আমদানিতে ‘হ্যাঁ’, রফতানিতে ভারতের ‘না’

মো. শফিকুল ইসলাম
মো. শফিকুল ইসলাম মো. শফিকুল ইসলাম , নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯:১৫ পিএম, ২৯ জুন ২০২০

করোনাভাইরাসের কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল আমদানি-রফতানি কার্যক্রম। সম্প্রতি স্থলবন্দরগুলো খুলে দেয়া হয়েছে। ভারত থেকে পণ্য আমদানি হচ্ছে। প্রতিদিন আসছে শত শত ট্রাক। তবে বাংলাদেশ থেকে বেশিরভাগ বন্দর দিয়ে ট্রাক ঢুকতে দিচ্ছে না ভারত। ফলে আমদানি কার্যক্রম স্বাভাবিক থাকলেও ব্যাহত হচ্ছে রফতানি। বাড়ছে বাণিজ্য ঘাটতি। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন রফতানিকারকরা। বৈদেশিক আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে দেশ।

খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, করোনাভাইরাসের মহামারির কারণে দীর্ঘ আড়াই মাস বন্ধ থাকার পর জুনের প্রথম সপ্তাহে স্থলবন্দরগুলো খুলে দেয়া হয়েছে। তবে বেশিরভাগ বন্দরে আমদানি হলেও রফতানি কার্যক্রম বন্ধ রেখেছে প্রতিবেশী দেশ ভারত। তারা রফতানি করছে কিন্তু বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের পণ্য রফতানির অনুমতি দিচ্ছে না।

জানা গেছে, করোনাভাইরাসের মহামারির কারণে গত ২৩ মার্চ বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি বন্ধ হয়ে যায়। ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার গত ২৪ এপ্রিল আমদানি-রফতানি চালুর নির্দেশনা দিলেও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অনুমতি না থাকায় দীর্ঘদিন সড়কপথে বন্ধ ছিল বাণিজ্য। এখন বন্দর খুলে দেয়া হয়েছে, তবে আমদানি হলেও বন্ধ রয়েছে রফতানি কার্যক্রম। এ নিয়ে ব্যবসায়ী, বন্দর কর্তৃপক্ষ ও সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় থেকে বারবার বলা হলেও কোনো সমাধান আসছে না।

jagonews24

দুই দেশের ব্যবসায়ীরা জানান, ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার আমদানি-রফতানির অনুমতি দিলেও রাজ্য সরকারের একক সিদ্ধান্তের কারণে রফতানি কার্যক্রম স্বাভাবিক হচ্ছে না। সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে ভারতের রাজ্য সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি না করলে এর সুরাহা হবে না।

রফতানিকারকরা বলছেন, তিন মাস ধরে রফতানি বন্ধ। পণ্যের রফতানি অর্ডার আসছে। কিন্তু পাঠানো যাচ্ছে না। রফতানির জন্য তৈরি করা কোটি কোটি টাকা মূল্যের পণ্য নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ থাকায় বড় ক্ষতির মুখে পড়েছেন তারা। এভাবে চলতে থাকলে ব্যবসা বন্ধ করে দেয়া ছাড়া উপায় থাকবে না।

বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ চেয়ারম্যান তপন কুমার চক্রবর্তী বলেন, ভারতীয় কর্তৃপক্ষ আমাদের রফতানি পণ্য প্রবেশের অনুমতি দিচ্ছে না। আমরা বিভিন্ন মাধ্যমে তাদের একাধিকবার বলেছি, রফতানি স্বাভাবিক রাখতে। কিন্তু লকডাউনের কারণে তারা খুলে দিচ্ছে না। রফতানির অনুমতিও দিচ্ছে না। করোনার কারণে সেখানে লকডাউনের সময় বাড়িয়ে ৩১ জুলাই করেছে

jagonews24

তিনি আরও বলেন, বাংলাবান্ধাসহ কয়েকটি স্থলবন্দর দিয়ে কিছু গাড়ি ভারতে যাচ্ছে; তবে সেটা খুবই সামান্য। আমরা পুরোপুরি সচলের জন্য তাদের বলেছি। বাংলাদেশ অংশে আমদানি-রফতানির কোনো সমস্যা নেই। সমস্যা হচ্ছে ভারতের কাস্টমস, তারা যদি অনুমতি দেয় তাহলে আমরা গাড়ি ছেড়ে দেব।

তপন কুমার চক্রবর্তী বলেন, আমাদের ব্যবসায়ীরা পণ্য উৎপাদন করছেন। এখন সময়মতো পণ্য পাঠাতে না পারায় বড় ক্ষতির মুখে পড়েছেন। বিষয়গুলো বিবেচনা করে আমরা তাদের বলেছি যে, আমদানি-রফতানি কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখার জন্য। সরকারি পর্যায়ে আলোচনা চলছে। আশা করছি, সপ্তাহখানেকের মধ্যে বিষয়টা সুরাহা হবে। কারণ আমরা আমদানি কার্যক্রম স্বাভাবিক রেখেছি।

স্বাভাবিক সময়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতের বিভিন্ন বন্দর দিয়ে ৩০০ থেকে ৪০০টি গাড়িভর্তি পণ্য যায়। তিন মাস ধরে এটি প্রায় বন্ধ। এখন কয়েকটি বন্দর দিয়ে যাচ্ছে গড়ে ১০-১৫টি ট্রাক।

jagonews24

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম জাগো নিউজকে বলেন, স্থলবন্দরগুলোতে রফতানিতে জটিলতা দেখা দিয়েছে। গভর্নমেন্ট টু গভর্নমেন্ট আলোচনা চলছে। আমরা এ বিষয়ে অবগত আছি। গভর্নমেন্ট লেভেলে বিষয়টি দেখভাল হচ্ছে। আমরা এর আপডেট খবর নিচ্ছি। এছাড়া যে ট্রেনগুলো ভারত থেকে মাল নিয়ে আসে সেখানে নতুন কাস্টম হাউজ বসানোর প্রক্রিয়া চলছে।

‘এছাড়া বেনাপোল, হিলি বন্দরে কোভিড-১৯ এর কারণে আমাদের কিছু ট্রাক আটকে আছে। আমরা বিষয়টি নিয়ে কাজ করছি। বেনাপোল দিয়ে ইতোমধ্যে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আশা করছি, শিগগিরই সব বন্দরে পুরোপুরি কার্যক্রম শুরু হবে।’

‘স্থলপথে ভারতে পণ্য রফতানিতে জটিলতা হচ্ছে’ বিষয়টি স্বীকার করে বাণিজ্য সচিব ড. মো. জাফর উদ্দিন জাগো নিউজকে বলেন, আমরা বিষয়টি নিয়ে কাজ করছি। দুই দেশের কূটনৈতিক পর্যায়ে সমস্যা সমাধানে আলোচনা চলছে। আশা করছি শিগগিরই সুরাহা হবে।

jagonews24

বাংলাদেশ-ভারতের স্থলবন্দরগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি-রফতানি হয় বেনাপোল বন্দর দিয়ে। চলতি মাসের শুরুতে বেনাপোল দিয়ে আমদানি বাণিজ্য চালু হলেও গত তিন মাস ধরে রফতানি বাণিজ্য বন্ধ। কাস্টমস, বন্দর ও ব্যবসায়ীরা ভারতে স্থানীয়পর্যায়ে কয়েক দফা বৈঠক করলেও রফতানি বাণিজ্য সচল হয়নি। ফলে এ বন্দর দিয়ে বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে দুই হাজার কোটি টাকা।

জানা গেছে, দেশে স্থলপথে যে রফতানি হয় তার ৭০ শতাংশ হয় বেনাপোল বন্দর দিয়ে। প্রতি বছর এ বন্দর দিয়ে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা মূল্যের নয় হাজার টন বাংলাদেশি পণ্য ভারতে রফতানি হয়। করোনা সংক্রমণের কারণে গত ২২ মার্চ থেকে বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি বাণিজ্য বন্ধ হয়ে যায়। গত ৭ জুন এ পথে ভারতীয় পণ্যের আমদানি বাণিজ্য শুরু হলেও ভারতীয়রা বাংলাদেশের রফতানি বাণিজ্য বন্ধ রেখেছে।

truck-06.jpg

দেশের স্থলবন্দরগুলোর মধ্যে রয়েছে- বেনাপোল, হিলি, আখাউড়া, ভোমরা, সোনামসজিদ, বাংলাবান্ধা, হালুয়াঘাট, বিবিরবাজার, টেকনাফ, বুড়িমারী ও তামাবিল স্থলবন্দর। এসব বন্দর দিয়ে শুধু ভারত থেকে ছয় কোটি ৬৭ লাখ টন পণ্য আমদানি হয়।

রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবির) পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাংলাদেশের মোট বৈদেশিক বাণিজ্যের প্রায় ১০ শতাংশ এককভাবে ভারতের সঙ্গে হয়। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দুই দেশের মোট বাণিজ্যের পরিমাণ ৮৯০ কোটি ডলার। যার সিংহভাগ পণ্য ভারত থেকে বাংলাদেশে এসেছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ থেকে রফতানি হয় মাত্র ১২৫ কোটি ডলারের পণ্য। অর্থাৎ দু’দেশের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ ৭৬৫ কোটি ডলার। চলমান সংকটে ভারতে রফতানি বন্ধ থাকায় বাণিজ্য ঘাটতি ব্যাপক হারে বেড়ে যাবে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

এসআই/এমএআর/এমএস

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

১,৩০,১০,৪৮০
আক্রান্ত

৫,৭০,৭০০
মৃত

৭৫,৬৮,০৯৩
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ১,৮৩,৭৯৫ ২,৩৫২ ৯৩,৬১৪
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৩৪,০৯,৩১২ ১,৩৭,৭৫৭ ১৫,১৪,১১৫
ব্রাজিল ১৮,৬৪,৬৮১ ৭২,১০০ ১২,১৩,৫১২
ভারত ৮,৭৯,৪৬৬ ২৩,১৮৭ ৫,৫৪,৪২৯
রাশিয়া ৭,২৭,১৬২ ১১,৩৩৫ ৫,০১,০৬১
পেরু ৩,২৬,৩২৬ ১১,৮৭০ ২,১৭,১১১
চিলি ৩,১৫,০৪১ ৬,৯৭৯ ২,৮৩,৯০২
যুক্তরাজ্য ৩,১৩,৪৮৩ ৪৪,৮১৯ ৩৪৪
স্পেন ৩,০০,৯৮৮ ২৮,৭৫২ ১,৯৬,৯৫৮
১০ মেক্সিকো ২,৯৫,২৬৮ ৩৪,৭৩০ ১,৮০,৮৫২
১১ দক্ষিণ আফ্রিকা ২,৭৬,২৪২ ৪,০৭৯ ১,৩৪,৮৭৪
১২ ইরান ২,৫৭,৩০৩ ১২,৮২৯ ২,১৯,৯৯৩
১৩ পাকিস্তান ২,৪৮,৮৭২ ৫,১৯৭ ১,৫৬,৭০০
১৪ ইতালি ২,৪৩,০৬১ ৩৪,৯৫৪ ১,৯৪,৯২৮
১৫ সৌদি আরব ২,৩২,২৫৯ ২,২২৩ ১,৬৭,১৩৮
১৬ তুরস্ক ২,১২,৯৯৩ ৫,৩৬৩ ১,৯৪,৫১৫
১৭ জার্মানি ১,৯৯,৯৫০ ৯,১৩৪ ১,৮৪,৬০০
১৮ ফ্রান্স ১,৮৯,২২০ ৩০,০০৪ ৭৮,৩৮৮
১৯ কলম্বিয়া ১,৪৫,৩৬২ ৫,১১৯ ৬১,১৮৬
২০ কানাডা ১,০৭,৫৮৯ ৮,৭৮৩ ৭১,৪৬৭
২১ কাতার ১,০৩,৫৯৮ ১৪৭ ৯৯,৭৪৩
২২ আর্জেন্টিনা ৯৭,৫০৯ ১,৮১৮ ৪২,৬৯৪
২৩ চীন ৮৩,৫৯৪ ৪,৬৩৪ ৭৮,৬৩৪
২৪ মিসর ৮২,০৭০ ৩,৮৫৮ ২৪,৪১৯
২৫ ইরাক ৭৭,৫০৬ ৩,১৫০ ৪৪,৭২৪
২৬ ইন্দোনেশিয়া ৭৫,৬৯৯ ৩,৬০৬ ৩৫,৬৩৮
২৭ সুইডেন ৭৪,৮৯৮ ৫,৫২৬ ৪,৯৭১
২৮ ইকুয়েডর ৬৭,৮৭০ ৫,০৪৭ ৩০,২৮৩
২৯ বেলারুশ ৬৪,৯৩২ ৪৬৪ ৫৫,৩৮০
৩০ বেলজিয়াম ৬২,৬০৬ ৯,৭৮২ ১৭,১৯৬
৩১ কাজাখস্তান ৫৮,২৫৩ ৪৮৯ ৩৫,১৩৭
৩২ ওমান ৫৬,০১৫ ২৫৭ ৩৬,০৯৮
৩৩ কুয়েত ৫৪,৮৯৪ ৩৯০ ৪৪,৬১০
৩৪ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৫৪,৮৫৪ ৩৩৩ ৪৫,১৪০
৩৫ ফিলিপাইন ৫৪,২২২ ১,৩৭২ ১৪,০৩৭
৩৬ ইউক্রেন ৫৩,৫২১ ১,৩৮৩ ২৬,১১৮
৩৭ নেদারল্যান্ডস ৫১,০২২ ৬,১৩৭ ২৫০
৩৮ বলিভিয়া ৪৭,২০০ ১,৭৫৪ ১৪,৩৩৩
৩৯ পর্তুগাল ৪৬,৫১২ ১,৬৬০ ৩০,৯০৭
৪০ সিঙ্গাপুর ৪৫,৯৬১ ২৬ ৪২,২৮৫
৪১ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ৪৪,৫৩২ ৮৯৭ ২১,৪৫৯
৪২ পানামা ৪৪,৩৩২ ৮৯৩ ২২,১৭০
৪৩ ইসরায়েল ৩৮,৬৭০ ৩৬২ ১৯,০০৮
৪৪ পোল্যান্ড ৩৭,৮৯১ ১,৫৭১ ২৭,১৪৮
৪৫ আফগানিস্তান ৩৪,৪৫১ ১,০১০ ২১,২১৬
৪৬ বাহরাইন ৩২,৯৪১ ১০৮ ২৮,৪২৫
৪৭ সুইজারল্যান্ড ৩২,৮৮৩ ১,৯৬৮ ২৯,৬০০
৪৮ রোমানিয়া ৩২,৫৩৫ ১,৮৮৪ ২১,৫৪৫
৪৯ নাইজেরিয়া ৩১,৯৮৭ ৭২৪ ১৩,১০৩
৫০ আর্মেনিয়া ৩১,৯৬৯ ৫৬৫ ১৯,৬৩৩
৫১ গুয়াতেমালা ২৮,৫৯৮ ১,১৭২ ৪,০৭৩
৫২ হন্ডুরাস ২৭,৫৮৩ ৭৭১ ২,৯০১
৫৩ আয়ারল্যান্ড ২৫,৬২৮ ১,৭৪৬ ২৩,৩৬৪
৫৪ ঘানা ২৪,২৪৮ ১৩৫ ১৯,৮৩১
৫৫ আজারবাইজান ২৪,০৪১ ৩০৬ ১৫,০৯৩
৫৬ জাপান ২১,১২৯ ৯৮২ ১৭,৮৪৯
৫৭ মলদোভা ১৯,৩৮২ ৬৪২ ১২,৬৬৭
৫৮ আলজেরিয়া ১৯,১৯৫ ১,০১১ ১৩,৭৪৩
৫৯ অস্ট্রিয়া ১৮,৮৯৭ ৭০৮ ১৬,৯৫২
৬০ সার্বিয়া ১৮,৩৬০ ৩৯৩ ১৩,৮৭৬
৬১ নেপাল ১৬,৮০১ ৩৮ ৮,৫৮৯
৬২ মরক্কো ১৫,৭৪৫ ২৫০ ১২,২৮৩
৬৩ ক্যামেরুন ১৫,১৭৩ ৩৫৯ ১১,৯২৮
৬৪ দক্ষিণ কোরিয়া ১৩,৪১৭ ২৮৯ ১২,১৭৮
৬৫ চেক প্রজাতন্ত্র ১৩,১৪৮ ৩৫৩ ৮,২২৯
৬৬ উজবেকিস্তান ১২,৯৯৭ ৬০ ৭,৮৫২
৬৭ ডেনমার্ক ১২,৯৪৬ ৬০৯ ১২,০৭৭
৬৮ আইভরি কোস্ট ১২,৭৬৬ ৮৪ ৬,৬৫৪
৬৯ কিরগিজস্তান ১০,৬২৯ ১৩২ ৩,৩৮৭
৭০ সুদান ১০,২৫০ ৬৫০ ৫,৩৪১
৭১ কেনিয়া ১০,১০৫ ১৮৫ ২,৮৮১
৭২ অস্ট্রেলিয়া ৯,৭৯৬ ১০৮ ৭,৭৩০
৭৩ এল সালভাদর ৯,৬৭৪ ২৬০ ৫,৬৩৪
৭৪ ভেনেজুয়েলা ৯,১৭৮ ৮৫ ২,৬৭১
৭৫ নরওয়ে ৮,৯৭৯ ২৫২ ৮,১৩৮
৭৬ মালয়েশিয়া ৮,৭১৮ ১২২ ৮,৫১৯
৭৭ সেনেগাল ৮,১৩৫ ১৪৮ ৫,৪৪৬
৭৮ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ৮,১১১ ৩৮২ ৪,২০৩
৭৯ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ৮,০৩৩ ১৮৯ ৩,৬১৫
৮০ কোস্টারিকা ৭,৫৯৬ ৩০ ২,২৩৯
৮১ ইথিওপিয়া ৭,৫৬০ ১২৭ ২,৪৩০
৮২ ফিনল্যাণ্ড ৭,২৯৪ ৩২৯ ৬,৮০০
৮৩ বুলগেরিয়া ৭,২৫২ ২৬৮ ৩,৩১৯
৮৪ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ৬,৮৭৭ ২২১ ৩,১১৫
৮৫ হাইতি ৬,৬৯০ ১৩৯ ২,৫৯০
৮৬ তাজিকিস্তান ৬,৫৫২ ৫৫ ৫,২২৮
৮৭ ফিলিস্তিন ৬,২৩০ ৩৬ ৯৪২
৮৮ গিনি ৬,১৪১ ৩৭ ৪,৮৬২
৮৯ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৫,৯৪৯ ২৬ ২,৯৮১
৯০ গ্যাবন ৫,৯৪২ ৪৬ ৩,০০৪
৯১ মৌরিতানিয়া ৫,২৭৫ ১৪৭ ২,১৬০
৯২ জিবুতি ৪,৯৭২ ৫৬ ৪,৭১২
৯৩ লুক্সেমবার্গ ৪,৯২৫ ১১১ ৪,০৮৬
৯৪ মাদাগাস্কার ৪,৮৬৭ ৩৫ ২,৩৭৮
৯৫ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৪,২৮৮ ৫৩ ১,১৪৫
৯৬ হাঙ্গেরি ৪,২৩৪ ৫৯৫ ৩,০৩৬
৯৭ গ্রীস ৩,৮০৩ ১৯৩ ১,৩৭৪
৯৮ ক্রোয়েশিয়া ৩,৭২২ ১১৯ ২,৪৮৬
৯৯ আলবেনিয়া ৩,৪৫৪ ৯৩ ১,৯৪৬
১০০ থাইল্যান্ড ৩,২১৭ ৫৮ ৩,০৮৮
১০১ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৩,০৭১ ৫১ ৮৪২
১০২ সোমালিয়া ৩,০৫৯ ৯৩ ১,২৬৪
১০৩ প্যারাগুয়ে ২,৯৪৮ ২১ ১,২৭৫
১০৪ নিকারাগুয়া ২,৮৪৬ ৯১ ১,৯৯৩
১০৫ মালদ্বীপ ২,৭৩১ ১৩ ২,২৮৪
১০৬ মায়োত্তে ২,৭১১ ৩৭ ২,৪৮০
১০৭ শ্রীলংকা ২,৬১৭ ১১ ১,৯৮১
১০৮ কিউবা ২,৪২৬ ৮৭ ২,২৫৮
১০৯ মালি ২,৪১১ ১২১ ১,৬৯৪
১১০ মালাউই ২,৩৬৪ ৩৮ ৫৫৭
১১১ লেবানন ২,৩৩৪ ৩৬ ১,৪২০
১১২ কঙ্গো ২,০২৮ ৪৭ ৫৮৯
১১৩ দক্ষিণ সুদান ২,০২১ ৩৮ ৩৩৩
১১৪ এস্তোনিয়া ২,০১৪ ৬৯ ১,৮৯৫
১১৫ স্লোভাকিয়া ১,৯০১ ২৮ ১,৪৯৩
১১৬ আইসল্যান্ড ১,৮৯৬ ১০ ১,৮৬৫
১১৭ জাম্বিয়া ১,৮৯৫ ৪২ ১,৩৪৮
১১৮ লিথুনিয়া ১,৮৬৯ ৭৯ ১,৫৭৯
১১৯ গিনি বিসাউ ১,৮৪২ ২৬ ৭৭৩
১২০ স্লোভেনিয়া ১,৮৪১ ১১১ ১,৪৬৯
১২১ সিয়েরা লিওন ১,৬৩৫ ৬৩ ১,১৫৪
১২২ কেপ ভার্দে ১,৬২৩ ১৯ ৭৪৮
১২৩ নিউজিল্যান্ড ১,৫৪৪ ২২ ১,৪৯৭
১২৪ হংকং ১,৪৭০ ১,২১৪
১২৫ ইয়েমেন ১,৪৬৫ ৪১৭ ৬৫৯
১২৬ লিবিয়া ১,৪৩৩ ৩৯ ৩৪১
১২৭ বেনিন ১,৩৭৮ ২৬ ৫৫৭
১২৮ ইসওয়াতিনি ১,৩৫১ ২০ ৬৬৮
১২৯ রুয়ান্ডা ১,৩৩৭ ৬৮৪
১৩০ তিউনিশিয়া ১,২৬৩ ৫০ ১,০৭৬
১৩১ মন্টিনিগ্রো ১,২২১ ২৩ ৩২৫
১৩২ জর্ডান ১,১৭৯ ১০ ৯৯৭
১৩৩ লাটভিয়া ১,১৭৩ ৩০ ১,০১৯
১৩৪ মোজাম্বিক ১,১৫৭ ৩৬৪
১৩৫ নাইজার ১,০৯৯ ৬৮ ৯৯২
১৩৬ বুর্কিনা ফাঁসো ১,০৩৩ ৫৩ ৮৬৯
১৩৭ উগান্ডা ১,০২৫ ৯৭২
১৩৮ সাইপ্রাস ১,০২১ ১৯ ৮৩৯
১৩৯ লাইবেরিয়া ১,০১০ ৫১ ৪২৩
১৪০ উরুগুয়ে ৯৮৬ ৩০ ৮৯৬
১৪১ জর্জিয়া ৯৮৬ ১৫ ৮৫৭
১৪২ জিম্বাবুয়ে ৯৮২ ১৮ ৩২০
১৪৩ চাদ ৮৮০ ৭৫ ৭৯০
১৪৪ এনডোরা ৮৫৫ ৫২ ৮০৩
১৪৫ নামিবিয়া ৭৮৫ ২৬
১৪৬ জ্যামাইকা ৭৫৮ ১০ ৬১৫
১৪৭ সুরিনাম ৭৪১ ১৮ ৪৯৫
১৪৮ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫১
১৪৯ টোগো ৭১০ ১৫ ৪৯৪
১৫০ সান ম্যারিনো ৬৯৯ ৪৫ ৬৫৬
১৫১ মালটা ৬৭৪ ৬৬০
১৫২ রিইউনিয়ন ৫৯৩ ৪৭২
১৫৩ চ্যানেল আইল্যান্ড ৫৭৭ ৪৮ ৫২৮
১৫৪ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৫৫ অ্যাঙ্গোলা ৪৮৩ ২৫ ১১৮
১৫৬ তাইওয়ান ৪৫১ ৪৩৮
১৫৭ সিরিয়া ৩৯৪ ১৬ ১২৬
১৫৮ ভিয়েতনাম ৩৭২ ৩৫০
১৫৯ মরিশাস ৩৪২ ১০ ৩৩০
১৬০ আইল অফ ম্যান ৩৩৬ ২৪ ৩১২
১৬১ মায়ানমার ৩৩১ ২৬১
১৬২ কমোরস ৩১৭ ২৯৬
১৬৩ বতসোয়ানা ৩১৪ ৩১
১৬৪ গায়ানা ২৯১ ২৩ ১৪৮
১৬৫ মার্টিনিক ২৫৫ ১৫ ৯৮
১৬৬ লেসোথো ২৩৩ ৩২
১৬৭ ইরিত্রিয়া ২৩২ ১০৭
১৬৮ মঙ্গোলিয়া ২৩০ ২০২
১৬৯ কেম্যান আইল্যান্ড ২০১ ১৯৭
১৭০ বুরুন্ডি ১৯১ ১১৮
১৭১ গুয়াদেলৌপ ১৯০ ১৪ ১৫৭
১৭২ ফারে আইল্যান্ড ১৮৮ ১৮৮
১৭৩ জিব্রাল্টার ১৮০ ১৭৬
১৭৪ কম্বোডিয়া ১৫৬ ১৩৩
১৭৫ বারমুডা ১৫০ ১৩৭
১৭৬ ব্রুনাই ১৪১ ১৩৮
১৭৭ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ১৩৩ ১২০
১৭৮ বাহামা ১১১ ১১ ৮৯
১৭৯ মোনাকো ১০৯ ৯৭
১৮০ আরুবা ১০৫ ৯৯
১৮১ বার্বাডোস ১০৩ ৯০
১৮২ সিসিলি ১০০ ১১
১৮৩ লিচেনস্টেইন ৮৬ ৮১
১৮৪ ভুটান ৮২ ৭৬
১৮৫ সিন্ট মার্টেন ৭৮ ১৫ ৬৩
১৮৬ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ৭৪ ৫৭
১৮৭ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ৭১ ১১
১৮৮ গাম্বিয়া ৬৪ ৩৪
১৮৯ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৬২ ৬০
১৯০ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৫৪
১৯১ ম্যাকাও ৪৬ ৪৫
১৯২ সেন্ট মার্টিন ৪৩ ৩৭
১৯৩ বেলিজ ৩৭ ২০
১৯৪ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ২৯ ২৯
১৯৫ ফিজি ২৬ ১৮
১৯৬ কিউরাসাও ২৫ ২৪
১৯৭ পূর্ব তিমুর ২৪ ২৪
১৯৮ গ্রেনাডা ২৩ ২৩
১৯৯ সেন্ট লুসিয়া ২২ ১৯
২০০ নিউ ক্যালেডোনিয়া ২১ ২১
২০১ লাওস ১৯ ১৯
২০২ ডোমিনিকা ১৮ ১৮
২০৩ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১৭ ১৫
২০৪ গ্রীনল্যাণ্ড ১৩ ১৩
২০৫ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৩ ১৩
২০৬ ভ্যাটিকান সিটি ১২ ১২
২০৭ মন্টসেরাট ১২ ১০
২০৮ পাপুয়া নিউ গিনি ১১
২০৯ পশ্চিম সাহারা ১০
২১০ জান্ডাম (জাহাজ)
২১১ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস
২১২ সেন্ট বারথেলিমি
২১৩ এ্যাঙ্গুইলা
২১৪ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]