আমরা কাশ্মীরি ভাইদের পাশে থাকবো : পারভেজ মুশাররফ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১২:২১ পিএম, ০৮ অক্টোবর ২০১৯

‘কাশ্মীর পাকিস্তানের রক্তে মিশে আছে। যেকোনো ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হোক না কেন, আমরা কাশ্মীরি ভাইদের পাশে থাকবো।’ সোমবার পাকিস্তানের সাবেক স্বৈরশাসক ও সেনাপ্রধান পারভেজ মুশাররফ এ মন্তব্য করেছেন। এছাড়া রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় দুবাইয়ে পলাতক সাবেক এই স্বৈরশাসক আবারও পাকিস্তানের রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার ইঙ্গিতও দিয়েছেন।

পাকিস্তানের রক্তে কাশ্মীরের অবস্থান উল্লেখ করে সাবেক এই পাক প্রেসিডেন্ট কারগিল যুদ্ধের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। তার দাবি, ইসলামাবাদের শান্তিপূর্ণ পদক্ষেপ সত্ত্বেও ভারত বার বার পাকিস্তানকে হুমকি দিয়েছিল।

অল পাকিস্তান মুসলিম লীগের (এপিএমএল) ৭৬ বছর বয়সী এই চেয়ারম্যান দলটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে দুবাই থেকে টেলিফোনে ইসলাবাদে নেতাকর্মীদের এক সমাবেশে ভাষণ দিয়েছেন। স্বাস্থ্যের অবনতি হওয়ায় পাকিস্তানের সাবেক এই প্রেসিডেন্ট বর্তমানে দুবাইয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। গত বছর রাজনীতি থেকে বিরতি নেয়ার পর চিকিৎসার জন্য দুবাইয়ে যান।

গত ৫ আগস্ট ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিলের পর এই প্রথম কাশ্মীর সঙ্কট নিয়ে কথা বললেন পারভেজ মুশাররফ। তিনি বলেছেন, ‘যা কিছুই ঘটুক না কেন, আমরা আমাদের কাশ্মীরি ভাইদের পাশে দাঁড়ানো অব্যাহত রাখবো। পাকিস্তানের শান্তির আকাঙ্ক্ষাকে দুর্বলতা হিসেবে দেখা উচিত নয়।’

২০১৬ সালের মার্চ থেকে দুবাইয়ে বসবাস করছেন পাকিস্তানের সাবেক এই স্বৈরশাসক। ২০০৭ সালে সংবিধান স্থগিত করে ক্ষমতা দখল করায় সাবেক এই সেনাপ্রধানের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

পাকিস্তানি গণমাধ্যমের খবরে বলা হচ্ছে, স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটলে রাজনীতিতে ফিরতে পারেন বলে পরিকল্পনা করেছেন পারভেজ মুশাররফ। নিজের শারীরিক অবস্থার ব্যাপারে সাবেক পাক প্রধান বলেন, তিনি অ্যামাইলোডোসিসে ভুগছেন। বিরল এই রোগের চিকিৎসার জন্য তিনি দুবাইয়ে রয়েছেন।

১৯৯৯ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত পাকিস্তান শাসন করেন পারভেজ মুশাররফ। দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভূট্টোকে গুপ্তহত্যা ও লাল মসজিদের ধর্মগুরু হত্যা মামলায় পারভেজ মুশাররফকে ফেরারি আসামি হিসেবে ঘোষণা দেয়া হয়েছে।

সূত্র : পিটিআই।

এসআইএস/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]