ফের মুখ থুবড়ে পড়লো ভারতের তেজস যুদ্ধবিমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০২:৫২ পিএম, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ভারতের তেজস যুদ্ধবিমান/ ফাইল ছবি: ভারতীয় বিমানবাহিনী

ফের মুখ থুবড়ে পড়লো ভারতের তেজস যুদ্ধবিমান। চলতি মাসের শুরুতে একটি বিমানঘাঁটিতে অবতরণের সময় ভারতীয় বিমানবাহিনীর একটি তেজস লাইট কমব্যাট এয়ারক্রাফট (এলসিএ) দুর্ঘটনার শিকার হয়। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) এ তথ্য প্রকাশ্যে এনেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইকোনমিক টাইমস।

বিমানবাহিনীর সূত্র জানায়, প্রশিক্ষণ উড্ডয়ন শেষে অবতরণের সময় যুদ্ধবিমানটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি পুরোপুরি বাতিল হিসেবে গণ্য হতে পারে। তবে পাইলট গুরুতর আঘাত ছাড়া প্রাণে বেঁচে গেছেন।

দুর্ঘটনায় পতিত যুদ্ধবিমানটি ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত নির্মাতা সংস্থা হিন্দুস্তান অ্যারোনটিকস লিমিটেডের (এইচএএল) তৈরি। সংস্থাটি এ ধরনের ৩২টি এক আসনের তেজস যুদ্ধবিমান সরবরাহ করেছিল।

আরও পড়ুন>>
দুবাই এয়ার শোতে ভারতীয় যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, পাইলটের মৃত্যু
প্রশিক্ষণকালে ভারতীয় বিমানবাহিনীর দুই যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত
তেজস বিধ্বস্ত: ভারতীয় যুদ্ধবিমানের রপ্তানি প্রত্যাশায় ধাক্কা

ভারতীয় বিমানবাহিনী আরও উন্নত এমকে-১এ সংস্করণের ১৮০টি তেজস বিমানের অর্ডার দিয়েছিল। তবে এই সংস্করণের সরবরাহের জন্য একাধিক সময়সীমা পেরিয়ে গেছে।

এটি তেজস বহরের তৃতীয় বড় দুর্ঘটনা। প্রথমটি ঘটে ২০২৪ সালের মার্চে। ওই সময় রাজস্থানের জয়সালমিরের কাছে প্রদর্শনী শেষে ফেরার পথে একটি তেজস যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়। অবতরণের চূড়ান্ত পর্যায়ে বিমানটি নিয়ন্ত্রণ হারালে পাইলট নিরাপদে বের হয়ে আসতে সক্ষম হন।

দ্বিতীয় দুর্ঘটনাটি ঘটে ২০২৫ সালের নভেম্বরে দুবাই এয়ার শো চলাকালে। প্রদর্শনীতে উড্ডয়নের সময় একটি তেজস যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হলে পাইলট নিহত হন। ওই ঘটনার তদন্ত এখনো চলমান।

সাম্প্রতিক দুর্ঘটনার পর তেজস কর্মসূচির নিরাপত্তা ও রক্ষণাবেক্ষণ প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিমানবাহিনী অতিরিক্ত সতর্কতামূলক পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

সূত্র: দ্য ইকোনমিক টাইমস
কেএএ/

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।