রপ্তানি সম্ভাবনা বাড়াতে ঢাকায় শুরু প্যাকেজিং এক্সপো

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:১৪ পিএম, ০৭ মে ২০২৬
প্যাকেজিং এক্সপো উদ্বোধন করেন মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরসহ অন্য অতিথিরা/ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী ‘ঢাকা ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্যাকেজিং এক্সপো ২০২৬’।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) বিকেলে এ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

বাংলাদেশ ফ্লেক্সিবল প্যাকেজিং ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন (বিএফপিআইএ) ও এক্সপোনেট এক্সিবিশন প্রাইভেট লিমিটেড যৌথভাবে এ আয়োজন করেছে। আয়োজকরা জানান, প্যাকেজিং শিল্পে প্রযুক্তি, টেকসই উৎপাদন, জ্বালানি দক্ষতা ও শিল্পের ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ উন্নয়নে আন্তর্জাতিক ব্যবসায়িক প্ল্যাটফর্ম তৈরি করাই প্রদর্শনীটির লক্ষ্য।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, দেশের শিল্পায়ন ও রপ্তানি সক্ষমতা বাড়াতে প্যাকেজিং শিল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। আধুনিক ও টেকসই শিল্পখাত গড়ে তুলতে এ ধরনের আয়োজন নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিএফপিআইএ সভাপতি সাফিউস সামি আলমগীর। তিনি বলেন, বর্তমানে প্রায় আট হাজার কোটি টাকার এই শিল্পে প্রায় ৫০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে এবং স্থানীয় চাহিদার প্রায় ৮০ শতাংশ দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলো পূরণ করছে।

আরও পড়ুন
১২ মে থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত শপিংমল ও দোকানপাট খোলা
২২০ কনটেইনার পণ্য অনলাইন নিলামে তুলছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউজ

তার ভাষ্য, প্যাকেজিং শিল্প এখন আর শুধু সহায়ক খাত নয়; এটি দেশের শিল্পায়ন, রপ্তানি সক্ষমতা ও আধুনিক ভোক্তা অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তিতে পরিণত হয়েছে। তৈরি পোশাক খাতের মতো উৎপাদন দক্ষতার মাধ্যমে প্যাকেজিং শিল্পও বাংলাদেশের নতুন রপ্তানি সম্ভাবনার খাত হয়ে উঠতে পারে।

সাফিউস সামি আলমগীর আরও বলেন, ব্যবসা সহজীকরণ, নীতিগত ধারাবাহিকতা ও ন্যায্য করব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে দেশের প্যাকেজিং শিল্প আন্তর্জাতিক বাজারে আরও প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠবে। প্যাকেজিং ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখা গেলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও ওষুধের দামও নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক আব্দুর রহিম খান এবং রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাসান আরিফ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন এক্সপোনেট এক্সিবিশন প্রাইভেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাশেদুল হক।

আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, প্রদর্শনীতে ১২টি দেশের ১৩০টির বেশি প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে। ৩২০টি স্টলে প্যাকেজিং, প্রিন্টিং, প্রসেসিং ও শিল্প প্রযুক্তির বিভিন্ন পণ্য ও সেবা প্রদর্শন করা হচ্ছে। এতে তিনদিনে ১০ হাজারের বেশি দর্শনার্থীর সমাগম হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ইএইচটি/একিউএফ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।