নন-কটন রপ্তানিতে প্রণোদনা প্রয়োজন

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭:৫৯ পিএম, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩

বস্ত্র খাতের নতুন এ বাজার ধরতে এখনই কটনের পাশাপাশি নন-কটনের তৈরি পণ্য রপ্তানিতে জোর দিতে হবে। এজন্য সরকারের নীতি-সুবিধাসহ এসব রপ্তানি পণ্যের প্রণোদনার প্রয়োজন। তাহলে খুব সহজেই এ বাজারে প্রবেশ করা যাবে। এতে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, বিনিয়োগও বাড়বে।

বাংলাদেশে ম্যান মেইড ফাইবার (এমএমএফ) উৎপাদনের সুযোগ-প্রযুক্তি চ্যালেঞ্জ এবং লিঙ্কিং অ্যাকাডেমিয়া শীর্ষক সেমিনারে এসব কথা বলেন বক্তারা।

শনিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি)’র বস্ত্র কৌশল বিভাগে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন আইইবির প্রেসিডেন্ট ইঞ্জি. মো. আবদুস সবুর। আইইবির টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিভিশনের চেয়ারম্যান ইঞ্জি. মোহাম্মদ আসাদ হোসেনের সভাপতিত্বে সম্পাদক ইঞ্জি. মোহাম্মদ ওয়ালিউল ইসলামের সঞ্চালনায় মূল প্রবন্ধ উপস্থান করেন বুটেক্সের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ আব্বাস উদ্দিন।

নন-কটন রপ্তানিতে প্রণোদনা প্রয়োজন

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আবদুস সবুর বলেন, আগামীর বিশ্বে টিকে থাকতে হলে প্রকৌশলীদের সুকৌশলী হতে হবে। আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রযুক্তি ব্যবহার করে চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করতে হবে। দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তর অর্থনৈতিক চালিকা শক্তি হলো বস্ত্র শিল্প। স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে বস্ত্রশিল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি আরও বলেন, বস্ত্রশিল্প নিয়ে সরকার অনেক সচেতন। এ শিল্পকে বিকশিত করতে আরও গবেষণা করতে প্রকৌশলীরা এগিয়ে আসবেন। দেশের মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮৩ শতাংশ অর্জিত হয় তৈরি পোশাক রপ্তানি থেকে। সময়ের পরিক্রমায় প্রতিযোগিতার বাজারে ঠিকে থাকতে হলে প্রতিনিয়ত প্রযুক্তির সাথে খাপ খাইয়ে চলতে হয়।

সেমিনারে আরও উপস্থিত ছিলেন আইইবির সহকারী সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জি. আবুল কালাম হাজারী, ইঞ্জি. অমিত কুমার চক্রবর্তী, ইঞ্জি. মো. রনক আহসান, ঢাকা সেন্টারের সম্পাদক ইঞ্জি. মো. নজরুল ইসলাম, ভাইস চেয়ারম্যান ইঞ্জি. শেখ মাসুম কামাল, আইইবির কৃষি কৌশল বিভাগের চেয়ারম্যান ইঞ্জি. মেছবাহুজামান চন্দনসহ আইইবির নেতারা।

এনএইচ/এমআইএইচএস/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।