বাধ্যতামূলক হলো শিক্ষকদের ৫৬ দিনের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:৪৩ পিএম, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর- মাউশি

মাধ্যমিক স্তরের নবীন শিক্ষকদের জন্য ৫৬ দিনব্যাপী বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ নেওয়া বাধ্যতামূলক করেছে নতুন সরকার। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) এক অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

মাউশির মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক বি এম আব্দুল হান্নানের সই করা আদেশে বলা হয়েছে, শ্রেণিকক্ষের আধুনিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং কার্যকর পাঠদানে সক্ষম করে তুলতে এই প্রশিক্ষণ অপরিহার্য। বিশ্বব্যাংকের ঋণ সহায়তায় পরিচালিত ‘লার্নিং এক্সিলারেশন ইন সেকেন্ডারি এডুকেশন’ (লেইস) প্রকল্পের আওতায় অক্টোবর ২০২৩ থেকে সেপ্টেম্বর ২০২৮ মেয়াদে এই কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে।

আদেশে বলা হয়, ৪০ বছরের কম বয়সী নবীন শিক্ষকদের আধুনিক শিখন-তত্ত্ব ও কৌশল হাতে-কলমে রপ্ত করানোর লক্ষ্যে দেশব্যাপী ১৪টি সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজের মাধ্যমে এই প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের শিখন ত্বরান্বিত করা, ঝরে পড়ার হার কমানো এবং শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতার স্থায়ী উন্নয়ন সাধন করা। এটি এসডিজি-৪ বা গুণগত শিক্ষার লক্ষ্য অর্জনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত একটি অগ্রাধিকারমূলক কর্মসূচি।

আরও পড়ুন
প্রাথমিকের স্থগিত বৃত্তি পরীক্ষা হবে এ বছর, থাকবে কিন্ডারগার্টেনও 
শিক্ষার্থীদের সন্ধ্যার পর ঘোরাঘুরি নিয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী 

এতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এরই মধ্যে দুটি নিয়মিত ও একটি পাইলট ব্যাচের প্রশিক্ষণ শেষ হয়েছে। অথচ লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, অনেক প্রতিষ্ঠান প্রধান মনোনীত শিক্ষকদের ছাড়পত্র দিতে অপারগতা প্রকাশ করছেন। এছাড়া কোনো কোনো শিক্ষক প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণে অনাগ্রহ দেখাচ্ছেন।

এমন পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বর্ণিত ৫৬ দিনব্যাপী বেসিক প্রশিক্ষণে মনোনীত মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষকদের অনিবার্য কারণ ছাড়া বাধ্যতামূলক অংশগ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হলো। একই সঙ্গে মাঠপর্যায়ের সব কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠান প্রধানদের এ নির্দেশ যথাযথ অনুসরণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এএএইচ/কেএসআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।