সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা জানতে ১৫০০ ক্যামেরা বসাবে ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০:৫০ এএম, ২৭ নভেম্বর ২০২১
ফাইল ছবি

পশ্চিমবঙ্গ সংবাদদাতা

বাঘের সংখ্যা জানতে সুন্দরবনে নিজেদের অংশে ক্যামেরা বসাতে চলেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বন দপ্তর। ৫ ডিসেম্বর থেকে সুন্দরবন ব্যাঘ্র প্রকল্প ও ২৪ পরগনা বন বিভাগ এলাকায় ক্যামেরা বসানোর কাজ শুরু হবে। চলবে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

ক্যামেরা বসানো এবং তা কীভাবে কাজ করবে, বাঘের গতিবিধি নির্ধারণ কীভাবে করা হবে এসব বিষয়ে ভারতের ২৪ পরগণার সুন্দরবনের সজনেখালিতে বনকর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত তিনদিনের এই প্রশিক্ষণে সুন্দরবন ব্যাঘ্র প্রকল্প ও ২৪ পরগনা বনবিভাগের বনকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। উড়িষ্যা ম্যানগ্রোভ বিভাগের পাঁচ বিশেষজ্ঞকেও নিযুক্ত করা হয়েছিল কর্মশালায়।

প্রথম ক্যামেরা ট্রাপিংয়ের কাজ শুরু হবে সুন্দরবন ব্যাঘ্র প্রকল্প এলাকায়। এ জন্য বনকর্মীদের ১০টি বিশেষ দল করা হচ্ছে। যারা জঙ্গলে ক্যামেরা বসানোর কাজ করবেন। এক একটি দলে অন্তত ১২-১৫ জন করে বনকর্মীরা থাকবেন বলে জানা গিয়েছে।

এক একটি জায়গা চিহ্নিত করে সেখানে দুটি করে ক্যামেরা লাগানো হবে। যাতে ক্যামেরার কাছে বাঘ এলে তার সামনে-পেছনের ছবি ধরা পড়ে। নির্দিষ্ট সময় পর সেই ক্যামেরা খুলে তাতে ওঠা ছবি বিশ্লেষণ করে বাঘের সংখ্যা নির্ধারণ করবেন বিশেষজ্ঞরা।

পশ্চিমবঙ্গের বন দপ্তরের সূত্রে জানা গেছে, সুন্দরবন ব্যাঘ্র প্রকল্পে সাহায্য করবে ভারতের ‘ডাবলু ডাবলু এফ নামে’ একটি বেসরকারি সংস্থা। সুন্দরবন ব্যাঘ্র প্রকল্প এলাকায় প্রায় সাড়ে ১১’শ ক্যামেরা বসানো হবে। যার জন্য সাড়ে ৭০০ এর কাছাকাছি জায়গা চিহ্নিত করা হচ্ছে।

অন্যদিকে ২৪ পরগনা বনবিভাগ এলাকায় ৩০০ এর কাছাকাছি ক্যামেরা বসানো হবে। সব মিলিয়ে মোট এক হাজার ৫০০ ক্যামেরা বসিয়ে বাঘের সংখ্যা নির্ধারণ করা হবে। এবারই প্রথম মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করা হচ্ছে বাঘ গণনার ক্ষেত্রে।

আগে পায়ের ছাপ দেখে বাঘ গণনা হলেও বেশ কয়েক বছর ধরে ক্যামেরা ট্রাপিং পদ্ধতিতে বাঘের সংখ্যার অনুমান করার কাজ শুরু হয়েছে সুন্দরবনে। জিপিএস ও ইনফ্রারেড প্রযুক্তি সম্বলিত হাই-রেজুলেশন নাইট ভিসন ক্যামেরা দিয়ে দিন-রাতে যে কোনো সময় ছবি ধরা পড়বে।

২০১৮ সালে শেষ পাওয়া শুমারি অনুযায়ী ভারতের অংশে সুন্দরবনে ৯৬টির মতো বাঘ রয়েছে।

জেডএইচ/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]