়িকভাবে তুলে নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৫ মে) এ-সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

এতে উল্লেখ করা হয়, চামড়া শিল্প দেশীয় কাঁচামালভিত্তিক একটি গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানিমুখী খাত। জাতীয় প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন ও মূল্য সংযোজনে এ খাতের অবদান উল্লেখযোগ্য। বিশেষ করে সারা বছরে ব্যবহৃত কাঁচা চামড়ার বড় একটি অংশ আসে ঈদুল আজহার কোরবানির পশু থেকে।

আরও পড়ুন
কোরবানির পর ৭ দিন ঢাকায় কোনো চামড়া প্রবেশ করবে না
কোরবানির বর্জ্য ১২ ঘণ্টার মধ্যে অপসারণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

এ বছরের ঈদুল আজহা সামনে রেখে কাঁচা চামড়া সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও বিপণনে পর্যাপ্ত অর্থায়ন নিশ্চিত করতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ব্যবসায়ী-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তাদের অনুকূলে চলতি মূলধন ঋণের সীমা অনুমোদন ও দ্রুত বিতরণের ওপর জোর দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। একই সঙ্গে ঋণের অর্থ যেন তৃণমূল পর্যায়ের চামড়া ব্যবসায়ীদের কাছে পৌঁছায়, সে বিষয়েও সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে সার্কুলারে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যেসব ব্যবসায়ীর আগের ঋণ পুনঃতফসিল করা রয়েছে, তারা ঈদের আগে নতুন ঋণ নিতে গেলে বকেয়ার একটি অংশ পরিশোধের পূর্বশর্ত থেকে সাময়িকভাবে মুক্ত থাকবেন। এই সুবিধা আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত বহাল থাকবে।

এছাড়া ২০২৬ সালের জন্য চামড়া খাতে ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই লক্ষ্যমাত্রা কোনোভাবেই গত বছরের তুলনায় কম রাখা যাবে না। নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা এবং বাস্তবায়ন অগ্রগতি আগামী ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দিতে হবে।

ইএআর/একিউএফ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।