টুইন টাওয়ার কনকর্ড

ক্রেতা কম, অলস সময় কাটছে বিক্রেতাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:০৫ পিএম, ১২ এপ্রিল ২০২৩
ক্রেতাদের ভিড় নেই টুইন টাওয়ার কনকর্ড শপিং কমপ্লেক্সে/ছবি: জাগো নিউজ

ঈদুল ফিতরের বাকি আর মাত্র ৯ বা ১০ দিন। ঈদ উৎসব সামনে রেখে নতুনরূপে সেজেছে রাজধানীর টুইন টাওয়ার কনকর্ড শপিং কমপ্লেক্স। এ শপিং কমপ্লেক্সে পোশাক ও প্রসাধনসামগ্রীর দোকান বেশি। তবে এ মার্কেটে ক্রেতাদের ভিড় নেই। রোজার শেষ দিকেও জমে ওঠেনি কেনাবেচা। অলস সময় পার করছেন বিক্রেতারা। শেষ সপ্তাহে বিক্রি বাড়বে আশায় এখন দিন কাটছে তাদের।

তারা বলছেন, ২০ রোজা চলে যাচ্ছে। কেনাবেচা একদমই কম। অন্যবারের তুলনায় বিক্রি অর্ধেকে নেমেছে। দিনের বেলায় ক্রেতাদের তেমন ভিড় নেই। সন্ধ্যার পর কিছু ক্রেতা দেখা যাচ্ছে। তারাও কিনছেন খুব কম। সেলসম্যানরা (বিক্রয়কর্মী) অলস সময় কাটাচ্ছেন। প্রসাধনসামগ্রীর দাম বাড়ায় বিক্রি কমে গেছে।

আরও পড়ুন>> ঈদের ছোঁয়া লাগেনি গুলশানের পিংক সিটিতে

বুধবার (১২ এপ্রিল) সরেজমিনে টুইন টাওয়ার কনকর্ড শপিং কমপ্লেক্স ঘুরে দেখা গেছে, মার্কেটে এক্সপোর্ট কোয়ালিটির পণ্যের সমাহার। কসমেটিকস আইটেম বেশি, যার মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের সাবান, শ্যাম্পু, ফেসওয়াশ, পারফিউম, বডি স্প্রে ও মেকআপ বক্স। পোশাকের মধ্যে রয়েছে শার্ট, টি-শার্ট, মেয়েদের ওয়ান-পিস। এছাড়া জুতা ও জুয়েলারির কিছু দোকানও রয়েছে এ মার্কেটে।

jagonews24

প্রসাধনী পণ্যের মধ্যে সাবান বিক্রি হচ্ছে ব্র্যান্ড অনুযায়ী ৫০ টাকা থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে। শ্যাম্পু রয়েছে সাড়ে ছয়শো থেকে এক হাজার টাকার মধ্যে। ফেসওয়াশ ৩০০-৪০০ টাকা, পারফিউম ১ হাজার থেকে ৩ হাজার টাকা, বডি স্প্রে ৩০০-৬৫০ টাকা, মেকআপ বক্স ৩৫০-১ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

আরও পড়ুন>> দরদাম করে কিনতে পারলে জিততে পারেন আপনিও

দামি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের জুতা বিক্রি হচ্ছে এ মার্কেটে। আবার কম দামি জুতাও রয়েছে। প্রকারভেদে ৭৫০ টাকা থেকে ছয় হাজার টাকার মধ্যে এসব জুতা কিনতে পারছেন ক্রেতারা। শার্ট ও টি-শার্ট ৫৫০ টাকা থেকে তিন হাজার টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। মেয়েদের ওয়ান পিস বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ৩ হাজার টাকার মধ্যে। আর বিভিন্ন জুয়েলারি আইটেম পাওয়া যাচ্ছে ২৫০ থেকে ৩ হাজার টাকার মধ্যে।

‘ট্রাস্ট মি’র সেলস এক্সিকিউটিভ মো. সিয়াম হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, এবার পণ্যের দাম বেশি। আবার ক্রেতার কাছেও পর্যাপ্ত টাকা নেই। এ কারণে বিক্রিও জমে ওঠেনি। পণ্যের দাম বাড়তি। এক সপ্তাহের মধ্যে আমরা তিন দফায় দাম বাড়িয়েছি।

আরও পড়ুন>> মানুষ খাবে নাকি নতুন কাপড় কিনবে, প্রশ্ন ব্যবসায়ীর

একই কথা জানান টিএম গ্যালারির মো. আরিফ। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, বছরের অন্য সময়ে যা বিক্রি হয়েছে, তার সমানও এখন বিক্রি নেই। নিত্যপণ্য থেকে সব কিছুর দাম বেড়েছে। এ কারণে ক্রেতার সংকট হতে পারে। আবার কয়েকদিন প্রচণ্ড গরম পড়ছে। এ কারণেও অনেকেই মার্কেটমুখী হচ্ছেন না। দেখা যাক, সামনের সপ্তাহটা কেমন কাটে।

ক্রেতা আয়েশা আক্তার জাগো নিউজকে বলেন, ‘ক্রেতার কাছেও তো টাকা থাকতে হবে। কীভাবে কেনাকাটা করবো? সব পণ্যের দাম বেশি। হাতে যে টাকা আছে, তা দিয়ে কোনটা রেখে কোনটা কিনবো, তা নিয়েও দ্বিধাদ্বন্দ্বে আছি।’

ইএআর/এএএইচ/জিকেএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।