মূলধন বাড়াতে বিএসইসির অনুমোদন লাগবে


প্রকাশিত: ১০:৫৪ এএম, ২১ ডিসেম্বর ২০১৪

পুঁজিবাজার থেকে কোম্পানির মূলধন উত্তোলন, মূলধন বৃদ্ধি, ইনিশিয়াল পাবলিক অফার (আইপিও) ও রাইট ইস্যু করতে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রনকারী সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) অনুমোদন লাগবে।

সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অধ্যাদেশ ১৯৬৯ এর ২ সিসি ধারার ক্ষমতাবলে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। গত ১৮ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার বিএসইসি এ প্রজ্ঞাপন জারি করে নির্দেশনা দিয়েছে।

এখন থেকে বিএসইসির অনুমোদন ছাড়া সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তা, পরিচালক, কর্মকর্তা ও এজেন্ট কোন ব্যক্তির কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করতে পারবে না।

বিএসইসির প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, বিএসইসির অনুমোদন ছাড়া কোন কোম্পানির মূলধন বাড়ানোর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তা, পরিচালক, কর্মকর্তা ও এজেন্ট কোন ব্যক্তির কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করতে পারবে না। একইসঙ্গে আইপিওতে আসা কোম্পানিগুলো বাজারে আসার দুই বছরের মধ্যে রাইট শেয়ার ইস্যুরও সিদ্ধান্ত নিতে পারবে না। এছাড়া রাইট ইস্যুর ক্ষেত্রে ও আইপিওর সংগৃহিত অর্থ সম্পূর্ণ ব্যবহার না করে নতুন করে মূলধন বাড়াতে পারবে না।

অপরদিকে ওভার দ্য কাউন্টার মার্কেট (ওটিসি) থেকে শেয়ারবাজারে ফিরে আসার পর কোম্পানি তিন বছরের মধ্যে কোন রাইট শেয়ার ছাড়তে পারবে না।

এদিকে মূলধন বাড়ানো বা প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) জন্য আবেদন জমা দেওয়ার ১২ মাস পূর্ব পর্যন্ত কোনো কোম্পানির কোনো উদ্যোক্তা কিংবা পরিচালক বিদ্যমান শেয়ারহোল্ডার ব্যতিত কোনো ব্যক্তির কাছে শেয়ার হস্তান্তর করলে প্রসপেক্টাস (বিবরণী) প্রদানের দিন থেকে পরবর্তী তিন বছর হস্তান্তর হওয়া শেয়ার বিক্রয় অযোগ্য (লক-ইন) থাকবে।

পাশাপাশি কোম্পানিগুলোর সংগৃহিত অর্থ আলাদা একটি ব্যাংক হিসেবে রাখতে হবে। এছাড়া ৫ লাখ টাকার বড় অঙ্ক হলে তা একাউন্ট পে চেকে লেনদেন সম্পন্ন করতে হবে।

উল্লেখ্য, এ সংক্রান্ত বিষয়ে গত ২৯ অক্টোবর ৫৩০তম কমিশন সভায় বিএসইসি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যা চলতি ১৮ ডিসেম্বর প্রজ্ঞাপন আকারে নির্দেশনা দিয়েছে বিএসইসি।

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।