হত্যা মামলা: মাঞ্জিল হায়দারের ফের ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০২:৩৯ পিএম, ০৭ মে ২০২৬
শুনানি শেষে সাবেক ডিজিএফআই কর্মকর্তা মেজর (অব.) মাঞ্জিল হায়দার চৌধুরীকে হাজতখানায় নেওয়া হয়। ছবি: আশিকুজ্জামান

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় আদাবরে পোশাকশ্রমিক রুবেল হত্যা মামলায় সাবেক ডিজিএফআই কর্মকর্তা মেজর (অব.) মাঞ্জিল হায়দার চৌধুরীর তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম এ আদেশ দেন। বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন।

এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) তেজগাঁও বিভাগের পরিদর্শক মোহাম্মদ টিপু সুলতান তাকে ফের সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন।

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, এর আগে চার দিনের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মাঞ্জিল হায়দারের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। তদন্তে উঠে এসেছে, তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সামরিক উপদেষ্টা তারেক আহমেদ সিদ্দিকীর ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন।

তদন্ত কর্মকর্তার দাবি, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে প্রভাব বিস্তার, আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগে উস্কানি এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্রের উৎস শনাক্তে তাকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। এছাড়া ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য ব্যক্তিদের শনাক্ত এবং অর্থের যোগানদাতাদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহেও রিমান্ড প্রয়োজন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০২৪ সালের ২০ জুলাই তৎকালীন সরকারের উচ্চপর্যায়ের এক বৈঠকে আন্দোলন দমনে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিদের সম্পৃক্ততার বিষয়টি তদন্তে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

গত ৩ মে রুবেল হত্যা মামলায় মাঞ্জিল হায়দারকে গ্রেফতার দেখিয়ে চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন আদালত। আদালত সূত্র জানায়, গত ৯ এপ্রিল রাজধানীর মহাখালী ডিওএইচএস এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে বিভিন্ন মামলায় তাকে একাধিক দফায় রিমান্ডে নেওয়া হয়।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট জুলাই আন্দোলনের শেষ দিনে আদাবরের রিং রোড এলাকায় রুবেলসহ ছাত্র-জনতা মিছিল বের করলে পুলিশের পাশাপাশি আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের গুলিতে রুবেল আহত হন। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিহত রুবেলের বাবা রফিকুল ইসলাম আদাবর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এমডিএএ/এমআরএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।