তারকা হওয়ার আগে কঠিন লড়াই, প্রথম আয় কত ছিল ঐশ্বরিয়ার?

বিনোদন ডেস্ক
বিনোদন ডেস্ক বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০:১৩ এএম, ১২ মার্চ ২০২৬
ঐশ্বরিয়া রাই। ছবি: সংগৃহীত

একসময় বলিউডের শীর্ষ নায়িকাদের একজন ছিলেন ঐশ্বরিয়া রাই কচ্চন। আজ তিনি কোটি টাকার সিনেমা এবং আন্তর্জাতিক খ্যাতির অধিকারী হলেও তারকাখ্যাতি পাওয়ার আগে জীবন তার জন্য মোটেই সহজ ছিল না। মডেলিং ও বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার পথে তিনি বহু চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছিলেন।

১৯৯২ সালের কথা। মুম্বাইয়ে একেবারেই নতুন ছিলেন ঐশ্বরিয়া। বিশ্বসুন্দরী প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণেরও দুই বছর আগে তিনি নিজের ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন। সেই সময় মডেলিং এবং বিজ্ঞাপন শুটের মাধ্যমে পা রাখা-সবই তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ ছিল।

ক্যারিয়ারের শুরুতে একটি বিজ্ঞাপনের কাজে তাকে পিঠখোলা ব্লাউজ পরতে বলা হলে আপত্তি জানান ঐশ্বরিয়ার মা। বিজ্ঞাপনটির পরিচালক জানান, ঐশ্বরিয়া খুব সাধারণ ও লাজুক স্বভাবের মেয়ে ছিলেন। খোলামেলা পোশাক নিয়ে তার দ্বিধা ছিল। তিনি ও তার মাকে আশ্বস্ত করেন, সব হবে সৃজনশীলভাবে। এতে তারা খানিকটা শান্ত হন।

তারকা হওয়ার আগে কঠিন লড়াই, প্রথম আয় কত ছিল ঐশ্বরিয়ার?

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে তার ক্যারিয়ারের শুরুতে করা একটি পত্রিকার শুটের বিল। দেখা যাচ্ছে, ঐশ্বরিয়া সেই কাজের জন্য মাত্র দেড় হাজার টাকা পেয়েছিলেন। তখন তার বয়স ছিল মাত্র আঠারো বছর। চুক্তি নথিতে তার স্বাক্ষরও রয়েছে।

এরপর তিনি আরও একটি বিজ্ঞাপনের জন্য প্রায় পাঁচ হাজার টাকা পেয়েছিলেন। সেই সময়ে একসঙ্গে তিনটি বিজ্ঞাপনের প্রস্তাবও পেয়েছিলেন। ঐশ্বর্যার প্রথম সহ-অভিনেতা ছিলেন অর্জুন রামপাল।

তারকা হওয়ার আগে কঠিন লড়াই, প্রথম আয় কত ছিল ঐশ্বরিয়ার?

আরও পড়ুন:
বড়পর্দায় কি দেখা যাবে সালমান ও সামান্থার রসায়ন?
হলিউডের ‘ঘোস্টবাস্টার্স’ তারকা মারা গেছেন

পরে ১৯৯৪ সালে বিশ্বসুন্দরী প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়ে আন্তর্জাতিক খ্যাতি পান ঐশ্বরিয়া। এরপর ধীরে ধীরে বলিউডে নিজের শক্ত অবস্থান গড়ে তোলেন এবং আজকের তারকা হিসেবে পরিচিত হন।

ছোট শুরু, কঠিন সংগ্রাম এবং পরিশ্রম- এই সব দিয়েই গড়ে ওঠে ঐশ্বরিয়ার সফলতা।

এমএমএফ/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।