চট্টগ্রামে শীর্ষ সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের তিন সহযোগী গ্রেফতার
চট্টগ্রাম নগরে বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিদেশি অস্ত্রসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের তিন সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
সোমবার (৯ মার্চ) দিবাগত রাত থেকে মঙ্গলবার (১০ মার্চ) পর্যন্ত চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ (সিএমপি) বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে।
প্রথমে চকবাজার থানার পুলিশের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মো. আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী ওরফে রিমন ওরফে ইমনকে গ্রেফতার করে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একটি বিদেশি থ্রি-টু বোর রিভলভার ও ৯ রাউন্ড গুলি জব্দ করা হয়। অস্ত্রটি পাহাড়তলী থানা থেকে লুট করা হয়েছিল।
পুলিশের মতে, কাইয়ুম বহদ্দারহাটের আলোচিত আট হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি এবং শীর্ষ সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরে পাঁচলাইশ থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ব্রাজিলিয়ান টরাস (৯ এমএম) পিস্তল ও একটি মোটরসাইকেলসহ মনির নামে আরেক সহযোগীকে গ্রেফতার করা হয়। পিস্তলটি ডবলমুরিং থানা থেকে লুট হয়েছিল।
পরবর্তীতে মনিরের তথ্য অনুযায়ী বায়েজিদ বোস্তামী থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে সায়েম নামের আরেক সহযোগীকে গ্রেফতার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে খুলশী থানা এলাকা থেকে একটি এসএমজি, দুটি ম্যাগাজিন ও ৫০ রাউন্ড গুলি জব্দ করা হয়।
পুলিশের দাবি, গ্রেফতার ব্যক্তিরা বড় সাজ্জাদ গ্রুপের সক্রিয় সদস্য এবং খুন, ডাকাতি, চাঁদাবাজি ও বালুমহাল নিয়ন্ত্রণে সশস্ত্র কর্মকাণ্ডে জড়িত। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানান, জব্দ হওয়া তিনটি অস্ত্র সম্প্রতি চন্দনপুরা এলাকায় এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে গুলির ঘটনায় ব্যবহৃত হয়েছে। বিষয়টি ব্যালিস্টিক পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে।
৩ ছিনতাইকারী গ্রেফতার
এদিকে পবিত্র রমজান ও আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ছিনতাইকারী ধরতে বিশেষ অভিযান চালিয়েছে সিএমপির গোয়েন্দা শাখা (ডিবি পশ্চিম)। কোতোয়ালি এলাকায় চালানো অভিযানে মারুফ হোসেন তুষার (২১), মো. বাবু (২৭) ও মেহেদী হাসানকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে একটি ধামা ও একটি ছোরা জব্দ করা হয়।
সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ওয়াহিদুল হক চৌধুরী বলেন, গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় ডাকাতির প্রস্তুতির অভিযোগে মামলা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আগেও একাধিক চুরি ও ছিনতাইয়ের মামলা রয়েছে।
তিনি জানান, অভিযুক্তদের সহযোগীদের ধরতে এবং আরও অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এমআরএএইচ/একিউএফ