সাবেক মন্ত্রী মায়ার আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ
দুর্নীতি ও অর্থপাচারের অভিযোগের মামলার তদন্ত জোরদার করতে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার আয়কর সংক্রান্ত নথি জব্দের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
সোমবার (৪ মে) দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন।
ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আদালতের আদেশ অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম নেওয়া হবে।
সংশ্লিষ্ট আদালত সূত্র জানায়, তদন্তের স্বার্থে আসামির আয়-সম্পদ সংক্রান্ত প্রকৃত তথ্য যাচাই করতে তার আয়কর নথির স্থায়ী অংশসহ সংশ্লিষ্ট সব রেকর্ড জব্দের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আদালত সেই আবেদন আমলে নিয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।
দুদকের আবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২০০৯-১০ থেকে ২০২৩-২৪ করবর্ষ পর্যন্ত সময়ে মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া জ্ঞাত আয়ের উৎসের বাইরে প্রায় ১ কোটি ৮২ লাখ টাকার সম্পদ অর্জন ও ভোগদখলে রেখেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
একই সঙ্গে তার নিজ নামে ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে প্রায় ৫১০ কোটি ৩৭ লাখ টাকার অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে, যা স্থানান্তর, হস্তান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে বলে অভিযোগে বলা হয়।
দুদক আরও জানায়, অভিযুক্ত ব্যক্তি নিয়মিত আয়কর দাতা হওয়ায় তার প্রকৃত আর্থিক লেনদেন ও সম্পদের উৎস অনুসন্ধানে আয়কর নথিপত্র অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সে কারণে মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তার নামীয় সব আয়কর রেকর্ড জব্দ করা প্রয়োজন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।
এমডিএএ/এমকেআর