৭৫ এর নেপথ্যের কুশীলবদের খুঁজতে কমিশন হবেই : আইনমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১১:৫১ পিএম, ২৮ আগস্ট ২০১৯

আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক বলেছেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে যারা ছিল তাদের খুঁজে বের করতে একটা কমিশন গঠন করবই। এই কমিশনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার মন্ত্রিপরিষদ।

বুধবার (২৮ আগস্ট) সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির শহীদ শফিউর রহমান মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ আয়োজিত জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, আজ আমরা সম্ভাবনার আলো দেখছি। আমরা একটা কমিশন গঠন করতে পারি। জননেত্রী শেখ হাসিনার কারণেই আমরা সম্ভাবনার আলো দেখছি।

তিনি বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধু হত্যার এফআইআর করে দিয়েছিলেন। তিনি বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিচার করিয়েছেন, বিচার শেষ করেছেন। জাতীয় চার নেতা হত্যার বিচার শেষ করেছেন। আর যুদ্ধাপরাধী ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার শেষ করে রায় কার্যকর করেছেন। এসব বিচার হয়ে যাওয়ার কারণেই আমাদের সামনে কুশীলবদের ধরার সাহস হয়েছে।

কমিশনের ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সিদ্ধান্ত নেবেন উল্লেখ করে আইনমন্ত্রী বলেন, এই কমিশনের টার্মস অব রেফারেন্স কী হবে, কাকে দিয়ে হবে, কে চেয়ারম্যান হবেন, কতজন সদস্য বিশিষ্ট হবে, মেয়াদ কতদিন হবে, কী কী করবে এটা ঠিক করে দিতে হবে। অনুসন্ধান কমিশন আর এ কমিশন এক না। এটা একটা বিশেষায়িত কমিশন হবে। এই কমিশন ১৯৭৫ সালের হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে যারা ছিল তাদের খুঁজে বের করে কোন বিচারের আওতায় আনা হবে সেই সুপারিশ করবে।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে সবচেয়ে বেশি সুবিধা ভোগ করেছেন জিয়াউর রহমান। যখন বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার চার্জ রুজু করা হয়, দেখা যায় জিয়াউর রহমানের নাম পাতায় পাতায়। কিন্তু তার সৌভাগ্য তখন তিনি জীবিত ছিলেন না। না হলে এই মামলার তিন নম্বর আসামি হতেন জিয়াউর রহমান।

তিনি আরও বলেন, এই ফারুক, রশিদকে জিয়াউর রহমানের আমলে দেশের বাইরে রাখার পরিকল্পনা ছিল। এমন ঘটনাও জানি তাদেরকে ধরে মাসের পর মাস ক্যান্টনমেন্টে রেখে দিয়েছে। একবারও জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলা করে বিচার করেন নাই। এতে এটাই প্রমাণ করে জিয়াউর রহমান এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল। এরপর এরশাদ সাহেবও তাই করেছেন।

সংগঠনের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন- বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী, অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, সাবেক আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আব্দুল মতিন খসরু, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সৈয়দ রেজাউর রহমান, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সামসুল হক টুকু, সাবেক খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, আইনজীবী সমিতির সভাপতি এ এম আমিন উদ্দিন, বারের সাবেক সভাপতি মেসবাহ উদ্দিন প্রমুখ।

এফএইচ/বিএ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।