স্বাস্থ্য ও প্রযুক্তিতে বিনিয়োগে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীদের আগ্রহ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:১৩ পিএম, ২৯ আগস্ট ২০২৩

স্বাস্থ্য ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীরা। প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এ তথ্য জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) সম্মেলন কক্ষে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্সের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক বৈঠকে শেষে মার্কিন ব্যবসায়ীদের এ আগ্রহের কথা জানান সালমান এফ রহমান। বৈঠকে মার্কিন ব্যবসায়ীদের ৪০ জন প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

সালমান এফ রহমান বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীদের এত বড় ডেলিগেশন আর কোনো দিন আসেনি। যারা এসেছেন অনেক বড় বড় কোম্পানির প্রতিনিধি। ব্ল্যাক স্টোনের প্রতিনিধিরা এসেছে। তারা বলছে কোন কোন খাতে বিনিয়োগ করা যায় সেটা আমরা দেখতে চাই।

আমাদের অনেক রোগী বিদেশে যায়। মার্কিন কোম্পানিটি মনে করে দেশে ওই ধরনের অবকাঠামো তৈরি করা যায়। তারা হোমওয়ার্ক করে দেখেছে, চিকিৎসার জন্য বাংলাদেশিরা অনেক ডলার বিদেশে ব্যয় করে। তাদের কথা হচ্ছে বিদেশে যে চিকিৎসা পাচ্ছে মানুষ, সেটা যদি আমরা দেশে তৈরি করে দিতে পারি। এখানে বড় বাজার আছে।

বাংলাদেশের হেলথ কেয়ার সেক্টরে মার্কিন ব্যবসায়ীরা ভালো সম্ভাবনা দেখছে জানিয়ে তিনি বলেন, আমেরিকান জায়ান্ট প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো এখানে অনেক বিনিয়োগ করেছে। তারা আরও আগ্রহী। মার্কিন ব্যবসায়ীরা বলছে, আমরা যে স্মার্ট বাংলাদেশ করতে চাই সেখানে তাদের অনেক সুযোগ আছে। তারা মনে করে বাংলাদেশে সম্ভাবনাটা খুবই ভালো। মার্কিন কোম্পানি এখানে অনেক বিনিয়োগ করতে চায়।

আগামী নির্বাচন সামনে রেখে মার্কিন বিনিয়োগে কোনো উদ্বেগ আছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, একদম কোনো উদ্বেগ নেই। নির্বাচন নিয়ে কোনো কথা হয়নি। তারা বলছে, আমেরিকান প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগ করতে চায়। বাংলাদেশের সরকারের সঙ্গে তাদের ভালো সম্পর্ক আছে। তারা নির্বাচন নিয়ে চিন্তিত না। তাদের কথা হলো নির্বাচন হবে, সেটা তোমাদের ব্যাপার।

Salman2.jpgএ ব্যবসায়ী বলেন, তারা ডলার সংকটে পেমেন্টে দেরি হচ্ছে এ বিষয়ে তারা জানতে চেয়েছে। আমি বুঝিয়েছে এটা ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে হচ্ছে। শুধু আমাদের দেশ না, অনেক যায়গায় হচ্ছে। সেটা তার বুঝতে পেরেছে।

স্মার্ট বাংলাদেশ করলে ক্রস বর্ডার ট্রানজেকশন ইলেকট্রনিক হবে। এটাতে বাংলাদেশ ব্যাংক, আমাদের ইম্পোর্ট কন্ট্রোল এগুলোর একটা সমন্বয় করতে হবে। কারণ এ লেনদেন অনেক দ্রুত হয়ে যায়। সেগুলো নিয়েও কথা হয়েছে। তাদের বলেছি। এসব বিষয় বাংলাদেশ ব্যাংক, আইসিটি মন্ত্রণালয় দেখছে। ইন্টারন্যাশনাল বেস্ট প্র‍্যাক্টিস যেটা আছে। অন্যান্য দেশে যে রকম আইন আছে, আমরাই সেটাই করবো।

আমেরিকা বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট অতুল ক্যাশপ বলেন, কয়েক দশক ধরেই আমেরিকান কোম্পানি এখানে কাজ করছে। এ দেশে কর্মসংস্থান ও জিডিপির উন্নয়নে সহায়তা করছে।

তিনি বলেন, আমেরিকার কোম্পানি অনেক খাতেই বিনিয়োগে আগ্রহী। এরো স্পেস, ডিজিটাল ইকোনমি, জ্বালানি, লাইফ সায়েন্স ইত্যাদি। বিনোয়োগের অনেক খাত আছে। আমরা মনে করি এখানে বিনিয়োগের বড় সুযোগ আছে।

এসএম/এমআইএইচএস/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।