পরিবেশ ছাড়পত্র পেলেই বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু: ডিএনসিসি প্রশাসক

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭:১২ পিএম, ০৩ মার্চ ২০২৬
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন বলেছেন, ‘আমিনবাজারে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ (ওয়েস্ট টু এনার্জি) উৎপাদন প্রকল্পের কাজ পরিবেশ ছাড়পত্র না পাওয়ায় আটকে আছে। আমরা পরিবেশ অধিদপ্তরের সঙ্গে কথা বলবো। পরিবেশ ছাড়পত্র পাওয়ার পর দ্রুত বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজ শুরু করতে চাই।’

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সাভারে ডিএনসিসির বর্জ্য ডিসপোজাল এরিয়া আমিনবাজার ল্যান্ডফিল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।

এসময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রশাসক বলেন, ‘আমাদের দিক থেকে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন রয়েছে। চূড়ান্ত ছাড়পত্র পেলেই আমরা কাজ শুরু করতে পারবো। অনুমোদন পেলে দেড় থেকে দুই বছরের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করার লক্ষ্য রয়েছে।’

ল্যান্ডফিল এলাকায় মিথেন গ্যাস উৎপন্ন হওয়ার কারণে মাঝে মধ্যেই আগুন ও ধোঁয়ার সৃষ্টি হয়, যা স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে। এ বিষয়ে এলাকাবাসীর অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং ডিএনসিসি বিষয়টি গুরুত্বসহকারে আমলে নিয়েছে। সমস্যার স্থায়ী সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা করা হবে।

ডিএনসিসির ওয়েস্ট টু এনার্জি প্রকল্প বাস্তবায়নে একটি চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ শুরু হয়েছে। বর্জ্য পুড়িয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র প্রয়োজন। তবে এখনো পরিবেশ ছাড়পত্র না পাওয়ায় প্রকল্পের বাস্তবায়ন কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে।

এসময় ডিএনসিসি প্রশাসক আমিনবাজার ল্যান্ডফিলের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম ঘুরে দেখেন। পরিদর্শনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ রকিবুল হাসান এবং আমিনবাজার ল্যান্ডফিল সম্প্রসারণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক এস এম শফিকুর রহমান।

এমএমএ/এমএএইচ/

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।