নেপালে ত্রাণবাহী বিমান ট্রানজিট দিচ্ছে বাংলাদেশ


প্রকাশিত: ০৩:২৭ এএম, ০৩ মে ২০১৫

ভূমিকম্পে ধ্বংসস্তুপে পরিণত হওয়া নেপালে সহায়তা পাঠাতে বিদেশী ত্রাণ ও যাত্রীবাহী বিমানকে ট্রানজিট হিসেবে বাংলাদেশ। এজন্য বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) দেশের চারটি বিমানবন্দর ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে । এগুলো হল- হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, সিলেটের ওসমানী, চট্টগ্রামের শাহ আমানত ও সৈয়দপুর বিমানবন্দর।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শনিবার দুপুর পর্যন্ত শুধু শাহজালাল (রহ.) বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ৫৫টি ফ্লাইটকে এ সুবিধা দিয়েছে। শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এমকে জাকির হাসান জানান, রুট খালি না থাকায় ত্রাণসামগ্রী ও যাত্রী নিয়ে বিদেশী বিমানের যেসব ফ্লাইট কাঠমান্ডু নামতে পারছে না সেগুলো শাহজালালসহ বাংলাদেশের চারটি বিমানবন্দরে অবতরণ করতে পারবে। এ জন্য ৪টি বিমানবন্দরে ২৪ ঘণ্টা ফ্লাইট অপারেশনাল সার্ভিস চালু করা হয়েছে। একই সঙ্গে ভূমিকম্প রিলিফ মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে। শাহজালালের অপারেশন ভবনে এ সেল কাজ করছে।

জাকির হাসান বলেন, বেবিচকের চেয়ারম্যান ও সদস্য অপারেশন সার্বক্ষণিকভাবে এ সেলের তত্ত্বাবধান করছেন। বিদেশী ফ্লাইটগুলোর রিফুয়েলিং ও যাত্রীদের থাকা-খাওয়ারও ব্যবস্থা করা হয়েছে।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, নেপালের কাঠমান্ডু বিমানবন্দরে রুট খালি না থাকায় ২৬ এপ্রিল থেকে ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত ৪১টি ফ্লাইট নেমেছে শাহজালালে। ৩০ এপ্রিল থেকে শনিবার দুপুর পর্যন্ত নেমেছে ১৪টি। প্রতিদিন সাত থেকে ১০টি ফ্লাইট নামছে। এগুলোর অধিকাংশ ইউএসএ, ইউকে, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ও ভারত থেকে আসছে। এছাড়া প্রতিদিনই নেপালগামী বেশকিছু নন সিডিউল ফ্লাইটও নামছে শাহজালালে।

এর আগে মন্ত্রিসভার সর্বশেষ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নেপালগামী ফ্লাইটগুলোকে ট্রানজিট দিতে বাংলাদেশের বিমানবন্দরগুলো ব্যবহারে সুযোগ দেয়ার নির্দেশ দেন বেবিচককে। ওই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়া দ্বিতীয় রাষ্ট্র নেপাল। নেপালকে সহায়তা দিতে যে কোনো দেশের ত্রাণবাহী বিমান বাংলাদেশের বিমানবন্দর ব্যবহার করতে চাইলে তাদের তা দেয়া হবে।

এএইচ/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।