মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধের রমরমা ব্যবসা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭:৪০ পিএম, ২৩ ডিসেম্বর ২০১৯

রোগ নিরাময়ের জন্য ওষুধ। যদি ওষুধ হয় মেয়াদোত্তীর্ণ তা হলে নিরাময় নয় হবে মরণ! এজন্য হাইকোর্টও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ফার্মেসি থেকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। কিন্তু মানছে না কেউ। নির্বিঘ্নে বিক্রি করছে মেয়াদহীন ওষুধ। স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়ছে সাধারণ মানুষ।

সোমবার রাজধানীর লালবাগের আজিমপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এ প্রমাণ পায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বাজার মনিটরিং টিম। এসময় মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির অপরাধে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানাসহ বিপুল পরিমাণ মেয়াদহীন ওষুধ স্পটে ধ্বংস করা হয়।

একই দিন মেয়াদোত্তীর্ণ বিস্কুট, কেক ও পাউরুটির দোকানেও অভিযান চালানো হয়। অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক আব্দুল জব্বার মন্ডল। এসময় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, খাদ্য মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রণালয় ও সিটি কর্পোরেশনের প্রতিনিধিরা সার্বিক সহযোগিতা করেন।

আব্দুল জব্বার মন্ডল জাগো নিউজকে জানান, ফার্মেসিতে থেকে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সরানোর জন্য মহামান্য হাইকোর্ট নির্দেশনা দিয়েছেন। পাঁচ মাসের বেশি হয়েছে তারপরও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ না সরিয়ে নির্বিঘ্নে বিক্রি করছে। মুনাফাখোর ব্যবসায়ীরা আইনকে তোয়াক্কা করছে না। এ অপরাধে পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়েছে।

এর মধ্যে আজিমপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকার ইডেন স্কয়ারকে ১০ হাজার টাকা, নাফিজা মেডিসিন কর্নারকে ২০ হাজার টাকা, মাস্টার ফার্মেসিকে ১০ হাজার টাকা এবং মোহাম্মদপুরের ঢাকা উদ্যান এলাকার উন্নতি প্রশান্তি হাসপাতাল ফার্মেসিকে ১০ হাজার টাকা, রুম্মা মেডিকেল হলকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

একই দিন মেয়াদোত্তীর্ণ বিস্কুট, কেক ও পাউরুটি বিক্রির অপরাধে মুসলিম সুইটস অ্যান্ড বেকারিকে ১০ হাজার টাকাসহ মোট ৬ প্রতিষ্ঠানকে ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ সময় মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ, বিস্কুট, কেক ও পাউরুটি স্পটে ধ্বংস করা হয়।

এসআই/এসএইচএস/জেআইএম