আনন্দ স্কুলের অনিয়মে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার তাগিদ


প্রকাশিত: ১২:১০ পিএম, ১৯ মে ২০১৫

দেশে বিভিন্ন জায়গায় ‘আনন্দ স্কুল’ প্রতিষ্ঠা ও এর আর্থিক অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি। জাতীয় সংসদ ভবনে মঙ্গলবার দুপুরে অনুষ্ঠিত প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির ১৪তম বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়।

বৈঠকে জানানো হয়, বাংলাদেশের আট থেকে চৌদ্দ বছরের যেসব শিশুর বিদ্যালয়ে যাওয়ার সুযোগ হয়নি বা প্রাথমিক শিক্ষা সমাপ্ত করতে পারেনি তাদের জন্য প্রতিষ্ঠা করা হয় আনন্দ স্কুল অর্থাৎ রিচিং আউট অব স্কুল চিলড্রেন (রস্ক)। ২০১৩ সালের জানুয়াারি থেকে শুরু হয়েছে রস্ক প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়। নতুন ১০০টি উপজেলাসহ মোট ১৪৮টি উপজেলায় রস্ক দ্বিতীয় পর্যায় বাস্তবায়িত হবে। নতুন উপজেলাসমূহে ২০১৩ সালে এবং ২০১৪ সালে মোট ১৩ হাজার আনন্দ স্কুল প্রতিষ্ঠা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তা সম্ভব হয়নি।

বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি মোতাহার হোসেন সাংবাদিকদের জানান, বিভিন্ন উপজেলায় আনন্দ স্কুল প্রতিষ্ঠার শুরুতেই ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষার্থী বাছাই, শিক্ষক নিয়োগ ও জরিপে বড় ধরনের অনিয়ম করছে প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা। কোথাও কোথাও ঠিকভাবে পড়ানোও হচ্ছে না। এ জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যব্যস্থা নেওয়ার সুপারিশ করছে কমিটি।

বৈঠকে সংসদীয় কমিটির প্রত্যেক সদস্য কর্তৃক যে কোন একটি উপজেলার রস্ক প্রকল্পের মাধ্যমে পরিচালিত ‘আনন্দ স্কুল’ কার্যক্রম পরিদর্শনের সুপারিশ করা হয়।

এছাড়া দেশের যে সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ সৃষ্টি করা হয়নি, সেইসব বিদ্যালয় চিহ্নিত করে প্রধান শিক্ষকের পদ সৃষ্টির সুপারিশ করে কমিটি।

কমিটি সভাপতি মো. মোতাহার হোসেনের সভাপতিত্বে কমিটি সদস্য প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান, আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইন, সামশুল হক চৌধুরী, আবুল কালাম, আলী আজম, মোহাম্মদ ইলিয়াছ এবং উম্মে রাজিয়া কাজল বৈঠকে অংশ নেন।

এইচএস/আরএস/আরআইপি

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।