থাইল্যান্ডের শিক্ষাব্যবস্থার পূর্ণাঙ্গ পর্যালোচনা করতে চায় বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭:৪০ পিএম, ১৩ মে ২০২৬
ছবি: পিআইডি

বাংলাদেশ প্রাথমিকভাবে থাইল্যান্ডের শিক্ষাব্যবস্থার একটি পূর্ণাঙ্গ ও বাস্তবভিত্তিক পর্যালোচনা করতে আগ্রহী বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

বুধবার (১৩ মে) মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রীর অফিসকক্ষে বাংলাদেশে থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত থিতিপর্ন চিরাসাওয়াদির সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে বিষয়টি জানান তিনি।

দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বাংলাদেশে প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন, শিক্ষক সংকট ও নেতৃত্বভিত্তিক প্রশিক্ষণ নিয়ে আলোচনা হয়।

থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রায় ৬৫ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে অনেক বিদ্যালয় ভালো ফলাফল করলেও সামগ্রিকভাবে শিক্ষার্থীদের শেখার সক্ষমতা আরও উন্নত করা প্রয়োজন। বিশেষ করে শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও দক্ষ নেতৃত্বের অভাব অনেক ক্ষেত্রে শিক্ষার মানোন্নয়নে চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করছে।

এক্ষেত্রে থাইল্যান্ডের শিক্ষাব্যবস্থার কার্যকর দিকগুলো সম্পর্কে সরাসরি ধারণা লাভ সহায়ক হতে পারে বলে মনে করেন ববি হাজ্জাজ।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ লক্ষ্যে দুই দেশের শিক্ষা বিশেষজ্ঞদের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময়, শিক্ষা প্রশাসন পর্যবেক্ষণ ও নেতৃত্বভিত্তিক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম নিয়ে কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে দেশটির পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষাখাত উন্নয়নে সরকারের যে আন্তরিকতা ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা রয়েছে, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের শেখার মান বৃদ্ধি, শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও বিদ্যালয় নেতৃত্ব উন্নয়ন খুবই গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।

তিনি বলেন, শিক্ষাখাতে অভিজ্ঞতা বিনিময় দু’দেশের জন্যই উপকারী হতে পারে। আমরা বাংলাদেশকে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার বিভিন্ন কার্যক্রম, প্রশিক্ষণ পদ্ধতি ও প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা সম্পর্কে সহযোগিতা করতে আগ্রহী।

বৈঠকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব মো. সাখাওয়াৎ হোসেন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মোহাম্মদ আতিকুর রহমান এবং থাইল্যান্ড দূতাবাসের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এএসএ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।