ঈদের কেনাকাটা
ক্রেতা টানতে মূল্যছাড়, তবু ফাঁকা বিপণিবিতান
পবিত্র ঈদুল আজহার বাকি আর প্রায় দুই সপ্তাহ। এ উপলক্ষে ক্রেতাদের টানতে পোশাক ও জুতার দোকানে দেওয়া হয়েছে মূল্যছাড়ের ঘোষণা। তবু বেশির ভাগ বিপণিবিতান অনেকটাই ফাঁকা।
শুক্রবার (১৫ মে) রাজধানীর মিরপুরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে। ক্রেতাশূন্য দোকানে ব্যবসায়ী ও বিক্রয়কর্মীরা অনেকটা অলস সময় পার করছিলেন। তবে বিক্রেতাদের আশা, ঈদের চার-পাঁচ দিন আগে জমে উঠবে কেনাকাটা।

লাইফ স্টাইল ব্র্যান্ড টুয়েলভ, কিউরিস, রাইজসহ একাধিক শোরুমে মূল্যছাড়ের নানা অফার চোখে পড়েছে। সেই সঙ্গে সেখানে ঈদ সামনে রেখে আনা হয়েছে নতুন ডিজাইনের হরেক রকমের পোশাক। তারপরও শোরুমগুলোতে ক্রেতার সংখ্যা ছিল কম।
ইনফিনিটি ব্র্যান্ড শপের বিক্রয়কর্মী আমিন বলেন, ‘বেচাকেনা এখন কম। তবে আশা করছি ঈদের কয়েকদিন আগে জমজমাট হয়ে উঠবে মার্কেট।’

রমজান নেসা সুপার মার্কেটে পোশাক বিক্রেতা নুরুজ্জামান জানান, কোরবানির ঈদে বেচাকেনা একটু কম হয়। মানুষ পশু কেনা নিয়ে ব্যস্ত থাকে। আবার অনেকেই গ্রামে চলে যায়। তারপরও ঈদের আগে তিন-চারদিন কিছুটা বেচাকেনা হয়।
শিশুদের পোশাকের দোকান বেবি শপে কথা হয় চাকরিজীবী মেহেদী হাসানের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘বাচ্চার জন্য কেনাকাটা করছি। পরিবারের অন্য সদস্যদের জন্যও টুকটাক কেনাকাটা করবো। তবে মূল কেনার বিষয় আসলে কোরবানির পশু।’

মিরপুর ১২ নম্বরের সাফুরা ট্রেড সেন্টারের লা রিভ শোরুমে ঈদ ঘিরে পোশাকের বাহারি আয়োজন রাখা হয়েছে। সেখানকার এক বিক্রয়কর্মী জানান, গত ১২ মে থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত দোকান চালু রাখার অনুমতি মিলেছে। তবে বেচাকেনা এখনো একটু কম।
এর আগে ইরান যুদ্ধের জেরে জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে গত ৩ এপ্রিল থেকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে শপিং মল ও দোকানপাট বন্ধের নির্দেশনা দিয়েছিল সরকার।
এসএম/একিউএফ