যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উড়োজাহাজকে ধাওয়া দিলো অস্ট্রিয়ার যুদ্ধবিমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৯:৩৪ পিএম, ১৩ মে ২০২৬
অস্ট্রিয়ান বিমান বাহিনীর ইউরোফাইটার টাইফুন যুদ্ধবিমান/ ২০২২ সালের ৭ জুলাই তোলা ছবি/ এএফপি

অনুমতি ছাড়াই অস্ট্রিয়ার আকাশসীমায় প্রবেশ করায় টানা দুই দিনে দুইবার যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনীর দুটি সামরিক উড়োজাহাজকে ধাওয়া দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) দেশটির গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন বিমানবাহিনীর দুটি পিসি-১২ বিমান এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত। টার্বোপ্রপ মডেলের এসব বিমান সাধারণত নজরদারি ও গোয়েন্দা তৎপরতায় ব্যবহার করা হয়।

অস্ট্রিয়ার সংবাদপত্র কুরিয়ার জানায়, প্রয়োজনীয় সামরিক ট্রানজিট অনুমতি ছাড়াই বিমান দুটি দেশটির আকাশসীমায় প্রবেশ করায় রোববার ও সোমবার (১১ মে) এয়ার-পুলিশিং সতর্কতা জারি করা হয়।

অস্ট্রিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাইকেল বাউয়ার বলেন, সোমবার (১১ মে) স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ৩১ মিনিটে অননুমোদিত উড্ডয়নের বিষয়টি শনাক্ত করতে দুটি ইউরোফাইটার যুদ্ধবিমান পাঠানো হয়।

তিনি জানান, অস্ট্রিয়ার যুদ্ধবিমান আকাশে গিয়ে মার্কিন বিমানগুলোকে শনাক্ত করার পর সেগুলো ঘুরে দাঁড়ায় ও জার্মানির মিউনিখে ফিরে যায়। বাউয়ার আরও নিশ্চিত করেন, একই বিমান রোববারও (১০ মে) অস্ট্রিয়ার আকাশে দেখা গিয়েছিল। সে সময়ও অস্ট্রিয়া যুদ্ধবিমান পাঠিয়েছিল।

এই ঘটনাগুলো কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে মোকাবিলা করা হবে বলেও জানান তিনি। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে নিজেদের আকাশসীমার ওপর নজরদারি আরও জোরদার করেছে অস্ট্রিয়া।

গত মাসে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নেওয়া মার্কিন সামরিক বিমানগুলোকে অস্ট্রিয়ার আকাশসীমা ব্যবহার করতে নিষেধ করেছিল ভিয়েনা। দেশটির নিরপেক্ষতা আইনকে কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল।

এদিকে, অস্ট্রিয়ার ভাইস চ্যান্সেলর আন্দ্রেয়াস বাবলার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, অস্ট্রিয়ার জনগণ ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশৃঙ্খলার রাজনীতি ও তার যুদ্ধের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক রাখতে চায় না।

তিনি আরও লেখেন, নিরপেক্ষতা আমাদের দেশের একটি মূল্যবান সম্পদ। যুদ্ধকে না বলুন।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

এসএএইচ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।