ঘরে বসেই চুলে কেরাটিন ট্রিটমেন্ট করবেন যেভাবে

লাইফস্টাইল ডেস্ক
লাইফস্টাইল ডেস্ক লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: ১২:১২ পিএম, ১৫ মার্চ ২০২৬
ছবি: এআই

বর্তমানে চুলের যত্নে জনপ্রিয় একটি ট্রিটমেন্ট হলো কেরাটিন। চুলের হারিয়ে যাওয়া কেরাটিন পুনরায় ফিরিয়ে আনতে পার্লার বা বিউটি স্যালনে এটি ব্যবহার করা হয়। কেরাটিন হলো চুলে থাকা একটি প্রাকৃতিক প্রোটিন, যা চুলের স্বাস্থ্য, শক্তি এবং ঝলক বজায় রাখতে সাহায্য করে।

তবে সূর্যের আলো, দূষণ এবং রাসায়নিক সমৃদ্ধ পণ্য ব্যবহারের কারণে চুলের কেরাটিন কমে যেতে পারে। ফলে চুল শুষ্ক, ভঙ্গুর এবং ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ওঠে।

যদিও পার্লারে কেরাটিন ট্রিটমেন্টের ফলাফল দ্রুত দেখা যায়, এটি ব্যয়সাপেক্ষ এবং অনেক সময় এতে কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয়। চুলে অতিরিক্ত কেমিক্যালের ব্যবহার চুলকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে, ফলে চুলের স্বাস্থ্য দীর্ঘমেয়াদে খারাপ হতে পারে।

তবে যে কোনো বাহ্যিক রাসায়নিক ছাড়াই ঘরে বসেই প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করে চুলে কেরাটিন ট্রিটমেন্ট করতে পারেন। আসুন জেনে নেওয়া যাক কীভাবে ঘরে বসে কেরাটিন ট্রিটমেন্ট করতে পারেন।

yui

ডিমের হেয়ার মাস্ক
ডিমের সাদা অংশ চুলের জন্য খুবই কার্যকর। প্রথমে একটি বাটিতে ২টি ডিমের সাদা অংশ আলাদা ঢেলে নিন। এবার ২ চামচ মধু এবং আধা কাপ বাটি নারিকেল তেল দিয়ে একটি ঘন ক্রিমের মতো মিশ্রণ তৈরি করুন। এই মিশ্রণটি চুলে সমানভাবে লাগিয়ে নিন। মাস্কটি পুরোপুরি শুকিয়ে গেলে, শ্যাম্পু এবং কন্ডিশনার দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত একবার এটি ব্যবহার করুন। মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই, আপনার চুল পার্লারের কেরাটিন ট্রিটমেন্টের মতোই মসৃণ এবং ঝলমলে হয়ে উঠবে। ডিমের প্রাকৃতিক প্রোটিন, মধুর আর্দ্রতা এবং নারিকেল তেলের পুষ্টিগুণ একসাথে চুলকে শক্তিশালী ও মসৃণ রাখে।

fgh

দই এবং অ্যালোভেরা জেলের মাস্ক
দই এবং অ্যালোভেরা জেল একসঙ্গে চুলের স্বাস্থ্য বৃদ্ধি করে এবং ঘনত্বও বাড়ায়। প্রথমে ২ টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেলের সঙ্গে আধা কাপ দই ভালোভাবে মিশিয়ে এতে ১ টেবিল চামচ নারিকেল তেল যোগ করুন । এবার পুরো মিশ্রণটি সমানভাবে চুলের স্ক্যাল্প থেকে চুলের ঢগা পর্যন্ত লাগিয়ে নিন। মাস্কটি চুলে পুরোপুরি শুকিয়ে গেলে শ্যাম্পু এবং কন্ডিশনার দিয়ে ধুয়ে নিন। সপ্তাহে ২দিন এটি ব্যবহার করুন।

নিয়মিত ব্যবহারে চুলের ক্ষয়রোধ হয়, নতুন কেরাটিন তৈরি হয় এবং চুলের প্রাকৃতিক ঝলক ফিরে আসে। প্রাকৃতিক উপাদানের কারণে চুল ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায় এবং চুলের স্বাভাবিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়।

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে,ফেমিনা

এসএকেওয়াই

 

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।