বিদ্যুতের ১৮ উপকেন্দ্র নির্মাণে ২৮৬ কোটি টাকার ব্যয় অনুমোদন

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৪:১১ পিএম, ০৭ মে ২০২৬
বিদ্যুতের একটি উপকেন্দ্র/ফাইল ছবি

ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও ক্ষমতাবর্ধনে ১৮টি নতুন উপকেন্দ্র নির্মাণে ২৮৬ কোটি ২ লাখ ১৫ হাজার ২৬৭ টাকার তিনটি ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এসব প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যুৎ বিভাগের অধীন বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (বাপবিবো) বাস্তবায়নাধীন “বাপবিবো’র বৈদ্যুতিক বিতরণ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও ক্ষমতাবর্ধন (ঢাকা-ময়মনসিংহ বিভাগ)” প্রকল্পের আওতায় এসব কাজ বাস্তবায়ন করা হবে। প্রকল্পটি ২০২২ সালের ১৪ জুন একনেকে অনুমোদিত হয়। এর মেয়াদ ২০২২ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত।

অনুমোদিত প্রস্তাবগুলোর মধ্যে প্যাকেজ নম্বর ডব্লিউ-৩, লট-৩ এর আওতায় ৮টি ৩৩/১১ কেভি নতুন উপকেন্দ্র নির্মাণ, নকশা প্রণয়ন, যন্ত্রপাতি সরবরাহ, স্থাপন, পরীক্ষণ ও চালুকরণসহ ভূমি উন্নয়ন কাজ রয়েছে। এ কাজের জন্য ১১৭ কোটি ৬৬ লাখ ৫৪ হাজার ৭৯০ টাকায় কনসোর্টিয়াম অব ইইএল অ্যান্ড এফএইচএল, বাংলাদেশকে কার্যাদেশ দেওয়ার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। 

দরপত্রে অংশ নেওয়া সাতটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ছয়টি কারিগরি ও আর্থিকভাবে গ্রহণযোগ্য হয়। সুপারিশ করা দর দাপ্তরিক প্রাক্কলিত দরের তুলনায় ৬ দশমিক ৮৭ শতাংশ কম।

এ ছাড়া প্যাকেজ নম্বর ডব্লিউ-৩, লট-৪ এর আওতায় ৬টি নতুন ৩৩/১১ কেভি উপকেন্দ্র নির্মাণে ৯০ কোটি ৭৪ লাখ ২৩ হাজার ৪৪ টাকার প্রস্তাব অনুমোদন পেয়েছে। এ কাজ পাবে ঢাকার প্রতিষ্ঠান রেভেরি পাওয়ার অ্যান্ড অটোমেশন ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড। 

এই দরপত্রে ছয়টি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। যার মধ্যে পাঁচটি কারিগরি ও আর্থিকভাবে গ্রহণযোগ্য হয়। সুপারিশ করা দর দাপ্তরিক প্রাক্কলিত দরের তুলনায় ৩ দশমিক ৮৭ শতাংশ কম।

অন্যদিকে প্যাকেজ নম্বর ডব্লিউ-২, লট-৩ এর আওতায় আরও ৪টি ৩৩/১১ কেভি উপকেন্দ্র নির্মাণের জন্য ৭৭ কোটি ৬১ লাখ ৩৭ হাজার ৪৩৩ টাকার প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ কাজও বাস্তবায়ন করবে রেভেরি পাওয়ার অ্যান্ড অটোমেশন ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড।

সাতটি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত দরপত্রে ছয়টি প্রস্তাব গ্রহণযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হয়। সুপারিশ করা দর দাপ্তরিক প্রাক্কলিত দরের তুলনায় ১৩ দশমিক ৪৬ শতাংশ কম।

প্রকল্পের অর্থায়ন করা হচ্ছে সরকারি তহবিল, বিশ্বব্যাংক এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে।

এমএএস/এমএমকে

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।