মোবাইলে ‘আলোর পাঠশালা’


প্রকাশিত: ১১:০৩ এএম, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৫

এখন থেকে মোবাইল ফোনে অনলাইনে বই পড়তে পারবেন পাঠকরা। বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের মিলনাতনে ‘আলোর পাঠশালা’ শীর্ষক মোবাইল এপ্লিকেশন এর উদ্বোধন করলেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও প্রতিথযশা প্রকৌশলী অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী। বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন- গ্রামীণফোনের হেড অব কমিউনিকেশন মার্কাস এডাকটুসন।

দেশে পর্যাপ্ত সংখ্যায় আলোকিত, কার্যকর, উচ্চমূল্যবোধ ও উদার দৃষ্টিভঙ্গি সম্পন্ন মানুষ গড়ে তোলা এবং তাদেরকে জাতীয় শক্তি হিসেবে সংঘবদ্ধ ও সমুন্নত করে দেশের আপামর মানুষের চিত্তের সার্বিক আলোকায়ন ঘটানোর লক্ষ্যে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র নিয়োজিত। আলোকিত মানুষ গড়ার সমৃদ্ধ স্বপ্ন নিয়ে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র গত ৩৬ বছর ধরে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করে বাস্তবায়ন করছে। কেন্দ্রের সবচাইতে বড় কর্মসূচির নাম দেশভিত্তিক উৎকর্ষ কার্যক্রম। বর্তমানে সারাদেশে প্রায় ১০০০০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রায় ১২ লক্ষ ছাত্রছাত্রী এই কর্মসূচির সদস্য। আনন্দের মধ্য দিয়ে পাঠাভ্যাস বৃদ্ধি ও জ্ঞানচর্চাকে সারাদেশের মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দেয়ার লক্ষ্যে প্রতিনিয়ত বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র কাজ করে যাচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় গত বছর থেকে গ্রামীণফোনের সহযোগিতায় শুরু হয়েছে অনলাইনে বইপড়া কর্মসূচি ‘আলোর পাঠশালা’। অনলাইনে বইপড়াকে আরো সহজতর করার লক্ষ্যে ‘আলোর পাঠশালা’র মোবাইল এপ্লিকেশন তৈরি করা হয়েছে।

আগামী ২১ এ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ থেকে ‘আলোর পাঠশালা’ শীর্ষক নতুন এই মোবাইল এপ্লিকেশন এর মাধ্যমে সবাই আরো সহজে ডাউনলোড করে বইপড়ার সুযোগ পাবে।

আলোর পাঠশালার মোবাইল এপ্লিকেশন ব্যবহার করে সবাই বাংলা ও  বিশ্বসাহিত্যের সেরা বইগুলো পড়ার সুযোগ পাবেন। বই ডাউনলোড করে অফ লাইনেও এই এপ্লিকেশনে বইগুলো পড়া যাবে।

গ্রামীণফোন তার "ইন্টারনেট ফর অল" কর্মসূচীর অংশ হিসেবে এই উদ্যেগে সহযোগিতা করতে এগিয়ে এসেছে। গ্রামীণফোন মনে করে যে ইন্টারনেটকে সাধারণ মানুষের ব্যবহার উপযোগী করতে হলে স্থানীয় তথ্য এবং কনটেন্ট এর পরিমাণ ব্যাপকভাবে বাড়াতে হবে। আলোর পাঠশালা ই-লাইব্রেরি এবং এর মোবাইল অ্যাপ, বাংলা এবং বিশ্ব সাহিত্যকে এদেশের মানুষের কাছে ডিজিটাল রূপে তুলে ধরবে।

ইন্টারনেট কানেকশন সম্বলিত ট্যাব ও যে কোন এন্ড্রয়েড মোবাইল ফোনে আলোর পাঠশালার এই মোবাইল এপ্লিকেশন ব্যবহার করা যাবে। আগামী কিছু দিনের মধ্যে উইন্ডোজ এবং এপল ভার্সনেও ব্যবহারের সুযোগ থাকবে। এর মাধ্যমে ধীরে ধীরে মানুষের হাতে হাতে একটি সমৃদ্ধ ই-লাইব্রেরি গড়ে উঠবে যা আমাদের আগামী প্রজন্মকে আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়তা হবে।

এসএ/আরএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।