স্পিকারকে বিরোধীদলীয় নেতা
আমি অর্থনীতির ছাত্র নই, না বুঝে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ বলা অপরাধ
জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, একদিকে সংসদ চলছে, অন্যদিকে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টগুলো এখানে রেখে দেওয়া হয়েছে। সময়মতো ডকুমেন্টগুলো না পাওয়ায় আমরা তা পর্যালোচনা করতে পারিনি।
তিনি বলেন, ‘যেহেতু দুর্বল ছাত্র এ জন্য কিছুই বুঝতে পারিনি। না বুঝে ‘হ্যাঁ’ বললে অপরাধ হবে, আবার না বললেও অপরাধ হবে— এ অবস্থায় আমরা চুপ ছিলাম।’
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বিকেলে জাতীয় সংসদে একটি বিল পাস নিয়ে আলোচনায় স্পিকারকে এ কথা বলেন তিনি।
বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, কার্য উপদেষ্টা কমিটির দ্বিতীয় বৈঠকে আমি অনুরোধ করেছিলেন যাতে ১৩৩টি অধ্যাদেশের সব কাগজপত্র যথাসময়ে সরবরাহ করা হয়। পাশাপাশি তিন দিনের পরিবর্তে অন্তত একদিন আগে ডকুমেন্ট দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করার কথাও বলা হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে সংসদে আনার পরই এসব ডকুমেন্ট আমাদের হাতে দেওয়া হয়।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমি অর্থনীতির ছাত্র নই। এতগুলো ডকুমেন্ট একসঙ্গে টেবিলে আসার পর তা বুঝে ওঠা সম্ভব হয়নি। এখন ওপরে হাত তুলবো নাকি নিচে নামাবো, সেটাও বুঝতে পারছি না। না বুঝে ‘হ্যাঁ’ বললে অপরাধ হবে, আবার না বললেও অপরাধ হবে— এ অবস্থায় আমরা চুপ ছিলাম মাননীয় স্পিকার।’
তিনি বলেন, আমি জানি না এখানে বিজ্ঞ সরকারি দলের সম্মানিত সদস্য যারা আছেন তারা হয়তো সবাই অর্থনীতির ছাত্র এবং খুবই স্মার্ট, খুবই ট্যালেন্টেড স্টুডেন্ট ছিলেন, যার কারণে কাগজ দেখামাত্র ভেতরে কি আছে বুঝে ফেলছেন। কিন্তু আমাদের ক্ষেত্রে সেটি সম্ভব হয়নি।
এনএস/এমএএইচ/