৬১ সেকেন্ডে মিনিট!
লিপ সেকেন্ড বা অধি সেকেন্ডের কারণে আগামী ৩০ জুন গ্রিনিচ মান সময় ২৩টা ৫৯ মিনিটের পর ৬১ সেকেন্ড দীর্ঘ এক মিনিট পার করবে বিশ্ববাসী।
বিজ্ঞানীরা জানান, সূর্য ও চাঁদের আকর্ষণের দ্বন্দ্বের কারণেই পৃথিবীর আবর্তন প্রভাবিত হয় এবং এ সেকেন্ডটির হেরফের ঘটে। এ নিয়ে যে পৃথিবীর খুব অল্প মানুষই সচেতন রয়েছেন।
তবে ঘড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য এটা একটা বেশ বড় বিষয়। এই অতিরক্ত সেকেন্ডটি কি ঘড়ির সময়ের সঙ্গে যোগ করা উচিত, নাকি এড়িয়ে যাওয়াই ভালো হবে তাদের মাঝে এ নিয়ে বেশ বিতর্ক চলছে।
পৃথিবীর আবর্তন বিভাগের পরিচালক ড্যানিয়েল গ্যাম্বিস আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, যদি এই অতিরিক্ত সেকেন্ডটি যোগ করা হয় তাহলে বেশ বড় একটা জটিলতার মুখোমুখি হতে হবে।
তিনি আরো জানান, পুরনো ধাঁচের ঘড়িগুলোতে এই সেকেন্ড যোগ করার দরকার নেই। বরং এ সেকেন্ডটি যোগ করতে হবে সবচেয়ে আধুনিক ও সবচেয়ে নিখুঁত সময় প্রদর্শনকারী পরমাণু-ঘড়িগুলোতে। যেগুলো নিজের প্রতিটি টিকটিক শব্দকে মেপে নেয় পরমাণু কম্পনাঙ্ক অনুযায়ী।
গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেমের (জিপিএস) কৃত্রিম উপগ্রহগুলোর সময় মাপা হয় সিজিয়াম ও রুবিডিয়ামের পরমাণু ঘড়িগুলোর মাধ্যমে। কৃত্রিম উপগ্রহগুলোর সেট-নেভ রিসিভারগুলো যাতে পৃথিবীকে ঘিরে নিজেদের মাঝে ত্রিকোণীয় কাঠামো বজায় রাখতে পারে তার জন্য পরমাণু ঘড়িগুলোকে সামঞ্জস্যপূর্ণ সংকেত পাঠাতে হয়। সেক্ষেত্রে পরমাণু ঘড়িগুলোতে এই অতিরিক্ত সেকেন্ড যোগ করা জরুরি।
এসকেডি/আরআইপি