বাজেট ২০২৬-২৭
ইশতেহার পূরণে ৫ অগ্রাধিকার, দুই কার্ডেই বরাদ্দ ১৭ হাজার কোটি টাকা
মফিজুল সাদিক মফিজুল সাদিক , জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১০:০১ এএম, ১৫ মে ২০২৬
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট ও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) সামাজিক সুরক্ষা খাত সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের একটি। নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ব্যক্তিদের সম্মানিত করছে সরকার। এ কর্মসূচির জন্য রাখা হচ্ছে ১৭ হাজার কোটি টাকার বিশাল বরাদ্দ।
প্রস্তাবিত এডিপিতে নির্বাচনি ইশতেহারের পাঁচটি স্তম্ভের আলোকে রাষ্ট্রীয় সংস্কার, সামাজিক উন্নয়ন, অর্থনৈতিক পুনর্গঠন, আঞ্চলিক ভারসাম্য ও সাংস্কৃতিক-সামাজিক সংহতিকে সমন্বিতভাবে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এতে নিম্ন আয়ের পরিবার, প্রান্তিক কৃষক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মানুষের জন্য সরাসরি আর্থিক সহায়তা বাড়বে।
ফ্যামিলি কার্ডে গুরুত্ব
পরিকল্পনা কমিশনের কার্যক্রম বিভাগের প্রস্তুত করা ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত এডিপির সারসংক্ষেপ অনুযায়ী, ‘বিশেষ প্রয়োজনে সামাজিক উন্নয়ন সহায়তা’ খাতের আওতায় এ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় অংশ, অর্থাৎ ১৪ হাজার ৫শ কোটি টাকা রাখা হয়েছে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির জন্য।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতায় কৃষক কার্ডের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে এক হাজার ৪শ কোটি টাকা। এছাড়া ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে মসজিদ ও অন্য উপাসনালয়ে দায়িত্ব পালনকারীদের সম্মানি বাবদ রাখা হয়েছে আরও এক হাজার ১শ কোটি টাকা।
বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে নির্বাচনি ইশতেহার গুরুত্ব পেয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ডে বরাদ্দ রাখা হয়েছে।-পরিকল্পনা বিভাগের সচিব এস এম শাকিল আখতার
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয় পাওয়ার পেছনে বিএনপির অন্যতম বড় নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি ছিল ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই সীমিত পরিসরে এ কর্মসূচির পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু করেন। আগামী অর্থবছর থেকেই এটি সারাদেশে বড় পরিসরে বাস্তবায়নের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
পরিকল্পনা কমিশনের কর্মকর্তারা জানান, গত শনিবার পরিকল্পনা কমিশনের বর্ধিত সভায় প্রায় তিন লাখ আট হাজার ৯২৪ কোটি টাকার এডিপির খসড়া প্রাথমিকভাবে চূড়ান্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় একলাখ ৯৮ হাজার ৯২৩ কোটি টাকা আসবে সরকারি ও নিজস্ব অর্থায়ন থেকে। একলাখ ১০ হাজার কোটি টাকা বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান থেকে সংগ্রহ করা হবে। গত অর্থবছরের মূল এডিপির তুলনায় নতুন এডিপির আকার বেড়েছে প্রায় ৩০ দশমিক ৪৩ শতাংশ।
পরিকল্পনা বিভাগের সচিব এস এম শাকিল আখতার জাগো নিউজকে বলেন, ‘বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে নির্বাচনি ইশতেহার গুরুত্ব পেয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ডে বরাদ্দ রাখা হয়েছে।’
সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই সামাজিক উন্নয়ন সহায়তা খাতে এই অতিরিক্ত বরাদ্দ প্রস্তাব করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘একই সঙ্গে বিদ্যমান সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিগুলোর অর্থায়নও অব্যাহত থাকবে। দীর্ঘদিন ধরে আয় কমে যাওয়া ও নিত্যপণ্যের উচ্চমূল্যের চাপে থাকা নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য এই সহায়তা বড় ভূমিকা রাখবে।’
আরও পড়ুন
আসছে ৯ লাখ কোটি টাকার বাজেট, কর্মসংস্থান-মূল্যস্ফীতিতে নজর
তিন লাখ কোটি টাকার উন্নয়ন ব্যয়ে বৈদেশিক ঋণ লাখ কোটিরও বেশি
বাজেটের রূপরেখা/মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও জীবনমান উন্নয়নে জোর
এডিপির নথিতে বলা হয়েছে, নির্বাচনি ইশতেহারের পাঁচটি মূল স্তম্ভ রাষ্ট্রীয় সংস্কার, সামাজিক উন্নয়ন, অর্থনৈতিক পুনর্গঠন, আঞ্চলিক ভারসাম্য ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সম্প্রীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই নতুন উন্নয়ন পরিকল্পনা সাজানো হয়েছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও সামাজিক নিরাপত্তা কেন্দ্র করেই নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী অর্থবছরের উন্নয়ন অগ্রাধিকার।
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় প্রথম ধাপে প্রায় ৫০ লাখ পরিবারকে অন্তর্ভুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছিল বিএনপি। প্রতিটি পরিবারকে মাসে আড়াই হাজার টাকা সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ছিল নির্বাচনি ইশতেহারে। প্রস্তাবিত ১৪ হাজার ৫শ কোটি টাকার বরাদ্দের মাধ্যমে প্রায় ৪৮ লাখ ৩০ হাজার পরিবার এ সুবিধা পাবে বলে হিসাব করা হয়েছে।
গড়ে প্রতি পরিবারে ৪ দশমিক ২৬ জন সদস্য ধরে দেখা যাচ্ছে, প্রায় দুই কোটি ৫৯ লাখ মানুষ সরাসরি উপকৃত হবে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, পাইলট কর্মসূচির আওতায় এরই মধ্যে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ৩৭ হাজার ৫৬৭টি পরিবারের নারী প্রধানের নামে ফ্যামিলি কার্ড ইস্যু করা হয়েছে। এসব পরিবার প্রতি মাসে দুই হাজার ৫শ টাকা করে সহায়তা পাচ্ছে। একই সঙ্গে স্বল্পমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও বিভিন্ন সরকারি সুবিধাও পাচ্ছেন তারা।
পরিকল্পনা কমিশন জানায়, এডিপি সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনা, যা জাতীয় উন্নয়ন বাজেট বাস্তবায়নের অন্যতম গাইডলাইন হিসেবে কার্যকর ভূমিকা পালন করে। পরিবেশবান্ধব টেকসই উন্নয়ন ও উচ্চতর প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যে মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি, দারিদ্র্য নিরসন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ও জনগণের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের জন্য অর্থনৈতিক খাতভিত্তিক লক্ষ্য অর্জনের ক্ষেত্রে এটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্বল্পমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা।
বৈষম্যহীন আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষি খাতে অগ্রাধিকারমূলক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে জানায় কমিশন। একই সঙ্গে চতুর্থ শিল্প বিপ্লব মোকাবিলা, প্রযুক্তিভিত্তিক শিল্পায়ন ও টেকসই উন্নয়নকে এগিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে বৈদেশিক ঋণের পরিস্থিতি ভালো নয়। আমাদের বৈদেশিক ঋণের কিস্তি পরিশোধ দ্রুতগতিতে বাড়ছে। বাজেটের বড় অংশই বৈদেশিক ঋণ শোধ করতে চলে যাচ্ছে। ২০৩০ সাল পর্যন্ত এটা বাড়বে।-অর্থনীতিবিদ মুস্তফা কে মুজেরী
এ লক্ষ্যে শিক্ষাখাতে ১৫ দশমিক ৮৬ শতাংশ, স্বাস্থ্যখাতে ১১ দশমিক ৮৪ শতাংশ এবং কৃষিখাতে ৩ দশমিক ৬৮ শতাংশ অর্থ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দরিদ্র জনগোষ্ঠী ও প্রান্তিক কৃষকদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ব্যক্তিদের সম্মানির জন্য মোট ৫ দশমিক ৬৭ শতাংশ বা ১৭ হাজার কোটি টাকা সংস্থান রাখা হয়েছে।
ভঙ্গুর অর্থনীতির পুনর্গঠন ও পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে পরিবহন ও যোগাযোগ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, শিল্পায়ন, আইসিটি, সেবাখাত ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিও আছে অগ্রাধিকারে। জাতীয় ও আঞ্চলিক অবকাঠামো উন্নয়ন, রেল ও নৌ যোগাযোগ সম্প্রসারণ, বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন, গ্যাস অনুসন্ধান এবং শিল্পপার্ক ও অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
এ পরিপ্রেক্ষিতে পরিবহন ও যোগাযোগ খাতে সর্বোচ্চ ১৬ দশমিক ৭০ শতাংশ এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে চতুর্থ সর্বোচ্চ ১০ দশমিক ৯০ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
এডিপি বাস্তবায়নে সাশ্রয়ী হওয়ার বিষয়ে মত দিয়েছেন অর্থনীতিবিদরাও। বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) সাবেক মহাপরিচালক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ মুস্তফা কে মুজেরী জাগো নিউজকে বলেন, ‘বর্তমানে বৈদেশিক ঋণের পরিস্থিতি ভালো নয়। আমাদের বৈদেশিক ঋণের কিস্তি পরিশোধ দ্রুতগতিতে বাড়ছে। বাজেটের বড় অংশই বৈদেশিক ঋণ শোধ করতে চলে যাচ্ছে। ২০৩০ সাল পর্যন্ত এটা বাড়বে।’
তিনি বলেন, ‘বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি সঠিকভাবে প্রণয়ন করা জরুরি। সাশ্রয়ী বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি করতে হবে। এডিপিতে অহেতুক ব্যয় কমাতে হবে। বিদেশ ভ্রমণের নামে প্রকল্পের টাকা খরচ করা যাবে না। যদি অপচয় রোধ করা যায় তাহলে অল্প অর্থে বেশি উপকার পেতে পারি।’
অঞ্চলভিত্তিক সুষম উন্নয়নের মাধ্যমে উত্তরাঞ্চল, পার্বত্য, হাওর ও উপকূলীয় অঞ্চলে কৃষি, মৎস্য, অবকাঠামো, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং মৌলিক সেবা সম্প্রসারণে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
পরিকল্পিত নগরায়ণ ও নিরাপদ আবাসন উন্নয়নের মাধ্যমে আঞ্চলিক বৈষম্য হ্রাসের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ধর্ম, সমাজ, ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও সংহতির ক্ষেত্রে যুবসমাজের দক্ষতা উন্নয়ন, ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ, ক্রীড়া অবকাঠামো উন্নয়ন, পেশাদার খেলোয়াড় তৈরি ও নারী ক্রীড়াবিদদের অংশগ্রহণ ও সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির মাধ্যমে সামাজিক সম্প্রীতি এবং সাংস্কৃতিক বিকাশ এগিয়ে নেওয়া হয়েছে।
সার্বিকভাবে এসব সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে অন্তর্ভুক্তিমূলক, টেকসই ও ভারসাম্যপূর্ণ উন্নয়ন নিশ্চিত করে একটি সমৃদ্ধ, আধুনিক ও শক্তিশালী বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সাংবাদিকদের জানান, ফ্যামিলি কার্ড বর্তমান সরকারের অন্যতম ফ্ল্যাগশিপ সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সব অর্থ আগামী বাজেটে বরাদ্দ দেওয়া হবে এবং বিদ্যমান ত্রুটি-বিচ্যুতি দ্রুত শনাক্ত করে সংশোধনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্ত্রী বলেন, কোথাও প্রকৃত সুবিধাভোগী বাদ পড়েছেন কি না বা অনিয়মের মাধ্যমে কেউ অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন কি না—এসব বিষয় গুরুত্বসহকারে যাচাই করা হচ্ছে।
প্রকল্পভিত্তিক অর্থ বরাদ্দে উল্লেখযোগ্য সাধারণ নির্দেশনা
বৈদেশিক ঋণ/অনুদানে বাস্তবায়নাধীন প্রকল্প, দারিদ্র্য হ্রাস, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, জিডিপির প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিতকরণ, মানবসম্পদ উন্নয়ন, সামাজিক সুরক্ষা, ক্রীড়া পেশার উন্নয়ন, মানসম্মত চিকিৎসা, মা ও শিশুর পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যসেবা, ডিজিটাল অর্থনীতি, খাল খনন ও নদী পুনরুদ্ধার, স্থানীয় ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানের সঙ্গে সরাসরি সংশ্লিষ্ট প্রকল্পসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগের আওতাধীন প্রকল্পগুলোর অগ্রাধিকার বিবেচনায় রেখে বরাদ্দ প্রস্তাব করতে হবে। সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার ও কাঙ্ক্ষিত সুফল প্রাপ্তির লক্ষ্যে চলমান প্রকল্প যথাসময়ে শেষ করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।
এছাড়া চলমান প্রকল্প যথাসময়ে শেষ করার ওপর বিশেষ গুরুত্বের কথা বলা হয়েছে। বৈদেশিক ঋণ/অনুদান সুনিশ্চিত অঙ্গীকারপ্রাপ্ত প্রকল্পে পরিপূরক স্থানীয় মুদ্রায় বরাদ্দের প্রস্তাবকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়িত প্রকল্পে নিজস্ব অর্থায়ন করা বরাদ্দের প্রতিফলন ও এলাকা/অঞ্চলভিত্তিক সুষম উন্নয়নের লক্ষ্যে এডিপিতে গৃহীত প্রকল্পগুলোতে বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে।
২০২৬-২৭ অর্থবছরে মোট প্রকল্পের সংখ্যা ১ হাজার ১৫০টি। এর মধ্যে বিনিয়োগ প্রকল্প ৯৭৩টি, সমীক্ষা প্রকল্প ২৩টি এবং কারিগরি সহায়তা প্রকল্প ১০৯টি।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, আগামী অর্থবছরের বাজেটের আকার হতে পারে ৮ লাখ ৮৩ হাজার কোটি টাকা, যা চলতি (২০২৫-২৬) অর্থবছরের তুলনায় ৯৩ হাজার কোটি টাকা বেশি।
এমওএস/এএসএ/এমএফএ