করোনার বিপর্যয় কাটিয়ে যেভাবে সচল হলো চীনের অর্থনীতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৮:৫৭ এএম, ০৬ ডিসেম্বর ২০২০

চীনে করোনাভাইরাস মহামারি হানা দেবার এক বছর পর চীনের অর্থনীতি আবারও ঘুরে দাঁড়িয়েছে। যদিও এই অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবনের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে সরকারের নেয়া ঋণ এবং ধনী ব্যক্তিদের ব্যয় করা বিপুল পরিমাণ অর্থ।

কিন্তু চীনের সাধারণ নাগরিকদের জন্য এটা নিঃসন্দেহে একটি দারুণ খবর। পান রুন পিংয়ের মতো অনেকেই এটাকে ভালো ভাবেই দেখছেন। তিনি থাকেন সাংহাইয়ে। সেখানে কাজ করেন পানশালা এবং রেস্তোরাঁয়। তিনি কাজে ফিরে গেছেন। কিন্তু বিদেশে চীনাদের যেভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে তাতে উদ্বিগ্ন পান রুন পিং।

তিনি বলেন, ‘যেসব চীনা বিদেশে বসবাস করেন, আমি চাই না তারা হয়রানির শিকার হোক। আমরা সুস্থ ও স্বাভাবিক আছি, বিদেশে থাকা চীনারা তো কোন দোষ করেনি।’

কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবে চীনের অর্থনীতি স্থবির হয়ে পড়ার পর এক বছর কেটে গেছে। ২৭ বছর বয়সী পান তার পানশালায় বিভিন্ন ধরনের পানীয় বিক্রি করেন। তার চেয়ে এক বছরের বড় বোন ঝৌ সি ই। তিনি চামড়ার ব্যবসা করেন। নিজের সাততলা বাড়িতেই ঝৌ চামড়ার হাতব্যাগ আর ওয়ালেট বানান। তিনি বলেন তিনি খুবই দেশপ্রেমী। তার মা ক্ষমতাসীন কম্যুনিস্ট পার্টির সদস্য।

চীনে অথনীতির ভিত ‘শক্ত পাথরের মত, ভাইরাস তাকে পরাস্ত করতে পারবে না’ বলে মনে করেন ঝৌ। তবে তার মতে এই ভাইরাসের বিস্তার যে চীন থেকে ঘটেছে সেজন্য অবশ্যই চীনের দুঃখিত হওয়া উচিত। চীনে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সরকারি হিসাব নিয়ে প্রথমদিকে ব্যাপক সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছিল। কিন্তু আক্রান্তের সংখ্যা যাই হোক, চীন দ্রুত এই ভাইরাস নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়েছে।

ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে দেশটির কোন কোন অঞ্চলে কঠোর লকডাউন দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি উন্নত নজরদারি ব্যবস্থা ও গণহারে পরীক্ষা চালানো হয়েছে। চীনের মত এতো ব্যাপকমাত্রায় পরীক্ষা পৃথিবীর আর কোন দেশে চালানো হয়নি।

ট্র্যাকিং ও ট্রেসিং বা আক্রান্তদের চিহ্ণিত করে তাদের এবং কারা তাদের সংস্পর্শে এসেছে সেটা খুঁজে বের করাই চীনের সাফল্যের বড় চাবিকাঠি। আর এর মাধ্যমেই চীনের অর্থনীতির দ্রুত পুনরুজ্জীবন ঘটেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

ঝৌয়ের মতো ছোট ব্যবসায়ীদের জন্য এটা সত্যিকারের সুখবর। মানুষ নতুন করে তাকে ব্যাগের অর্ডার দিতে শুরু করেছে। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একটি গাড়ি নির্মাণ সংস্থায় তার স্বামী কাজ করে। সেখানেও আবারও ক্রেতাদের ভিড় বাড়তে শুরু করেছে।

তিনি মনে করেন, চীনের সাফল্যের একটা ‘গোপন চাবিকাঠি’ রয়েছে যেভাবে দেশ পরিচালনা করা হয় তার মধ্যে। তিনি বলেন, আমাদের নেতাই প্রধান এবং সবাই তাকে মানে, এটাই আসল কথা।

মহামারি ছড়ানোর ক্ষেত্রে চীন ভুল করেছে কিনা বা ভাইরাস সেদেশ থেকে ছড়ানোয় চীন দুঃখপ্রকাশ কেন করেনি, এগুলো রাজনীতির ব্যাপার বলে ঝৌ মনে করেন। তিনি বলেন, ‘সাধারণ মানুষ হিসেবে আমাদের খারাপ লাগে, আমরা দুঃখ প্রকাশ করতে পারি, কিন্তু নেতারা হয়ত অত সহজে সেটা করতে পারেন না। তাদের হয়ত কারণ থাকতে পারে।’

কিন্তু বড় কথা হলো চীনের সরকারের দেয়া পরিসংখ্যান থেকে দেখা যাচ্ছে, দেশটিতে অর্থনীতির পুনরুদ্ধার হয়েছে দ্রুতগতিতে। অনেকে এটাকে দৃঢ় হাতে পরিস্থিতি মোকাবিলার লক্ষণ হিসাবে দেখছেন। অনেক পর্যবেক্ষক আবার বলছেন অর্থনীতি সবক্ষেত্রে সমানভাবে সচল হয়নি। পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মাইকেল পেট্টিস বলেছেন, চীনের অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন অনেকটা একপেশে।

তার মতে, ‘অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়িয়েছে প্রায় পুরোটাই সরবরাহ ও উৎপাদন ক্ষেত্রে। কিন্তু অর্থনীতির চাহিদার দিকে সেভাবে উন্নতি দেখা যায়নি।’ তিনি বলছেন, চীন সরকার অবকাঠামো বা শিল্প উৎপাদন চালু রাখতে প্রথমেই ঋণের অর্থ জুগিয়ে উৎপাদন বাড়ানোর যে কৌশল নিয়েছে সেটাই এই ভারসাম্যহীনতার একটা কারণ।

অধ্যাপক পেট্টিস মনে করছেন এর ফলে উৎপাদন হচ্ছে প্রচুর, কিন্তু বাজারে কেনার মত খদ্দের তুলনামূলকভাবে কম। যারা অর্থ ব্যয় করতে শুরু করেছেন তারা কিনছেন নতুন গাড়ি বা তারা বিমান ভ্রমণের দিকে ঝুঁকছেন।

পানশালার কর্মী পানও একথার সমর্থন করেছেন। তিনি বলেন, তাদের পানশালা বিত্তশালীদের জন্য অর্থাৎ একটু দামী পর্যায়ের। সেখানে অনেক মানুষ আসতে শুরু করেছেন। তবে এরা হলেন এমন মানুষ যাদের পকেটে অর্থ আছে।

তবে তিনি অবশ্য তাতে সন্তুষ্ট হয়ে বসে নেই। তিনি অর্থ সঞ্চয় করতে শুরু করেছেন। তিনি বলছেন, ‘এ বছর চাকরির বাজার বেশ খারাপ। আমাদের মত যারা অভিবাসী কর্মী অর্থাৎ অন্য রাজ্য থেকে চাকরি করতে বড় বড় শহরগুলোতে আসছি, আমাদের জন্য এটা খুবই কঠিন সময়।’

পান দক্ষিণ চীনের ইউনান প্রদেশের বাসিন্দা, যার দূরত্ব সাংহাই থেকে এক হাজার মাইলের বেশি। পান রুন পিংয়ের মতো চীনের কয়েক কোটি মানুষ ভাল চাকরির খোঁজে এবং উন্নত জীবনের আশায় বড় শহরগুলোতে আসেন। তবে করোনার কারণে ব্যবসা বাণিজ্য সব বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং তারপর অর্থনীতিতে ধস নামায় পানের মতো পরিযায়ী শ্রমিকদের বেশ ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

করোনা মহামারির কারণে পানের কিছু বন্ধু নিজেদের শহরে বা গ্রামে ফিরে গেছেন। তারা আর সাংহাইতে ফিরে আসেননি। তারা স্থানীয়ভাবে সরকারি চাকরি বা সরকারি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোতে কাজ নিয়েছেন। কারণ তারা জানেন সরকারি চাকরিতে তাদের জন্য এক ধরনের নিশ্চয়তা রয়েছে।

পান বলেন, আমি যদি আমার নিজের শহরে ফিরে যাই, আমিও কিন্তু চাইব সরকারি কোন প্রতিষ্ঠানে চাকরি নিতে। কারণ সরকারি চাকরি নিরাপদ এবং সরকারি চাকরি আমাকে জীবনে একটা স্থায়ী নিরাপত্তা দেবে। কিন্তু তিনি সাংহাইতেই থেকে যাবার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি চাইছেন তার নিজের পানশালার ব্যবসা চালিয়ে নিয়ে যেতে।

তবে এটা খুবই স্পষ্ট যে ভাইরাস মহামারির আগে চীনে যে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার পরিবেশ ছিল, সেটা মানুষ আবার অনেকাংশে ফিরে পেয়েছে।

অর্থনীতি এতটাই স্থিতিশীল হয়েছে বলে সরকার মনে করছে যে, তারা তাদের পরবর্তী পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা তৈরির প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছে। এই পরিকল্পনা চীনা কম্যুনিস্ট পার্টির আর্থসামাজিক কৌশলের একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটাও স্পষ্ট যে, ২০২০ সালে চীনই হতে যাচ্ছে পৃথিবীর একমাত্র বড় অর্থনীতির দেশ যাদের অর্থনীতি উর্ধ্বমুখী হয়েছে বলে দেখা যাবে।

টিটিএন/এমএস

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৯,৭৯,৫৩,২৮১
আক্রান্ত

২০,৯৫,৮৫০
মৃত

৭,০৩,২২,৮১৪
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৫,৩০,২৭১ ৭,৯৬৬ ৪,৭৫,০৭৪
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২,৫১,৩৯,৮৪৯ ৪,১৮,৮৩৫ ১,৫০,৪০,৫৬৫
ভারত ১,০৬,২৫,৪২০ ১,৫৩,০৫৩ ১,০২,৮১,৩৯১
ব্রাজিল ৮৬,৯৭,৩৬৮ ২,১৪,১৪৭ ৭৫,৬৪,৬২২
রাশিয়া ৩৬,৫৫,৮৩৯ ৬৭,৮৩২ ৩০,৫৪,২১৮
যুক্তরাজ্য ৩৫,৪৩,৬৪৬ ৯৪,৫৮০ ১৫,৮৬,৭০৭
ফ্রান্স ২৯,৮৭,৯৬৫ ৭১,৯৯৮ ২,১৪,৫৩৮
স্পেন ২৫,৬০,৫৮৭ ৫৫,০৪১ ১,৯৬,৯৫৮
ইতালি ২৪,২৮,২২১ ৮৪,২০২ ১৮,২৭,৪৫১
১০ তুরস্ক ২৪,১২,৫০৫ ২৪,৬৪০ ২২,৯০,০৩২
১১ জার্মানি ২১,০৮,৮৭০ ৫১,১৫০ ১৭,৬২,২০০
১২ কলম্বিয়া ১৯,৫৬,৯৭৯ ৪৯,৭৯২ ১৭,৮৬,১৭০
১৩ আর্জেন্টিনা ১৮,৩১,৬৮১ ৪৬,২১৬ ১৬,১৩,৭৭৩
১৪ মেক্সিকো ১৬,৮৮,৯৪৪ ১,৪৪,৩৭১ ১২,৬৪,৭৮০
১৫ পোল্যান্ড ১৪,৫৭,৭৫৫ ৩৪,৫৬১ ১২,১৫,৭৩২
১৬ দক্ষিণ আফ্রিকা ১৩,৮০,৮০৭ ৩৯,৫০১ ১১,৮৩,৪৪৩
১৭ ইরান ১৩,৫৪,৫২০ ৫৭,১৫০ ১১,৪৪,৫৪৯
১৮ ইউক্রেন ১১,৭৭,৬২১ ২১,৪৯৯ ৯,১৪,৭৩০
১৯ পেরু ১০,৭৮,৬৭৫ ৩৯,১৫৭ ৯,৯৩,৫০৯
২০ ইন্দোনেশিয়া ৯,৫১,৬৫১ ২৭,২০৩ ৭,৭২,৭৯০
২১ নেদারল্যান্ডস ৯,৩২,৮৮৪ ১৩,৩৩৭ ২৫০
২২ চেক প্রজাতন্ত্র ৯,১৭,৩৫৯ ১৪,৯৭৩ ৭,৮২,৫৫৮
২৩ কানাডা ৭,২৯,৭৫১ ১৮,৫৭৩ ৬,৪৩,৩৪৫
২৪ রোমানিয়া ৭,০৩,৭৭৬ ১৭,৫৫৪ ৬,৪১,২৮৮
২৫ চিলি ৬,৮৫,১০৭ ১৭,৭০২ ৬,৪২,০০৪
২৬ বেলজিয়াম ৬,৮৪,২৫৬ ২০,৫৭২ ৪৭,৫১৫
২৭ ইরাক ৬,১১,৪০৭ ১২,৯৭৭ ৫,৭৬,৭২৫
২৮ পর্তুগাল ৫,৯৫,১৪৯ ৯,৬৮৬ ৪,৩৪,২৩৭
২৯ ইসরায়েল ৫,৮২,৮৬৯ ৪,২৪৫ ৪,৯৭,৫৭৮
৩০ সুইডেন ৫,৪২,৯৫২ ১০,৯২১ ৪,৯৭১
৩১ পাকিস্তান ৫,২৭,১৪৬ ১১,১৫৭ ৪,৮০,৬৯৬
৩২ ফিলিপাইন ৫,০৭,৭১৭ ১০,১১৬ ৪,৬৭,৪৭৫
৩৩ সুইজারল্যান্ড ৫,০৭,১২৩ ৮,৯৩৮ ৩,১৭,৬০০
৩৪ মরক্কো ৪,৬৩,৭০৬ ৮,০৭৬ ৪,৩৯,৩০১
৩৫ অস্ট্রিয়া ৩,৯৯,৭৯৮ ৭,২৮৮ ৩,৭৬,৩৬০
৩৬ সার্বিয়া ৩,৭৯,০৯৩ ৩,৮৩০ ৩১,৫৩৬
৩৭ সৌদি আরব ৩,৬৫,৭৭৫ ৬,৩৪২ ৩,৫৭,৩৩৭
৩৮ হাঙ্গেরি ৩,৫৫,৬৬২ ১১,৭১৩ ২,৩৫,২৭৬
৩৯ জাপান ৩,৪৫,২২১ ৪,৭৪৩ ২,৭৩,১৮৭
৪০ জর্ডান ৩,১৮,১৮১ ৪,১৯৮ ৩,০৪,২০০
৪১ পানামা ৩,০৩,৭৭৭ ৪,৯১২ ২,৪৬,৪৫২
৪২ লেবানন ২,৬৯,২৪১ ২,১৫১ ১,৫৮,৮২২
৪৩ নেপাল ২,৬৮,৬৪৬ ১,৯৭৯ ২,৬২,৮৬৮
৪৪ সংযুক্ত আরব আমিরাত ২,৬৭,২৫৮ ৭৬৬ ২,৩৯,৩২২
৪৫ জর্জিয়া ২,৫১,০৭১ ২,৯৯৮ ২,৩৮,১০১
৪৬ ইকুয়েডর ২,৩৬,১৮৯ ১৪,৫২৬ ১,৯৯,৩৩২
৪৭ বেলারুশ ২,৩২,২৯৮ ১,৬১৯ ২,১৬,৭৪৪
৪৮ স্লোভাকিয়া ২,৩১,২৪২ ৩,৮০১ ১,৮১,১২৯
৪৯ আজারবাইজান ২,২৮,২৪৬ ৩,০৫৩ ২,১৮,৩৮৭
৫০ ক্রোয়েশিয়া ২,২৭,৩২৬ ৪,৭৩৮ ২,১৯,০৮২
৫১ বুলগেরিয়া ২,১৩,৪০৯ ৮,৬৫১ ১,৭৫,০৯৮
৫২ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ১,৯৯,৬৭২ ২,৪৮২ ১,৪৬,০২০
৫৩ বলিভিয়া ১,৯৩,৭৪৫ ৯,৭৬৪ ১,৪৬,৫৭৮
৫৪ ডেনমার্ক ১,৯২,২৬৫ ১,৯০৯ ১,৭৬,০০৩
৫৫ তিউনিশিয়া ১,৯০,৮৮৪ ৫,৯৮৯ ১,৩৭,৪৬০
৫৬ কোস্টারিকা ১,৮৭,৭১২ ২,৪৯২ ১,৪৪,৮৭৭
৫৭ আয়ারল্যান্ড ১,৮১,৯২২ ২,৮১৮ ২৩,৩৬৪
৫৮ লিথুনিয়া ১,৭৩,৮১৯ ২,৫৫৪ ১,১৩,৩৬৪
৫৯ মালয়েশিয়া ১,৭২,৫৪৯ ৬৪২ ১,৩০,১৫২
৬০ কাজাখস্তান ১,৭২,৪১২ ২,৪০৩ ১,৫৬,৫২১
৬১ আর্মেনিয়া ১,৬৫,৫২৮ ৩,০২১ ১,৫৪,০৪৬
৬২ কুয়েত ১,৫৯,৮৩৪ ৯৫১ ১,৫২,৮২৬
৬৩ মিসর ১,৫৮,৯৬৩ ৮,৭৪৭ ১,২৪,৬০৫
৬৪ মলদোভা ১,৫৪,৭৮৮ ৩,৩১৫ ১,৪৫,১৬৮
৬৫ স্লোভেনিয়া ১,৫৪,৩০৬ ৩,২৮৪ ১,৩১,৩৭৭
৬৬ ফিলিস্তিন ১,৫৪,০৬৩ ১,৭৫৭ ১,৪২,৮১৯
৬৭ গুয়াতেমালা ১,৫২,৩৯৫ ৫,৩৮৯ ১,৩৬,৯৮০
৬৮ গ্রীস ১,৫০,৪৭৯ ৫,৫৭০ ১,৩৮,৭৪৮
৬৯ কাতার ১,৪৮,২৫৮ ২৪৮ ১,৪৪,৪৭৮
৭০ হন্ডুরাস ১,৩৬,৮৯৮ ৩,৪০৬ ৬০,২১৭
৭১ মায়ানমার ১,৩৬,১৬৬ ৩,০১৩ ১,১৯,৯৭৩
৭২ ওমান ১,৩২,৪৮৬ ১,৫১৭ ১,২৪,৭৩০
৭৩ ইথিওপিয়া ১,৩২,৩২৬ ২,০৫৭ ১,১৮,০০৬
৭৪ প্যারাগুয়ে ১,২৪,৪৪৭ ২,৫৫৬ ১,০০,০৮৫
৭৫ ভেনেজুয়েলা ১,২১,৬৯১ ১,১২২ ১,১৩,৯৮২
৭৬ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ১,১৯,২০৬ ৪,৫৩৬ ৮৯,৮৮২
৭৭ নাইজেরিয়া ১,১৪,৬৯১ ১,৪৭৮ ৯২,৩৩৬
৭৮ লিবিয়া ১,১১,৭৪৬ ১,৭১৬ ৮৯,৯০৯
৭৯ আলজেরিয়া ১,০৪,৬০৬ ২,৮৪৯ ৭১,১২৭
৮০ কেনিয়া ৯৯,৬৩০ ১,৭৩৯ ৮৩,৩৫০
৮১ বাহরাইন ৯৮,৮৭৮ ৩৬৬ ৯৫,৫৯৪
৮২ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ৮৯,৮১৭ ২,৭৫৪ ৭৫,৩৮৭
৮৩ চীন ৮৮,৭০১ ৪,৬৩৫ ৮২,৪৬৮
৮৪ কিরগিজস্তান ৮৩,৫৮৫ ১,৪৯৮ ৭৯,৫০৯
৮৫ উজবেকিস্তান ৭৮,২১৯ ৬২০ ৭৬,৬৫৫
৮৬ দক্ষিণ কোরিয়া ৭৩,৯১৮ ১,৩১৬ ৬০,৮৪৬
৮৭ আলবেনিয়া ৬৯,৯১৬ ১,২৯৬ ৪২,৪২৬
৮৮ নরওয়ে ৬০,০৪৫ ৫৪৪ ৪৯,৮৩৫
৮৯ সিঙ্গাপুর ৫৯,২৩৫ ২৯ ৫৮,৯৫৯
৯০ ঘানা ৫৮,৮২২ ৩৫৮ ৫৬,২৮৬
৯১ লাটভিয়া ৫৮,৭১০ ১,০৫৭ ৪২,৫১৭
৯২ মন্টিনিগ্রো ৫৬,৯৯৮ ৭৬২ ৪৭,৯৭৪
৯৩ শ্রীলংকা ৫৬,০৭৬ ২৭৬ ৪৭,৯৮৪
৯৪ আফগানিস্তান ৫৪,৪৮৩ ২,৩৭০ ৪৬,৮৮৭
৯৫ এল সালভাদর ৫১,৪৩৭ ১,৫৩০ ৪৫,৯৬০
৯৬ লুক্সেমবার্গ ৪৯,৩১৯ ৫৬২ ৪৬,৪৯৯
৯৭ জাম্বিয়া ৪২,২১৩ ৫৯৭ ৩১,৫২২
৯৮ ফিনল্যাণ্ড ৪১,৫৬৫ ৬৩৩ ৩১,০০০
৯৯ এস্তোনিয়া ৩৯,২১২ ৩৫৪ ২৮,৭৪৩
১০০ উগান্ডা ৩৮,৮০৬ ৩১৬ ১৩,৬৯৯
১০১ উরুগুয়ে ৩৪,২৯৪ ৩৩৬ ২৬,১১৮
১০২ নামিবিয়া ৩১,৫১৫ ৩১০ ২৯,২৩০
১০৩ সাইপ্রাস ২৯,৪৭২ ১৭৬ ২,০৫৭
১০৪ জিম্বাবুয়ে ২৯,৪০৮ ৮৭৯ ১৯,২৫৩
১০৫ মোজাম্বিক ২৯,৩৯৬ ২৭১ ১৯,৪৮৪
১০৬ অস্ট্রেলিয়া ২৮,৭৫০ ৯০৯ ২৫,৯৫৬
১০৭ ক্যামেরুন ২৮,০১০ ৪৫৫ ২৬,৮৬১
১০৮ সুদান ২৬,২৭৯ ১,৬০৩ ১৫,৬৮৮
১০৯ আইভরি কোস্ট ২৫,৫৯৭ ১৪২ ২৩,৮৬৭
১১০ সেনেগাল ২৩,৯০৯ ৫৫২ ১৯,৯১৬
১১১ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ২১,৩৯৮ ৬৪৪ ১৪,৮৬৫
১১২ কিউবা ১৯,৫৩০ ১৮৪ ১৪,৭৫৪
১১৩ অ্যাঙ্গোলা ১৯,১৭৭ ৪৪৮ ১৭,১৭৬
১১৪ বতসোয়ানা ১৮,৬৩০ ৮৮ ১৪,৬২৪
১১৫ মাদাগাস্কার ১৮,৩০১ ২৭৩ ১৭,৬০৯
১১৬ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ১৭,৬৯৭ ১২৭ ৪,৮৪২
১১৭ মালটা ১৬,২৮০ ২৪৫ ১৩,২৩৪
১১৮ মৌরিতানিয়া ১৬,২৬৬ ৪১০ ১৪,৯৭০
১১৯ মালাউই ১৬,০৪৯ ৩৯৬ ৬,৩১৪
১২০ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ১৫,৪৩১ ৭৬ ৯,৯৯৫
১২১ মালদ্বীপ ১৪,৭৬৫ ৫০ ১৩,৬৮৩
১২২ জ্যামাইকা ১৪,৫৫০ ৩৩১ ১১,৮০৯
১২৩ গিনি ১৪,২৩৬ ৮১ ১৩,৫০৯
১২৪ ইসওয়াতিনি ১৩,৭৮৯ ৪২৭ ৮,৬৫২
১২৫ সিরিয়া ১৩,৩৯৮ ৮৬৬ ৬,৮৪২
১২৬ তাজিকিস্তান ১৩,৩০৮ ৯০ ১৩,২১৮
১২৭ কেপ ভার্দে ১৩,২২৪ ১২১ ১২,৪০০
১২৮ থাইল্যান্ড ১২,৭৯৫ ৭১ ৯,৮৪২
১২৯ রুয়ান্ডা ১২,১৭০ ১৬২ ৭,৯৭৩
১৩০ বেলিজ ১১,৬৪২ ২৮৬ ১০,৯১১
১৩১ হাইতি ১০,৯৬৩ ২৪০ ৮,৯৫৯
১৩২ গ্যাবন ১০,১২০ ৬৬ ৯,৮০৯
১৩৩ হংকং ৯,৮৬৮ ১৬৭ ৮,৯০৪
১৩৪ রিইউনিয়ন ৯,৫৮৪ ৪৫ ৯,০৫৩
১৩৫ বুর্কিনা ফাঁসো ৯,৫৫৩ ১০৬ ৭,৬৩৭
১৩৬ এনডোরা ৯,৩৭৯ ৯৩ ৮,৪৭৪
১৩৭ গুয়াদেলৌপ ৮,৯৮০ ১৫৪ ২,২৪২
১৩৮ বাহামা ৮,০৮৮ ১৭৫ ৬,৭২০
১৩৯ মালি ৭,৮৯৭ ৩১৮ ৫,৬৫৮
১৪০ সুরিনাম ৭,৭৮৩ ১৪৬ ৬,৯৬৮
১৪১ কঙ্গো ৭,৭০৯ ১১৪ ৫,৮৪৬
১৪২ লেসোথো ৭,৫০৪ ১০৩ ১,৮৬৭
১৪৩ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৭,৪৫০ ১৩৩ ৬,৯৭৪
১৪৪ গায়ানা ৭,০১৫ ১৭০ ৬,২৬৬
১৪৫ মায়োত্তে ৬,৯৮১ ৫৮ ২,৯৬৪
১৪৬ আরুবা ৬,৬২৩ ৫২ ৬,০১৩
১৪৭ মার্টিনিক ৬,৩২৭ ৪৪ ৯৮
১৪৮ নিকারাগুয়া ৬,২০৪ ১৬৮ ৪,২২৫
১৪৯ আইসল্যান্ড ৫,৯৮১ ২৯ ৫,৮৪৬
১৫০ জিবুতি ৫,৯১৩ ৬১ ৫,৮২৮
১৫১ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৫,৩৬৫ ৮৬ ৫,১৯১
১৫২ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৪,৯৭৪ ৬৩ ৪,৮৮৫
১৫৩ সোমালিয়া ৪,৭৪৪ ১৩০ ৩,৬৬৬
১৫৪ কিউরাসাও ৪,৫৩৫ ২০ ৪,৩৯৩
১৫৫ টোগো ৪,৪৫৯ ৭৪ ৩,৮৬৫
১৫৬ নাইজার ৪,২৪৯ ১৪৭ ৩,৩২৪
১৫৭ গাম্বিয়া ৩,৯৩৮ ১২৮ ৩,৬৯৭
১৫৮ জিব্রাল্টার ৩,৮৪৫ ৫৩ ২,৯৯৪
১৫৯ দক্ষিণ সুদান ৩,৭৭৩ ৬৪ ৩,৫৪২
১৬০ বেনিন ৩,৫৫৭ ৪৬ ৩,২৮৪
১৬১ চ্যানেল আইল্যান্ড ৩,৩৯৮ ৭৮ ৩,১০৭
১৬২ সিয়েরা লিওন ৩,০৩০ ৭৭ ২,১০৯
১৬৩ চাদ ৩,০১২ ১১৪ ২,১৭৮
১৬৪ সান ম্যারিনো ২,৮৩৩ ৬৫ ২,৫৫৬
১৬৫ গিনি বিসাউ ২,৫১০ ৪৫ ২,৪০৫
১৬৬ ইয়েমেন ২,৪৩৬ ৬৬০ ১,৫৮০
১৬৭ লিচেনস্টেইন ২,৪১৫ ৫১ ২,৩২২
১৬৮ নিউজিল্যান্ড ২,২৬৭ ২৫ ২,১৬৬
১৬৯ কমোরস ১,৯৩৩ ৫৪ ১,২১০
১৭০ ইরিত্রিয়া ১,৯১০ ১,২৩৪
১৭১ লাইবেরিয়া ১,৯০১ ৮৪ ১,৭১৪
১৭২ সিন্ট মার্টেন ১,৭০৩ ২৭ ১,৫৪২
১৭৩ মঙ্গোলিয়া ১,৫৮৪ ১,০৪৬
১৭৪ ভিয়েতনাম ১,৫৪৬ ৩৫ ১,৪১১
১৭৫ বুরুন্ডি ১,৩২২ ৭৭৩
১৭৬ মোনাকো ১,২৮৭ ১,০৫৮
১৭৭ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ১,১৬৪ ৯৩৫
১৭৮ বার্বাডোস ১,১৫৬ ৪৯৩
১৭৯ সেন্ট মার্টিন ১,১৪৬ ১২ ১,০০৬
১৮০ তাইওয়ান ৮৭২ ৭৭১
১৮১ ভুটান ৮৫০ ৬৩১
১৮২ সিসিলি ৮৪৪ ৬১২
১৮৩ পাপুয়া নিউ গিনি ৮৩৫ ৭৯০
১৮৪ সেন্ট লুসিয়া ৭১৮ ৩৫৪
১৮৫ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৯৯
১৮৬ বারমুডা ৬৮৪ ১২ ৬১১
১৮৭ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ৬৫৫ ১২২
১৮৮ ফারে আইল্যান্ড ৬৫২ ৬৪৪
১৮৯ মরিশাস ৫৫৬ ১০ ৫১৮
১৯০ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৯১ কম্বোডিয়া ৪৫৩ ৩৯৬
১৯২ আইল অফ ম্যান ৪৩২ ২৫ ৪৫১
১৯৩ কেম্যান আইল্যান্ড ৩৮১ ৩৪১
১৯৪ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ৩৬০ ২৪৪
১৯৫ সেন্ট বারথেলিমি ৩০০ ২০৪
১৯৬ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ১৯০ ১৫৭
১৯৭ ব্রুনাই ১৭৪ ১৬৯
১৯৮ গ্রেনাডা ১৩৯ ১২৯
১৯৯ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ১১৪ ৯৫
২০০ ডোমিনিকা ১১৩ ১০৪
২০১ ফিজি ৫৫ ৫৩
২০২ পূর্ব তিমুর ৫৩ ৪৯
২০৩ ম্যাকাও ৪৬ ৪৬
২০৪ নিউ ক্যালেডোনিয়া ৪৪ ৪৩
২০৫ লাওস ৪১ ৪১
২০৬ সেন্ট কিটস ও নেভিস ৩৫ ৩৩
২০৭ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ৩৫ ২৯
২০৮ গ্রীনল্যাণ্ড ৩০ ২৯
২০৯ ভ্যাটিকান সিটি ২৭ ১৫
২১০ সলোমান আইল্যান্ড ১৭ ১০
২১১ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ১৬ ১৬
২১২ এ্যাঙ্গুইলা ১৫ ১৫
২১৩ মন্টসেরাট ১৩ ১৩
২১৪ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৫ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৬ ওয়ালিস ও ফুটুনা
২১৭ মার্শাল আইল্যান্ড
২১৮ সামোয়া
২১৯ ভানুয়াতু
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]