বন্যার পর চীনে এবার ঘূর্ণিঝড় ‘ইন-ফা’র আঘাত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৬:১০ পিএম, ২৫ জুলাই ২০২১

ভারি বৃষ্টিতে গত সপ্তাহ ধরে বিপর্যস্ত চীনের কয়েকটি প্রদেশ। বন্যা ও ভূমিধসে দেশটিতে এখন পর্যন্ত অন্তত ৫৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। সবচেয়ে বেশি খারাপ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে হেনান প্রদেশে। এর মাঝেই আজ রোববার স্থানীয় সময় দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে দেশটির পূর্ব উপকূলের ঝউশান শহরে আঘাত হানে শক্তিশালী টাইফুন ইন-ফা। বিবিসির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে। টাইফুনের আঘাতে এখনো কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে বিবিসি আরও জানায়, টাইফুনের প্রভাবে সাগর উত্তাল হতে পারে। ঝড়ের গতিবেগ ঘণ্টায় ১৩৭ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছেছে বলে জানা গেছে। সতর্কতা জারি করে উপকূলের মানুষকে অন্যত্র সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

ইন-ফার প্রভাবে ঝউশান শহরে বিমান ও রেল যোগাযোগ বন্ধ রাখা হয়েছে। সাংহাইয়ের দক্ষিণে একটি বন্দর থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বেশ কয়েকটি জাহাজ। শহরটিতে বেশকিছু পার্ক ও জাদুঘর বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

বন্যার পর চীনে এবার ঘূর্ণিঝড় ‘ইন-ফা’র আঘাত

বার্তা সংস্থা সিনহুয়া জানায়, ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় ঝেজিয়াং প্রদেশে কর্তৃপক্ষ স্কুল, বাজার ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশনা দিয়েছে।

টাইফুন ইন-ফা নিয়ে পূর্বাভাস দিয়েছে জাপান ও চীনের আবহাওয়া অধিদফতরগুলোও। জাপানের আবহাওয়া অফিস বলছে, পূর্ব উপকূল থেকে টাইফুনটি পশ্চিমে হ্যাংঝউ শহরের দিকে এগিয়ে যাবে।

jagonews24

এদিকে গত সপ্তাহে চীনের মধ্যাঞ্চলীয় প্রদেশ হেনানে আঘাত হানা প্রবল বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৮ জনে। প্রাণ বাঁচাতে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেয়া হয়েছে অন্তত ৪ লাখ ৯৫ হাজার বাসিন্দাকে। অনেকেই বিশুদ্ধ পানি ও খাবারবিহীন অবস্থায় আটকা পড়েছেন। আশঙ্কা করা হচ্ছে ভূমিধসে আটকা পড়ে থাকতে পারে আরও বহু মানুষ। এখনো উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

এসএনআর/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]