ফিলিস্তিনের উপকার না হলে ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’ ছাড়বে ইন্দোনেশিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৫:৫৪ পিএম, ০৭ মার্চ ২০২৬
ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’ সভায় ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট/ ফাইল ছবি: ফেসবুক@প্রাবোও সুবিয়ান্তো

ফিলিস্তিনের উপকার না হলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গঠিত ‘বোর্ড অব পিস’ ছাড়বে ইন্দোনেশিয়া। এই ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো।

সরকারি এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বোর্ডে ইন্দোনেশিয়ার অংশগ্রহণ নিয়ে দেশটিতে সমালোচনা বাড়তে থাকায় প্রেসিডেন্ট এই অবস্থান জানিয়েছেন। বিশেষ করে মুসলিম সংগঠনগুলো তার এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করছে।

দুই বছর ধরে চলা ধ্বংসাত্মক যুদ্ধের পর গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার প্রেক্ষাপটে ট্রাম্পের উদ্যোগে গঠিত ওই বোর্ডে যোগ দেন প্রাবোও সুবিয়ান্তো। একই সঙ্গে তিনি গাজায় শান্তিরক্ষা মিশনে কয়েক হাজার সেনা পাঠানোর প্রতিশ্রুতিও দেন।

সরকারি যোগাযোগ সংস্থার এক বিবৃতিতে বলা হয়, স্থানীয় মুসলিম সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে প্রেসিডেন্ট বলেন, গাজায় স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই ইন্দোনেশিয়া এই বোর্ডে যোগ দিয়েছে।

তবে তিনি স্পষ্ট করে দেন, যদি এই উদ্যোগ ফিলিস্তিনিদের কোনো বাস্তব উপকার না আনে অথবা ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ না হয়, তাহলে দেশটি বোর্ড থেকে বেরিয়ে আসবে।

ইসলামিক ব্রাদারহুড ফ্রন্টের নেতা হানিফ আলতাস প্রেসিডেন্টের বক্তব্য উদ্ধৃত করে বলেন, যদি তিনি দেখেন যে ফিলিস্তিনের জন্য আর কোনো উপকার হচ্ছে না এবং এটি ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়, তাহলে তিনি বোর্ড থেকে সরে দাঁড়াবেন।

এর আগে দেশটির শীর্ষ ধর্মীয় সংস্থা ইন্দোনেশিয়ান ওলামা কাউন্সিল সরকারকে এই বোর্ড থেকে সরে আসার আহ্বান জানিয়েছিল। তাদের মতে, এই উদ্যোগ ফিলিস্তিনে প্রকৃত শান্তি প্রতিষ্ঠায় কার্যকর নয়।

গত মাসে ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত বোর্ড অব পিসের উদ্বোধনী বৈঠকে অংশ নেন প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো। সেখানে তিনি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীর অংশ হিসেবে গাজায় আট হাজার সেনা পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দেন।

সূত্র: এএফপি
কেএএ/

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।