মুখে মৌমাছির ঝাঁক নিয়ে গিনেস বুকে নাম

ফিচার ডেস্ক
ফিচার ডেস্ক ফিচার ডেস্ক
প্রকাশিত: ০১:৫১ পিএম, ২৫ জুন ২০২০

গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লেখাতে কত কিছুই না করে মানুষ। তাই তো এবার মাথা ও মুখে মৌমাছির ঝাঁক নিয়ে চার ঘণ্টা বসেছিলেন এক যুবক। অবশেষে গিনেস বুুকে নামও লেখালেন। তার এমন কীর্তিতে হতবাক সবাই।

স্থানীয়রা জানান, সাধারণ মানুষ মৌমাছি দেখলে ভয়ে পালায়। মৌমাছির একটি কামড়েই প্রাণ যেন ওষ্ঠাগত। তাই মৌচাকের আশপাশ দিয়েও সাধারণত যাতায়াত করে না মানুষ। মৌমাছির দল থেকে এতটাই দূরত্ব বজায় রেখে চলে সবাই।

কিন্তু ভারতের কেরালা রাজ্যের এক পতঙ্গবিদ ঠিক উল্টো কাজটি করে দেখালেন। তিনি মৌমাছিদের সঙ্গে বন্ধুত্ব স্থাপন করেছেন। মাথায় এবং মুখে মৌমাছির ঝাঁক নিয়ে ৪ ঘণ্টারও বেশি সময়ে বসে থেকে নাম তুলেছেন গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে।

Bee-in

জানা যায়, ওই পতঙ্গবিদের নাম নেচার এমএস। তার বাবা একজন মধুচাষি। ছোটবেলা থেকেই বাবার সঙ্গে জঙ্গলে যেতে শুরু করেন নেচার। তখন তার বয়স খুব বেশি হলে ৭ বছর। সেই থেকেই শুরু। ধীরে ধীরে মৌমাছির সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে।

এরপর নিজের উৎসাহে পতঙ্গবিদের পেশা বেছে নেন। মৌমাছিরাও নেচারের সঙ্গ বেশ পছন্দ করে। তিনি জানান, প্রায় ৬০ হাজার মৌমাছিকে একসঙ্গে মাথায়, মুখে নিয়ে অনায়াসে সময় কাটিয়ে দিতে পারেন তিনি।কারণ এটি তার ছোটবেলার অভ্যাস।

নেচার এমএস বলেন, ‘মৌমাছি বাস্তুতন্ত্রের একটা বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ওদের সাহচর্য মানুষের জন্যও ভালো।’ তাই ভয় না পেয়ে ধীরে ধীরে বন্ধুত্ব গড়ে তোলার জন্য সবাইকে আহ্বান জানান তিনি। তবে নেচার এমএসের মতো সাহস কতজনেরই বা আছে, সেটাও ভাবনার বিষয়।

এনডিটিভি/এসইউ/এএ/পিআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]