অভিবাসীদের জীবন রক্ষাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে : জাতিসংঘ
ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত (ইইউ) দেশগুলোতে অভিবাসীদের অনুপ্রবেশ রুখতে যে পরিকল্পনাই নেয়া হোক তাতে মানুষের জীবন রক্ষার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিতে হবে বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর-এর মুখপাত্র আদ্রিয়ান এডওয়ার্ডস। ভূমধ্যসাগরে মানবপাচারকারীদের ব্যবহৃত নৌযান ধ্বংস করে অভিবাসী সঙ্কট নিরসন সম্ভব নয় বলেও জানান এই মুখপাত্র।
অবৈধভাবে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে প্রতিদিনই ইতালির সিসিলি ও ল্যাম্পাদুসা দ্বীপে আসছেন শতশত অভিবাসী। এমাসের শুরুতেও আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের সাড়ে আটশো অভিবাসীকে ঝুঁকিপূর্ণ নৌযান থেক উদ্ধার করে সিসিলির পোজালো বন্দরে নিয়ে আসে ইতালীয় কোস্টগার্ড।
জাতিসংঘের হিসেব অনুযায়ী চলতি বছর ইতালিতে প্রায় ৩২ হাজার অবৈধ অভিবাসী এসেছেন। এছাড়া সাগরে বৈরী আবহাওয়ায় নৌকাডুবিতে মারা গেছেন প্রায় দুই হাজার মানুষ।
চলমান এ সঙ্কট সমাধানে গতমাসে লুক্সেমবার্গে ইইউ দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে ১০ দফা পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়। যার অন্যতম ছিলো, ভূমধ্যসাগরে মানবপাচারকারীদের ব্যবহৃত নৌযানগুলো ধ্বংস করা। তবে জাহাজ ধ্বংসের আগে অভিবাসীদের নামিয়ে নেয়া হবে কি-না অথবা নিজস্ব কোস্টগার্ডের নৌযানে অভিবাসীদের সরিয়ে নিলেও, তাদেরকে কোথায় নেয়া হবে এ বিষয়গুলো স্পষ্ট করা হয়নি।
এদিকে, বিভিন্ন গণমাধ্যম জানায়, বুধবার ইইউভুক্ত দেশগুলায় কোটার ভিত্তিতে শরণার্থী গ্রহণের পরিকল্পনা ঘোষণা করতে পারে ইউরোপীয় কমিশন। অভিবাসীদের মানবপাচারের শিকার না হয়ে আইনগত প্রক্রিয়ায় ইউরোপে আসতে সাংগঠনিক সহায়তার প্রস্তাব দেয়া হবে এ ঘোষণায়।
এসকেডি/বিএ/আরআই