ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. অর্থনীতি

চট্টগ্রাম বন্দরে কর্মবিরতি, রপ্তানিতে পড়বে নেতিবাচক প্রভাব

এমদাদুল হক তুহিন | প্রকাশিত: ০৪:৪৬ পিএম, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনালের (এনসিটি) ইজারা নিয়ে শ্রমিকদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতিতে স্থবির হয়ে পড়েছে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম। এতে গভীর সংকটে পড়েছে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য। আতঙ্ক, উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠায় সময় পার করছেন দেশের সর্বস্তরের ব্যবসায়ীরা। নেতিবাচক প্রবণতায় থাকা রপ্তানি আয় আরও নেতিবাচক হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। রপ্তানি আয়ের প্রধান খাত তৈরি পোশাকের ক্রয়াদেশ বাতিলের শঙ্কা তৈরি হয়েছে। ক্রয়াদেশ অন্য দেশে স্থানান্তরের শঙ্কাও দেখছেন উদ্যোক্তারা।

তারা বলছেন, চট্টগ্রাম বন্দরে আটকে থাকা পণ্য ফেরত এনে বিমানে পাঠাতে হতে পারে। সঠিক সময়ে পণ্য পাঠাতে না পারলে ক্রেতারা ডিসকাউন্টও চাইতে পারে। প্রতিদিন অন্তত ৯০ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়। বন্দরে অচলাবস্থা দেখা দেওয়ায় পোশাক খাতে সমপরিমাণ ক্ষতির আশঙ্কাও রয়েছে।

উদ্যোক্তারা বলছেন, এ সংকট সমাধান না হলে রমজানে সব পণ্যের দাম বেড়ে যাবে। ছোলা-বুটের মতো পণ্য ৪০০ গুণ বেশি দামে কেনা লাগতে পারে বলেও আশঙ্কা উদ্যোক্তাদের। ফলে বন্দরের বিষয়টি দ্রুত সমাধান করতে সরকারকে উদ্যোগ নেওয়ার পরামর্শ তাদের। আর এনসিটি ইজারা দেওয়া না দেওয়ার বিষয়টি পরবর্তী নির্বাচিত সরকারের ওপর ছেড়ে দেওয়া যেতে পারে বলেও মত দেন কোনো কোনো উদ্যোক্তা।

আরও পড়ুন
চট্টগ্রাম বন্দরে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির ঘোষণা
অনুরোধেও মন গলেনি শ্রমিক নেতাদের, সরকারকে আলোচনার আহ্বান ব্যবসায়ীদের
বন্দরের বিদেশি লিজ বাতিলের দাবি স্টুডেন্টস ফর সভরেন্টির
অন্তর্বর্তী সরকার দেশের স্বার্থবিরোধী কোনো চুক্তি করবে না

জানতে চাইলে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি তাসকীন আহমেদ জাগো নিউজকে বলেন, ‘চট্টগ্রাম বন্দরে স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন প্রায় নয় হাজার টিইউএস পণ্য খালাস হয়, বুধবার থেকে তা সম্পূর্ণ বন্ধ। ফলে সৃষ্ট অচলাবস্থায় দেশের রপ্তানি খাতে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এখন পর্যন্ত ৫৪ হাজার কনটেইনার পণ্য বন্দরে আটকা পড়েছে। বহিঃনোঙ্গরে পণ্য নিয়ে অবস্থান করছে প্রায় ১৪২টি জাহাজ, যা খালাস করতে দেরি হওয়ার কারণে আমদানিকারককে প্রতিদিন অতিরিক্ত ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ করতে হচ্ছে। নির্ধারিত সময়ে পণ্য জাহাজীকরণ সম্ভব না হওয়ায় ক্রয়াদেশ বাতিল বা স্থানান্তরের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। কিছু ক্রেতা সাময়িকভাবে ডেডলাইন বাড়াতে রাজি হলেও দীর্ঘস্থায়ী সংকটে তারা বিকল্প দেশ থেকে পণ্য সংগ্রহ করতে পারে। এছাড়া সামনের রমজান মাসে পণ্যের দামে এর প্রভাব পড়তে পারে।’

‘আমরা বলতে চাই, বন্দর সচল রাখা, শ্রমিক অসন্তোষ সমাধান এবং রপ্তানি কার্যক্রম অব্যাহত রাখা সরকারের দায়িত্ব। তাই ব্যবসায়ীদের স্বার্থে এবং তাদের ব্যাংকঋণ পরিশোধ, এলসি নিষ্পত্তি ও শিপমেন্ট বিলম্বের কথা বিবেচনায় রেখে এ সমস্যার দ্রুত ও কার্যকর সমাধান আশা করছি।’ বলছিলেন তাসকীন আহমেদ।

চট্টগ্রাম বন্দরে কর্মবিরতি: রপ্তানিতে পড়বে নেতিবাচক প্রভাব

দেশের নিটওয়্যার পোশাক মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমাদের যে পণ্যগুলো বন্দরে আটকে আছে, শিপমেন্ট যাচ্ছে না, এটা একটা ক্ষতির মুখে পড়তে পারে। বায়ার হয়তো এই পণ্য- এখান থেকে ফেরত নিয়ে এয়ার শিপমেন্ট দিতে বলতে পারে। অথবা ডিসকাউন্ট চাইতে পারে। এটি একটি বড় সংকট। দ্বিতীয়ত হলো- সবচেয়ে বড় সংকট যেটা হবে—এরকম একটা আনসার্টেন পরিস্থিতিতে আমাদের অর্ডারগুলো অন্য দেশে শিফট হয়ে যেতে পারে। ক্রেতারা যখন দেখবে বন্দরে এরকম অবস্থা চলছে, তখন তারা বাংলাদেশে নতুন অর্ডারগুলো প্লেস না করে অন্য জায়গায় অন্য দেশে শিফট করতে পারে। এ কারণে আমরা বড় ধরনের ক্ষতির মুখ পড়তে পারি।’

দেশে তৈরি পোশাক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সেলিম রহমান জাগো নিউজকে বলেন, “পোর্ট ডক ওয়ার্কারদের সঙ্গে সরকারের যে বিষয়টি চলছে, সেখানে আমরা মাঝখানে পড়ে গেছি। ডক শ্রমিকরা যদি বলে—‘ঠিক আছে, আমাদের বিরুদ্ধে কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে না’—তাহলে সেই রেসপন্সিবিলিটি কি আমরা নিতে পারি? এখানে তো সরকারের ভূমিকা থাকার কথা। সরকার কেন ডাকছে না? আমাদের কালকেও চট্টগ্রামে ডেকে বসিয়ে রাখা হয়েছে, কিন্তু তাদের মূল দাবি তো সরকারের কাছেই।”

আরও পড়ুন
চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি পরিচালনায় বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি বৈধ
চট্টগ্রাম বন্দরে মিছিল-সমাবেশ নিষিদ্ধ
চট্টগ্রাম বন্দরের ৪ কর্মচারীকে পানগাঁও আইসিটিতে বদলি
শ্রমিক-কর্মচারীদের কর্মবিরতিতে চট্টগ্রাম বন্দরে অচলাবস্থা

বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের (বিইএফ) সভাপতি ও বিকেএমইএর নির্বাহী সভাপতি ফজলে শামীম এহসান জাগো নিউজকে বলেন, ‘বন্দর ও বর্তমান পরিস্থিতিতে আমরা খুবই শঙ্কিত। কারণ ইতোমধ্যে পণ্যজট শুরু হয়ে গেছে। অনেক দেশ জাহাজ চলাচল বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে। সরকারের উচিত ছিল সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে এবং সবচেয়ে জরুরি একটি স্বচ্ছ ও আন্তর্জাতিক প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়ে বিষয়টা এগিয়ে নেওয়া।’

ক্ষতির বিষয়ে যা বলছেন উদ্যোক্তারা 

বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমরা যদি প্রতি মাসে আমাদের রপ্তানি ধরি অন্তত তিন বিলিয়ন ডলার, তাহলে দিনে অন্তত ৯০ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়। ওই পরিমাণ ক্ষতি একদিনে হতে পারে।’

ক্রয়াদেশ বাতিল প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘অবশ্যই শঙ্কা আছে। কারণ এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে ক্রেতারা নতুন অর্ডার প্লেস করবে না। যেগুলো আছে সেগুলো বাতিল হতে পারে।’

ডেডলাইন ও এয়ার শিপমেন্ট নিয়ে পোশাক খাতের এই নেতা বলেন, ‘ডেডলাইন হয়তো কয়েক দিন বা এক সপ্তাহ বাড়াতে পারে। কিন্তু বাড়ানোর চেয়ে যেটা করবে, তারা এই শিপমেন্টগুলো এয়ারে পাঠাতে বলবে। এয়ারে পাঠানো মানে হচ্ছে—আমাদের যা এক্সপোর্ট ভ্যালু, ওই ভ্যালুর ৬০ শতাংশ এয়ার ফ্রেইট বাবদ চলে যাবে।’

চট্টগ্রাম বন্দরে অচলাবস্থা

বন্দরে আটকে থাকা পণ্যের ডেমারেজ চার্জ বিষয়ে বিকেএমইএ সভাপতি বলেন, ‘বন্দর আমাকে ডেলিভারি দিতে পারছে না। দায় তো আমার না, দায় তো বন্দরেরও। সুতরাং বন্দরের দায় বা সরকারের দায় বা কারও ধর্মঘটের কারণে যদি আমি পণ্য রিলিজ করতে না পারি, তাহলে সেটার পোর্ট ডেমারেজ আমাকে কেন দিতে হবে? সেটা যেন কোনোভাবেই ইমপোজ না হয়।’

ব্যাংকঋণ ও শ্রমিকদের বেতন প্রসঙ্গে মোহাম্মদ হাতেম বলেন, ‘শিপমেন্টের চাপ তো বাড়বেই। কারণ আমি টাইমলি শিপমেন্ট না করলে ব্যাংকে ডকুমেন্টস দিতে পারব না, ব্যাংকের দায় পরিশোধ করতে পারব না। সবচেয়ে বড় কথা হলো—আমি টাইমলি শ্রমিকের বেতন দিতে পারব না, যেটা আমাদের সবচেয়ে বড় সংকট হয়ে দাঁড়াবে।’

বিজিএমইএর সাবেক পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল জাগো নিউজকে বলেন, ‘বন্দর বন্ধ থাকলে কার্যত পুরো লজিস্টিক ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়ে। আমাদের ইনফ্রাস্ট্রাকচার ও লজিস্টিক সক্ষমতা এমনিতেই আন্তর্জাতিক প্রতিযোগীদের তুলনায় পিছিয়ে। এর মধ্যে যদি মানবসৃষ্ট কারণে এক মিনিটেরও দেরি হয়, তাহলে সেই পিছিয়ে পড়া আরও বেড়ে যায়।’

আরও পড়ুন
আন্দোলনকারী কর্মচারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা
জাহাজ ঘাটে আসার ৩ দিনের মধ্যে পণ্য খালাস না করলে কঠোর ব্যবস্থা
চট্টগ্রাম বন্দরকে বিশ্বমানের করতে সহযোগিতা করবে যুক্তরাষ্ট্র
ক্যাপ্টেনের দক্ষতায় বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেলো চট্টগ্রাম বন্দর

তিনি বলেন, ‘ব্যবসায়ীরা সবসময় একটি সুন্দর, সাশ্রয়ী ও স্থিতিশীল ব্যবসায়িক পরিবেশ চায়। শ্রমিক বা কর্মচারীদের দাবি-দাওয়া থাকতে পারে, সেটা তাদের ও সরকারের বিষয়। আমি সেই যৌক্তিকতায় যেতে চাই না। তবে যে কোনো সমস্যা আলোচনার টেবিলে বসে সমাধান করতে হবে, কাজ বন্ধ রেখে নয়।’

‘কাজ বন্ধ মানে দেশের অর্থনীতি বন্ধ। ফলে শিপমেন্ট ডিলে হয়, অর্ডার ক্যানসেল হয়, খরচ বেড়ে যায়—যার প্রভাব পড়ে শ্রমিক, ব্যবসা ও পুরো অর্থনীতির ওপর। আর এমন বিষয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে আমাদের সুনাম মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।’

মহিউদ্দিন রুবেল আরও বলেন, ‘আমরা অতীতেও নানা প্রতিবন্ধকতার মধ্য দিয়ে এই সেক্টরকে এগিয়ে এনেছি। আমি বিশ্বাস করি, আলোচনার মাধ্যমেই এ সমস্যার দ্রুত সমাধান হবে। তবে কোনোভাবেই এমন কিছু করা উচিত নয়, যাতে কাজ বন্ধ হয়ে যায়। কারণ একবার কোনো ক্রেতা চলে গেলে তাকে আর ফেরানো যায় না।’

চট্টগ্রাম বন্দরে অচলাবস্থ

ছোলা-বুট ৪০০ গুণ বেশি দামে খাওয়া লাগতে পারে

সমাধান না হলে পরিস্থিতি কতটা ভয়াবহ হতে পারে এ প্রসঙ্গে বিজিএমইএর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সেলিম রহমান বলেন, ‘সমাধান না হলে রমজানে ছোলা-বুট-পিঁয়াজু খাওয়াও কঠিন হয়ে যাবে। ছোলা-বুট-পিঁয়াজুর দাম ৪০০ গুণ পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে, কারণ সব পণ্য আটকে আছে।’

তিনি বলেন, ‘এটার একটা বড় প্রভাব পড়বে। আমরা গার্মেন্টস সেক্টরে সবসময় নানা সমস্যা সামাল দেই, কিন্তু এবার বিষয়টা শুধু রপ্তানি খাতে সীমাবদ্ধ থাকবে না—ডোমেস্টিক মার্কেটেও বড় সমস্যা তৈরি হবে।’

রমজানের বাজার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সেলিম রহমান বলেন, ‘রোজার পণ্যগুলো তো ধীরে ধীরে আসার কথা ছিল। কিন্তু কাঁচাবাজারের অনেক পণ্যই আসছে না। সব ভেসেল বন্দরে আটকে আছে, এতে পণ্য নষ্ট হচ্ছে। সেই ড্যামেজের প্রভাব পড়বে ডাল, পেঁয়াজসহ সব নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামের ওপর।’

‘বাজার পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে। আমরা যত দ্রুত সম্ভব উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা করছি, কিন্তু সত্যি কথা বলতে—এটা আমাদের করার কথা ছিল না। আমরা এই কাজের জন্য সঠিক পক্ষ নই।’ তবে এ সমস্যা দ্রুত কেটে যাবে বলে মনে করেন বিজিএমইএর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি।

প্রতিনিয়তই বৈঠক চলছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা গতকালও বৈঠক করেছি। আবার বৈঠকে বসছি। কিন্তু সমাধান তো আমাদের হাতে নেই। সমাধান সরকারের হাতে। আমরা বিশ্বাস করি, এই সংকট দ্রুত কেটে যাবে।’

আরও পড়ুন
প্রতিদিন চট্টগ্রাম বন্দরে দুই থেকে আড়াই কোটি টাকার চাঁদাবাজি হয়
চট্টগ্রাম বন্দরে চাঁদাবাজি কারা করছে তা স্পষ্টভাবে বলতে হবে
বন্দর ইজারা দিয়ে সরকার গণঅভ্যুত্থানের বিপরীতে কাজ করছে: বাসদ
হামলা-আক্রমণ করে বিদেশিদের হাতে বন্দর দেওয়া যাবে না: সাইফুল হক

‘শ্রমিকরা সরকারকে জিম্মি করছে’

শ্রমিকরা সরকারকে জিম্মি করছে বলে মনে করেন বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম। তিনি বলেন, ‘যারা ধর্মঘট ডেকেছেন, তাদের যদি কোনো যৌক্তিক দাবি থাকে সেটা তারা বলুক। সরকারের সেই যৌক্তিক দাবিটা শোনা উচিত। কিন্তু তারা যেটা বর্তমানে করছে—সরকারকে জিম্মি করে, এই যে চুক্তি বাতিল ও যাদের ট্রান্সফার করছে সেটাকে বাতিল করা—এটা আমি মনে করি একধরনের জিম্মি করে আদায় করা। এদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান সরকারের নেওয়া উচিত বলে আমরা মনে করি। কোনোভাবেই এটা একসেপ্ট করা যাবে না এবং এর বিরুদ্ধে সবার অবস্থান নেওয়া উচিত। প্রয়োজনে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।’

বন্দরের বিষয়টি নির্বাচিত সরকারের ওপর ছাড়া যেতে পারে

বিকেএমইএর নির্বাহী সভাপতি ফজলে শামীম এহসান জাগো নিউজকে বলেন, ‘সামনে নির্বাচন, এর পরপরই রোজা। তাই এই শেষ মুহূর্তে তাড়াহুড়া না করে, নির্বাচিত সরকারের ওপর বিষয়টি ছেড়ে দিলে ভালো হবে। সেই সঙ্গে আন্দোলনকারীদের প্রতি অনুরোধ রপ্তানি বাণিজ্যের গুরুত্ব বিবেচনায় রপ্তানি পণ্য ও রোজায় নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির দাম সহনীয় রাখার লক্ষ্যে, এই সব চালান উনাদের কর্মসূচির বাইরে রাখা।’

ইএইচটি/এমএমএআর

আরও পড়ুন