আশিক চৌধুরী

প্রতিরক্ষা শিল্পাঞ্চল স্থাপনের সিদ্ধান্ত জাতীয় নিরাপত্তা ইস্যু

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ১০:২৬ এএম, ২৭ জানুয়ারি ২০২৬
চৌধুরী আশিক বিন মাহমুদ হারুন ও প্রেস সচিব শফিকুল আলম/ছবি: সংগৃহীত

ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন (প্রতিরক্ষা শিল্পাঞ্চল) স্থাপনের সিদ্ধান্ত কোনো রাজনৈতিক সরকারের বিষয় নয়, বরং এটি জাতীয় নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় সক্ষমতা ইস্যু বলে জানিয়েছেন বিডা ও বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক বিন মাহমুদ হারুন।

তাই সরকার পরিবর্তন হলেও এই প্রকল্পের ধারাবাহিকতা নষ্ট হবে না বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন
সামরিক শিল্পে প্রবেশ, মিরসরাইয়ে হবে ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন
আনোয়ারায় দেশের প্রথম ‌‘ফ্রি ট্রেড জোন’ গঠনে নীতিগত অনুমোদন
বিডা-বেজা-বেপজাসহ ৬ প্রতিষ্ঠান একীভূতকরণ হচ্ছে

আশিক চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশ অর্ডিন্যান্স ফ্যাক্টরিতে (গাজীপুরের শিমুলতলী) বর্তমানে যে উৎপাদন হয়, তা দেশের পুরো সামরিক চাহিদা মেটায়—এমনটি বলার সুযোগ নেই। কারণ বাংলাদেশ এখনো উল্লেখযোগ্য পরিমাণে সামরিক সরঞ্জাম আমদানি করছে। ফলে সক্ষমতা বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।

তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য আরেকটা অর্ডিন্যান্স ফ্যাক্টরি করা নয়; আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে বিদেশি অংশীদারদের সঙ্গে টেকনোলজি ট্রান্সফার, আন্তর্জাতিক সাপ্লাই চেইনে যুক্ত হওয়া এবং পরবর্তী ধাপে বেসরকারি খাতকে ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রোডাকশনে অন্তর্ভুক্ত করা।

বিডা ও বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান আরও বলেন, গত এক বছরে সামরিক বাহিনী, আমলাতন্ত্র ও নীতিনির্ধারকদের মধ্যে ধারাবাহিক বৈঠকের মাধ্যমে একটি সমন্বিত অবস্থান তৈরি হয়েছে। ডিমান্ড সাইড—অর্থাৎ কোন ধরনের সামরিক পণ্য প্রয়োজন হবে—তা নির্ধারণ করবে সশস্ত্র বাহিনীই।

৮৫০ একর জমি, ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন

চৌধুরী আশিক বিন মাহমুদ হারুন বলেন, ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনের জন্য ৮৫০ একর জমি নির্ধারণ করা হলেও এটি একবারে বাস্তবায়ন করা হবে না। প্রথম পাঁচ বছরে সর্বোচ্চ ৫০ একর জমিতে কার্যক্রম শুরু হতে পারে।

তিনি বলেন, এটা একটা লংটার্ম প্রজেক্ট। আগামী ১৫ থেকে ২০ বছরে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন হবে। এখন মূল বিষয় হচ্ছে জায়গাটা ইয়ারমার্ক করা এবং নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া।

এমইউ/ইএ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।