ভারতে মুসলিম হওয়ায় ত্রাণের কম্বল পেলেন না নারী, ভিডিও ভাইরাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৫:৩৫ পিএম, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ভারতে মুসলিম হওয়ায় ত্রাণের কম্বল পেলেন না নারী/ ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া

ভারতে মুসলিম পরিচয়ের কারণে এক নারীকে ত্রাণের কম্বল না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিজেপির সাবেক সংসদ সদস্য সুখবীর সিং জৌনপুরিয়ার বিরুদ্ধে। সামাজিক মাধ্যমে ওই ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন তিনি।

ভিডিওতে দেখা যায়, টঙ্ক-সাওয়াই মাধোপুর কেন্দ্রের সাবেক এই সংসদ সদস্য কম্বল বিতরণ কর্মসূচিতে উপস্থিত কয়েকজন নারীর মধ্যে কম্বল বিতরণ করছেন। এসময় এক নারী মুসলিম পরিচয় দিলে তাকে সরে যেতে নির্দেশ দেন ওই বিজেপি নেতা।

তার দাবি, ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে গালমন্দ করা মানুষদের কম্বল নেওয়ার অধিকার নেই। তিনি আরও বলেন, কর্মসূচিটি কোনো সরকারি প্রকল্পের অংশ নয়, বরং এটি তার ব্যক্তিগত উদ্যোগ।

আরও পড়ুন>>
ভারতে হিন্দুত্ববাদী মবের প্রতিবাদ করায় উল্টো যুবকের বিরুদ্ধেই মামলা
মুসলিমদের ছবিতে আসামের মুখ্যমন্ত্রীর ‘গুলি ’, বিতর্কের ঝড়
ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে ভারতজুড়ে হামলার শিকার হচ্ছেন কাশ্মীরি ফেরিওয়ালারা

ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর রাজস্থান বিধানসভার বিরোধীদলীয় নেতা টিকারাম জুলি অভিযোগ করেন, ওই বিজেপি নেতা একজন মুসলিম নারীকে অপমান করেছেন। তিনি দাবি করেন, নিওয়াই তহসিলের কারেদা গ্রামে কম্বল বিতরণকালে এক নারীর নাম জানার পর তার কাছ থেকে কম্বলটি ফিরিয়ে নেওয়া হয়।

টিকারাম জুল্লি বলেন, একজন সাবেক সংসদ সদস্যের দরিদ্র নারীর ধর্ম জিজ্ঞেস করে কম্বল ফিরিয়ে নেওয়া অত্যন্ত নিন্দনীয়। এটি স্পষ্ট বৈষম্যের শামিল।

স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য অনুযায়ী, গত রোববার বিকেলে কম্বল বিতরণ কর্মসূচিতে প্রথমে কয়েকজন নারীকে কম্বল দেওয়া হলেও পরে তাদের ধর্মীয় পরিচয় জানার পর কিছু কম্বল ফিরিয়ে নেওয়া হয়।

জানা গেছে, সুখবীর সিং ওই এলাকায় আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি আজমীরে প্রধানমন্ত্রী মোদীর প্রস্তাবিত সফরের আমন্ত্রণ জানাতে গিয়েছিলেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজস্থানের রাজনীতিতে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

সূত্র: ডেকান হেরাল্ড
কেএএ/

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।