চীন ছাড়ছে পর্যটকদের সেবায় নিয়োজিত এয়ারবিএনবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০:৪৬ এএম, ২৪ মে ২০২২
ছবি: সংগৃহীত

চীনের জিরো-কোভিড পলিসির আওতায় লকডাউন ও বিধিনিষেধ এখন জারি থাকায় দেশটি থেকে অভ্যন্তরীণ ব্যবসা বাণিজ্য গুটিয়ে নিচ্ছে পর্যটকদের বিভিন্ন সেবা প্রদানকারী অনলাইনভিত্তিক কোম্পানি এয়ারবিএনবি। সংশ্লিষ্ট এক সূত্র জানিয়েছে, সান ফ্রান্সিকোভিত্তিক কোম্পানিটির ওয়েবসাইট থেকে দেশটির বাড়িঘরের ছবিসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি গ্রীষ্মের মধ্যে সরিয়ে ফেলা হবে।

গত কয়েক বছরে চীনের অভ্যন্তরীণ বাজার থেকে এয়ারবিএনবির আয়ের মাত্র ১ শতাংশ এসেছে। তবে এটি এখনও বেইজিংয়ে অফিস চালু রাখবে। ভবিষ্যতে বিধিনিষেধ শিথিল হলে বহির্মুখী পর্যটনের উন্নতি হওয়ার আশা করছে তারা। এয়ারবিএনবি ২০১৬ সালে চীনে তার কার্যক্রম শুরু করেছিল এবং তখন থেকে আড়াই কোটি মানুষ বাড়ি ভাড়ার জন্য বুকিং করে এতে। কিন্তু ২০২০ সাল থেকে, চীন বিশ্বের সবচেয়ে কঠিন কোভিড বিধিনিষেধের মধ্যে রয়েছে, যা দেশের মধ্যে এবং আশেপাশে ভ্রমণ বাণিজ্যকে অত্যন্ত কঠিন করে তুলেছে।

সংস্থাটি এই সিদ্ধান্তের বদলে অন্যান্য গন্তব্যে বিদেশে ভ্রমণকারী চীনা বাসিন্দাদের দিকে মনোনিবেশ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জাতিসংঘের বিশ্ব পর্যটন সংস্থার মতে, মহামারির আগে বিদেশগামী চীনা ভ্রমণকারীর সংখ্যা এক দশকেরও কম সময়ের মধ্যে তিনগুণ বেড়ে গিয়েছিল। ২০১৯ সালে সেই সংখ্যা ছিল সাড়ে ১৫ কোটি।

এয়ারবিএনবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ব্রায়ান চেস্কি জানান, এমনিতেই চীনের ব্যবসা-বাণিজ্য বহির্মুখী এবং অনেকেই চীন ভ্রমণের পর এশিয়ার অন্যান্য দেশেও ঘুরতে যান। মে মাসের শুরুতে নিউইয়র্কে একটি ইভেন্টে অংশ নিয়ে চেস্কি বলেছিলেন যে তিনি আশা করেন এশিয়া অঞ্চলে ২০২৩ সালের দিকে ব্যবসা-বাণিজ্য পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হবে।

২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত মার্কিন কোম্পানি এয়ারবিএনবি অনলাইনে মার্কেটপ্লেস পরিচালনা করে থাকে। তাদের মাধ্যমে পর্যটকরা বিভিন্ন পছন্দের জায়গায় ছুটি কাটানোর জন্য আবাসন ও অন্যান্য পর্যটন সুবিধা নিতে পারেন। ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে কার্যক্রম চালানো এআরবিএনবির নিজস্ব আবাসনের ব্যবস্থা নেই। বরং প্রতিটি বুকিং সংরক্ষণ থেকে তারা কমিশন পেয়ে মুনাফা আয় করে।

সূত্র: বিবিসি, আল-জাজিরা

এসএনআর/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]