‘পেট্রোল-অকটেনের রেশনিং থাকলে চলমান অবস্থার উন্নতি হবে না’

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭:৪৯ পিএম, ১০ মার্চ ২০২৬
জ্বালানি তেল সংগ্রহে এক পাম্প থেকে অন্য পাম্পে ছুটছেন যানবাহন মালিকরা/ ছবি- জাগো নিউজ

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে দেশের জ্বালানি তেলের বাজারে অস্থিরতা বিরাজ করছে। এ অবস্থায় তেল বিক্রিতে রেশনিং ব্যবস্থা চালু করেছে সরকার। এরপরও ফিলিং স্টেশনগুলোতে জ্বালানি তেল নিতে আসা যানবাহনের দীর্ঘ জট লেগে আছে। পেট্রোল, অকটেনের রেশনিং থাকলে চলমান অবস্থার উন্নতি হবে না বলে মনে করছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটার্স, এজেন্ট অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।  

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সংগঠনের পক্ষে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনকে (বিপিসি) দেওয়া এক চিঠিতে এ কথা বলা হয়।  

চিঠিতে বলা হয়, শিগগির পেট্রোল এবং অকটেন ডিপো পর্যায়ে সরবরাহ উন্মুক্ত করুন। কারণ, পেট্রোল ও অকটেনের সিংহভাগ দেশেই উৎপাদিত হয়। এতে করে পেট্রোল পাম্পের ওপর মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকারের চাপ কমবে এবং জনগণের মধ্যে আস্থা ফিরবে। এর মাধ্যমে ৮০ শতাংশ সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।  

আরও পড়ুন
কৃত্রিম সংকট তৈরি করে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা চলছে: সিপিডি 
যুদ্ধের ধাক্কায় বিশ্বের তেলবাজারে ‘ইতিহাসের সবচেয়ে বড়’ সংকট 
চাহিদার ২০ শতাংশ তেলও পাচ্ছে না ফিলিং স্টেশনগুলো! 

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার, ডিস্ট্রিবিউটারস, এজেন্টস এবং পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল জাগো নিউজকে বলেন, রেশনিং ব্যবস্থা চালু থাকলে এ অবস্থার উন্নতি হবে না। আমরা বিপিসিকে চিঠি দিয়েছি। তেল উন্মুক্ত করে দিতে হবে। রেশনিং করার কারণে জনগণ ভাবছে তেল নেই।  

তিনি বলেন, এভাবে পাম্প চালানো আমাদের জন্য কষ্টকর। ডিপোতে গেলে আমাদের সাড়ে ৪ হাজার লিটার তেল দেওয়া হচ্ছে, গাড়ির ধারনক্ষমতা ১৩ হাজার লিটার। আমাদের পরিবহন খরচ বাড়ছে। এজন্য আমরা চিঠি দিয়েছি।

এনএস/কেএসআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।