শুক্রবার মুক্তি পাচ্ছে হরিযূপীয়া
মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি ও তাদের এদেশীয় দোসরদের চালানো গণহত্যার গল্প নিয়ে নির্মিত হয়েছে নতুন চলচ্চিত্র ‘হরিযূপীয়া’। বিনা কর্তনে ছাড়পত্র পাওয়ায় আগামী শুক্রবার, ২৭ মার্চ বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে ছবিটি।
একুশে পদক প্রাপ্ত মিডিয়াব্যক্তিত্ব ফরিদুর রেজা সাগর প্রযোজিত হরিযূপীয়া চলচ্চিত্রটির চিত্রনাট্য রচনা ও পরিচালনা করেছেন গোলাম মোস্তফা শিমুল। এতে অভিনয় করেছেন সাব্বির আহমেদ, বিথী রানী সরকার, খায়রুল আলম সবুজ, মাহমুদুল ইসলাম মিঠু, কাজী রাজু, রিয়াজ মাহমুদ জুয়েল, পাভেল ইসলাম, জুনায়েদ হালিম, শফিউল আলম বাবু, নাফিজা ইসলাম নাফা প্রমূখ।
ঢাকা, নওগাঁ ও পাবনার বিভিন্ন স্থানে ‘হরিযূপীয়া’ ছবির শুটিং হয়েছে।
‘হরিযূপীয়া’ শব্দটা কত প্রাচীন তা নিশ্চিত করে বলাটা কঠিন। তবে বহুশত বছর আগে হরপ্পায় যে হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়েছিল সে কারণে হরপ্পার আরও একটি পরিচয় ছিল হরিযূপীয়া।
হরি শব্দটি ম্যাস পিপলকে বোঝাতে বলা হয়েছে। এখানে যূপ হচ্ছে যূপকাষ্ঠ অর্থাৎ যে বিশেষ কাঠের ফাঁকে প্রাণীর গলা ঢুকিয়ে তাকে বলি দেওয়া হয়। আর যূপীয়া বলির স্থানটিকে নির্দেশ করে। হরিযূপীয়া নামটি এই চলচ্চিত্রে গণহত্যার স্থান হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধের সময়ে পাক বাহিনী ও তাদের দোসরদের চালানো গণহত্যাকে ঘিরেই হরিযূপীয়ার মূল গল্প আবর্তিত হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে ছবিটির পরিচালক বলেন, ‘বিজয়ের ঠিক আগে আমাদের বুদ্ধজীবিদের হত্যার মাধ্যমে এ দেশকে মেধাশূন্য করবার যে পরিকল্পনা পাক হানাদারেরা করেছিল, সেই বিষয়কে উপজীব্য করেই এই চলচ্চিত্রের গল্প আবর্তিত হয়েছে। প্রেক্ষাপট চিরচেনা মুক্তিযুদ্ধ হলেও এতে গল্প এবং চরিত্রের ভিন্নতা আছে।’
ঢাকার যমুনা ব্লকবাস্টার, স্টার সিনেপ্লেক্স, বলাকা, শ্যামলী, জোনাকী ও খুলনা, রাজশাহী, বরিশাল, ময়মনসিংসহ মোট ২০টি সিনেমা হলে একযোগে মুক্তি পাচ্ছে ছবিটি।
এলএ/পিআর