অনন্ত জলিলের বাড়িতে ক্রস চিহ্ন দিলেন ফেরদৌস, হলো কারাদণ্ড

বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৩:১৩ পিএম, ০২ জুন ২০২১

মশা নিয়ন্ত্রণে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ‘চিরুণী অভিযান’ চলছে রাজধানীজুড়ে। অভিযানের প্রথম দিন ১ জুন চলচ্চিত্র অভিনেতা-ব্যবসায়ী অনন্ত জলিলের একটি নির্মাধাণীন ভবনের তত্ত্বাবধানকারীকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

১০ দিনের এই কর্মসূচি মঙ্গলবার মেয়র আতিকুল ইসলাম উদ্বোধন করেন। মোহাম্মদপুরের ইকবাল রোডের উদয়াচল পার্ক ও খেলার মাঠে উদ্বোধন অনুষ্ঠানের পর মেয়রের উপস্থিতিতে ইকবাল রোডে ভ্রাম্যমাণ আদালত নামে অভিযানে।

ইকবাল রোডে অনন্ত জলিলের একটি নির্মাণাধীন ভবন পাওয়া যায়। সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালত গিয়ে নিচতলায় জমে থাকা পানি দেখতে পায়। তখন এলাকাবাসীকে সতর্ক করতে ও-ই বাড়িটিতে ক্রস চিহ্নযুক্ত স্টিকার লাগিয়ে দেন আরেক নায়ক ফেরদৌস। সঙ্গে ছিলেন অভিনেত্রী তানভীন সুইটিও।

এ অভিযানে মেয়রসহ আরও উপস্থিত ছিলেন সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী আ ফ ম রুহুল হক, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. বে-নজীর আহমেদ, ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম রেজা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

পাশাপাশি ভবন নির্মাণের দায়িত্বে নিয়োজিত প্রতিষ্ঠানের ইনচার্জ দেলোয়ার হোসেনকে ৬ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ফেরদৌস বলেন, 'আমরা এই বাড়িটিসহ আরও কয়েকটি বাড়িতেই তিনদিনের বেশি জমে থাকা পানি পেয়েছি। এগুলোতে মশার লার্ভা জন্ম নিয়েছে। মানুষকে সচেতন করতেই ক্রস চিহ্ন দেয়া হচ্ছে। মশা অনেক রোগের বাহক। তাই আমাদের মশা প্রতিরোধ করতে সতর্ক থাকতে হবে। সিটি কর্পোরেশনকে ধন্যবাদ এই অভিযান চালানোর জন্য। আশা করি এতে করে সবাই সচেতন হবেন।'

এ ব্যাপারে অনন্ত জলিল মুঠোফোনে গণমাধ্যমে বলেন, 'আমি ঘটনাটি শুনেছি। মশা নিধন বা নিয়ন্ত্রণ সিটি কর্পোরেশনের দায়িত্ব। তারা যা করেছে আমি তাকে সমর্থন করি। আর বাড়ি হোক বা যার বাড়িই হোক, সবার নিরাপত্তা আগে নিশ্চিত করতে হবে৷ যারা আমার নির্মাণাধীন ভবনটির দেখাশোনা করতেন তাদের গাফিলতি আছে অবশ্যই। সবাই সচেতন হোক এই প্রত্যাশা করি।'

প্রসঙ্গত, এডিস মশা, ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে ৫৪টি ওয়ার্ডে এই অভিযান চলবে বলে মেয়র আতিক জানিয়েছেন।

এলএ/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]