পৃথিবীর মঙ্গল থেকে ফিরলেন ৬ বিজ্ঞানী


প্রকাশিত: ০২:০১ পিএম, ১৯ জুন ২০১৫

মঙ্গল গ্রহে যাবার প্রস্তুতি নিয়ে ফেললেন ছয় যুবক। পৃথিবীতেই গড়ে তোলা কৃত্রিম মঙ্গলে সেই প্রস্তুতির অংশ হিসেবে কাটিয়ে এলেন আট মাস। ছয় হাজার ফুট উচ্চতার একটি একটা গুহাতে। আর ওর মধ্যেই তৈরি করা আস্ত মঙ্গল গ্রহ। ছয় বিজ্ঞানী আট মাস ধরে ছিলেন সেই মঙ্গল গ্রহেই। লক্ষ্য একটাই, মঙ্গলে যাওয়ার আগে পুরোপুরি তৈরি হয়ে নেয়া।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের এক ঘুমন্ত আগ্নেয়গিরির ওপর তৈরি হয়েছিল ওই কৃত্রিম মঙ্গল গুহা। যার মধ্যে আট মাস ধরে লাল গ্রহে থাকার সর্বোচ্চ পর্যায়ের ট্রেনিং সারলেন ছয় বিজ্ঞানী। গত বছরের অক্টোবর মাস থেকে শুরু হওয়া ট্রেনিং সেশনে `মহাকাশচারী` খাওয়া দাওয়া থেকে শুরু করে স্নান, হাঁটাচলা সবই হয়েছে একেবারে মঙ্গল গ্রহের আদলে।

গুহার বাইরে তারা যে কয়বার বের হয়েছেন তাদের অনুমতি নিতে হয়েছে গ্রাউন্ড কন্ট্রোলের। স্পেস স্যুট পরে একেবারে মঙ্গলে হেঁটে চলা বেরানোর মতো করে তারা হাওয়াই দ্বীপের ঘুমন্ত আগ্নেয়গিরির ওপর হেঁটে চলেছেন।

এ আট মাস ধরে বিজ্ঞানীদের শারীরক অবস্থা ও ব্যক্তিগত সম্পর্কের বিষয়টা ভালো করে নজরে রাখা হলো। যাতে আসল মঙ্গল অভিযানের সময় ঠিক কী কী সমস্যা তৈরি হতে পারে।

অভিযানের বিজ্ঞানী তথা পারডু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জোসেলিন ডান জানালেন, মাটিতে ফিরে এসে তার দারুণ লাগছে, তবে এই আট মাস সহকর্মীদের সঙ্গে `মঙ্গল`এর সম্পর্কটা মিস করবো।

কৃত্রিম মঙ্গলে বিজ্ঞানীরা কী খেলেন? মহকাশচারীরা যেমন শুকনো ফল খান তেমনই খেলেন এ ছয় বিজ্ঞানী। গ্রাউন্ড কন্ট্রোলে যোগাযোগের ২০ মিনিট পর উত্তর এলো।

ঠিক যেমনটা হবে মঙ্গলে গেলে। সপ্তাহে মাত্র ছয় মিনিটে স্নানের সুযোগ মিলবে। কারণ মূল্যবান পানিকে যতটা সম্ভব বাঁচিয়ে রাখা।

বিএ/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।