অনার্স ৪র্থ বর্ষের ফলাফলে ত্রুটি : তদন্ত কমিটি গঠন


প্রকাশিত: ১১:৪৯ এএম, ২৭ নভেম্বর ২০১৬

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৪ সালের অনার্স ৪র্থ বর্ষের ফলাফলে আংশিক ত্রুটির ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর (একাডেমিক) প্রফেসর ড. মো. হাসান বাবুর নেতৃত্বে তিন সদস্যের এ কমিটি বিষয়টি তদন্ত করবেন। কীভাবে এ ত্রুটি ঘটলো তা খতিয়ে দেখার জন্য তদন্ত কমিটিকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

ওই কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আর প্রকাশিত ফলাফলে অনিচ্ছাকৃত ত্রুটির জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশও করছেন।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, গত ২৭ সেপ্টেম্বর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৪ সালের অনার্স ৪র্থ বর্ষের ফলাফলে আংশিক ত্রুটি পরিলক্ষিত হলে গত ২৪ নভেম্বর তা সংশোধনপূর্বক প্রকাশ করা হয়েছে। ফলাফল প্রস্তুতের ক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে প্রকাশিত ফলাফলে কিছু পরীক্ষার্থীর ফল ভুল আসায় কর্তৃপক্ষের নজরে আসা মাত্রই তা সংশোধন করা হয়েছে।
ওই ত্রুটি সংশোধনের ফলে উক্ত পরীক্ষায় এক লাখ ২৩ হাজার পরীক্ষার্থীর মধ্যে প্রায় নয় হাজার পরীক্ষার্থীর ফলাফলে কিছুটা ভিন্নতা এসেছে এবং পাঁচ হাজারের অধিক পরীক্ষার্থীর CGPA বৃদ্ধি পেয়েছে।  

পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ ও সংশোধন একটি চলমান প্রক্রিয়া। আর পরীক্ষার ফল প্রকাশ করার সময় এটি উল্লেখ থাকে যে কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনে যেকোনো সময় প্রকাশিত ফলাফল বাতিল ও সংশোধন করার এখতিয়ার সংরক্ষণ করেন।

শত সতর্কতা সত্বেও কখনো ভুলত্রুটি হওয়া অস্বাভাবিক নয় এবং তা দৃষ্টিতে আসা মাত্রই সংশোধন করা কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। এক্ষেত্রে সে দায়িত্ববোধ থেকেই প্রকাশিত ফলাফলে ত্রুটি গোচরীভূত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভুল সংশোধনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সর্বদা সজাগ রয়েছে।

এ ব্যাপারে কোনো রাখঢাক নেই এবং যেকোনো পরীক্ষার্থী চাইলে তার পরীক্ষার ফল জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যাচাই করে দেখতে পারবেন।

আমিনুল ইসলাম/ এমএএস/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।