পেটের মেদ কমছেই না? এই খাবারগুলো খান

লাইফস্টাইল ডেস্ক
লাইফস্টাইল ডেস্ক লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: ০২:৪১ পিএম, ২১ নভেম্বর ২০১৯

সব সময় চেষ্টা করেন নিজেকে ফিট রাখার কিন্তু দিন দিন পেটের মেদ বেড়েই চলেছে? আর তাতে করে দেখতে যে উদ্ভট লাগছে তা আর বলে দিতে হয় না। খাওয়াদাওয়ায় অনিয়ম, ভুল খাবারে পেট ভরানো, কায়িক শ্রম কম করা, পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব ইত্যাদি কারণে পেটের মেদ বাড়তে পারে হু হু করে। সঠিক সময় ব্যবস্থা না নিলে ভুঁড়ি কিংবা ওজন বৃদ্ধির মতো সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হতেও সময় লাগে না। ডেকে আনে নানা নানা অসুখবিসুখ।

med

পেটের মেদ সাধারণত দু’ধরনের হয়ে থাকে। এক ধরনে তলপেটের অংশে মেদ জমে শক্ত হয়ে যায়। একে ‘বালজিং বেলি’ বলে। আর এক ধরনের ক্ষেত্রে সমগ্র পেটেই মেদ জমে ভুঁড়ির আকার ধারণ করে। একে ‘ব্লোটেড বেলি’ বলা হয়। বালজিং বেলির তুলনায় ব্লোটেড বেলি কমানো বেশি সহজ। কিছু ঘরোয়া পদ্ধতিতে এই ধরনের ভুঁড়ি খুব সহজেই কমিয়ে ফেলা সম্ভব-

med

প্রচুর পানি পান করুন: পেট ভার হয়ে থাকলেও আরও বেশি করে পানি পান করুন। আপনার মনে হতেই পারে পেট ভার অবস্থায় পানি পান করলে আপনার অস্বস্তি আরও বাড়বে, কিন্তু পানি পানের ফল হয় তার উল্টোটাই। অতিরিক্ত পানি পানের ফলে পাচনতন্ত্রে আগে থেকে জমে থাকা পানি অপসরণের কাজ শুরু করে দেয় এবং হজম তাড়াতাড়ি হয়। শরীরে পানির ঘাটতি তৈরি হয় না বলে শরীর পানিকে অকারণে জমিয়েও রাখে না।

শরীরকে ডিটক্সিফাই করার জন্য প্রচুর পানি পান করুন। আদা ভেজানো পানির সঙ্গে মিশিয়ে নিন মধু ও পাতিলেবু। এতে শরীর খুব সহজেই ডিটক্সিফাই হয়ে যায়। বরং স্ফীত পেটের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে চাইলে কফি বর্জন করুন। কফিতে থাকা ক্যাফিন আপনার শরীরে ডিহাইড্রেশনের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে। সেই সঙ্গে শরীরে শর্করা এবং ক্যালোরির মাত্রা বাড়ায়।

med

কলা খান: স্ফীত পেটের সমস্যা থেকে মুক্তির আরও এক উপায় কলা খাওয়া। কলায় প্রচুর পটাশিয়াম থাকে যা, শরীরের পানি ধারণ ক্ষমতাকে নিয়ন্ত্রণ করে, পাচনতন্ত্রে থাকা সোডিয়ামের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।

med

নাস্তায় থাকুক প্রোটিন: যাদের ভুঁড়ির সমস্যা আছে তারা অবশ্যই সকালের নাস্তায় প্রোটিন এবং ফাইবারযুক্ত খাবার খান। যাতে পাচনক্রিয়া ভালো এছাড়া রাতের খাবার তাড়াতাড়ি খাওয়ার অভ্যাস করুন। অন্তত খাওয়ার দু’ঘণ্টা পর ঘুমাতে যান।

med

ইপশম লবণে গোসল করুন: এতে আছে প্রচুর ম্যাগনেশিয়াম। যা শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি বের করে দিতে সাহায্য করে। এবং শরীরের যে অতিরিক্ত পানি ধরে রাখার প্রবণতা থাকে, তাও দূর হয়ে যায় এই লবণে গোসলের ফলে। নিয়মিত এই পানিতে গোসল করলে স্ফীত পেটের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

এইচএন/জেআইএম

বিনোদন, লাইফস্টাইল, তথ্যপ্রযুক্তি, ভ্রমণ, তারুণ্য, ক্যাম্পাস নিয়ে লিখতে পারেন আপনিও - [email protected]