হলুদের মোহনায় নুসরাতের বসন্তবন্দনা

লাইফস্টাইল ডেস্ক
লাইফস্টাইল ডেস্ক লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৫:৩৮ পিএম, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ঢাকাই ছবির জনপ্রিয় মুখ নুসরাত ফারিয়া, ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে

হলুদের কোমল আবেশে যেন নিজেকে নতুনভাবে আবিষ্কার করেছেন ঢাকাই ছবির জনপ্রিয় মুখ নুসরাত ফারিয়া। সাম্প্রতিক এক ফটোশুটে তার সাজ ছিল এক কথায় বসন্তের প্রতিচ্ছবি প্রাণবন্ত, আলোকিত আর আত্মবিশ্বাসী।

হলুদের মোহনায় নুসরাতের বসন্তবন্দনা‘র’ সিল্কের উজ্জ্বল হলুদ শাড়িতে ধরা দিয়েছেন এই লাস্যময়ী তারকা। হালকা শিয়ার টেক্সচারের জমিনজুড়ে ফুটে থাকা ফুল, পাতা আর পাখির নকশা যেন প্রকৃতির রঙিন ক্যানভাসকে শরীরে জড়িয়ে নেওয়ার মতো। শাড়িটির নরম ভাঁজ আর ফ্লোরাল মোটিফ মিলিয়ে পুরো লুকে তৈরি হয়েছে এক মৃদু অথচ দৃষ্টিকাড়া আবেদন। বসন্তের আবহকে ধারণ করতে এমন রঙের নির্বাচন সত্যিই সময়োপযোগী।

হলুদের মোহনায় নুসরাতের বসন্তবন্দনাশাড়ির সঙ্গে ছিল একই শেডের গ্লাস স্লিভ ব্লাউজ, যা পুরো সাজে এনেছে পরিপূর্ণতার ছাপ। রঙের ক্ষেত্রে কোনো ভাঙন না রেখে মনোক্রোম স্টাইলেই নিজেকে উপস্থাপন করেছেন তিনি।

হলুদের মোহনায় নুসরাতের বসন্তবন্দনাগয়নার ক্ষেত্রেও বজায় রেখেছেন সেই ধারাবাহিকতা। হলুদ পাথর বসানো চোকারটি গলায় শোভা পেয়ে শাড়ির সৌন্দর্যকে আরও উজ্জ্বল করেছে। কানে ছোট আকারের হলেও নজরকাড়া স্টাড দুল, আর হাতে সোনালি আভাযুক্ত চুড়ি সব মিলিয়ে ঐতিহ্য আর আধুনিকতার এক চমৎকার মেলবন্ধন।

হলুদের মোহনায় নুসরাতের বসন্তবন্দনাচুলের সাজেও ছিল সূক্ষ্ম ভাবনা। হাফ-আপ, হাফ-ডাউন স্টাইল তার মুখাবয়বকে আরও কোমলভাবে ফুটিয়ে তুলেছে। মেকআপে বেছে নিয়েছেন সফট গ্লোই ফিনিশ ত্বকে প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা, চোখে হালকা সাজ, গালে কোমল গোলাপি আভা আর ঠোঁটে ন্যুড-পিঙ্ক রঙ। অতিরঞ্জন ছাড়াই কীভাবে সৌন্দর্যকে প্রকাশ করা যায়, তার নিখুঁত উদাহরণ এই লুক।

হলুদের মোহনায় নুসরাতের বসন্তবন্দনাবসন্ত মানেই রঙের উল্লাস। তবে সেই উল্লাসকে রুচিশীলভাবে উপস্থাপন করাই আসল চ্যালেঞ্জ। সঠিক রঙ, মানানসই গয়না আর পরিমিত মেকআপ এই তিনের সমন্বয়ে সহজেই তৈরি করা যায় এমন প্রাণবন্ত সাজ। একটু সচেতন নির্বাচনেই আপনিও হয়ে উঠতে পারেন বসন্তের আলোয় উজ্জ্বল।

জেএস/

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।